Connect with us

দুর্গা পার্বণ

সাবর্ণ পরিবারে দেবীর গাত্রবর্ণ শিউলি ফুলের বোঁটার মতো

sabornobari

ওয়েবডেস্ক: সাবর্ণ পরিবারের দুর্গাপুজো পাকাপাকি ভাবে শুরু হয়েছিল ১৬১০ সালে। শুরু করেছিলেন লক্ষ্মীকান্ত রায়চৌধুরী এবং তাঁর স্ত্রী ভগবতী দেবী। প্রথমে কাঠের থামের উপর হোগলাপাতার ছাউনি দেওয়া আটচালা মণ্ডপে দেবীপুজো করা হত। পরে ষোলোটি থামবিশিষ্ট একটি নাটমন্দির তৈরি করা হয়।

সাবর্ণ পরিবারে দেবীর গাত্রবর্ণ হয় শিউলি ফুলের বোঁটার মতো। লাল বেনারসী আর নানান অলংকারে সজ্জিত হন দেবী। এখানে গণেশের গায়ের রং হয় লাল। অসুরের গায়ের রং সবুজ।

পুজোর সময় দেবীর এক দিকে থাকেন রঘুপতি, অন্য দিকে থাকেন ভগবান শিব।

সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের মোট আটটি বাড়িতে দুর্গাপুজো হয়। তবে প্রধান পুজোটি হয় বড়িশা আটচালায়। এ ছাড়া রয়েছে আটচালা বাড়ি, বড়ো বাড়ি, মাঝের বাড়ি, বেনাকী বাড়ি, কালীকিঙ্কর ভবন, বিরাটিতে ও নিমতা পাঠানপুরের সাবর্ণবাড়িতে পুজো।

সাবর্ণদের দেবী পূজিত হন তন্ত্রমতে। লক্ষ্মীকান্তের নাতি বিদ্যাধর রায়চোধুরীর সময় এই পরিবারের পুজোয় ত্রিধারাসঙ্গম  অর্থাৎ, শাক্ত, শৈব এবং বৈষ্ণব এই তিন মত মিলে যায়।

এই দেবীর চালচিত্রে থাকেন, ছিন্নমস্তা, বগলা, কমলাকামিনী, মাতঙ্গী, অর্থাৎ দশমহাবিদ্যা এবং রাধাকৃষ্ণও।

বৈষ্ণব মতানুযায়ী বড়ো বাড়ি, মেজ বাড়ি ও নিমতার বাড়িতে দেবীর বাহন সিংহের মুখ হয় ঘোটক আকৃতির। বাকি বাড়িতে দেবীর বাহনের মুখ সিংহের।

বড়ো বাড়ি এবং বিরাটির বাড়িতে নবমীর দিন বৈষ্ণবমতে কুমারীপুজো হয়।

পুজোর আরও খবর পড়ুন

আটচালা বাড়িতে ষষ্ঠীর তেরো দিন আগে থেকেই দেবীর পুজো শুরু হয়। মহালয়ার পরের দিন বেদি করে পঞ্চঘট স্থাপন করা হয়। পঞ্চমীর দিন ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, গণেশ ও শান্তির আরাধনা করা হয়।

অষ্টমী এবং নবমীর দিন এই বাড়িতে একটি বিশেষ পুজো করা হয়, মাস ভক্ত বলি। ১৮০টা খুড়িতে মাসকলাই এবং দই দিয়ে এই পুজো করা হয়। উদ্দেশ্য অপদেবতা আর উপদেবতাদের সন্তুষ্ট করা।

আগে এই বাড়ির পুজোয় ১৩টি ছাগল এবং একটি মোষ বলি দেওয়া হত। এখন পশুবলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার বদলে কুমড়ো, শশা বলি হয়। 

বিজয়া একটু অন্য রকম। দশমীর দিন সকালে ঘট বিসর্জন হয় তার পরে ঠাকুরের সামনেই শুরু হয় বিজয়া পর্ব। 

দুর্গা পার্বণ

পুজোর কার্নিভাল: রাজীব বসুর ক্যামেরায়

kashi bose lane

ওয়েবডেস্ক: বৃষ্টি নিয়ে আশঙ্কা থাকলেও বৃষ্টি কোনো বাধ সাধেনি। বৃষ্টির মোকাবিলায় সব রকম ব্যবস্থা থাকলেও, সে সব ব্যবহার করতে হয়নি। শুক্রবার রেড রোডে পুজোর কার্নিভাল নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত হন। অতিথি অভ্যাগতরাও যথাসময়ে হাজির হয়ে যান।

কার্নিভালে আমন্ত্রিত বিদেশি বাণিজ্য দূতাবাসের আধিকারিকরা।

কলকাতার নামজাদা সর্বজনীন পূজাকমিটিগুলি তাঁদের প্রতিমা নিয়ে মিছিল করে যান। সঙ্গে ছিল নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পুলিশের কসরতও।

আলিপুর ৭৮ পল্লি।

শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব।

চোরবাগান সর্বজনীন।

ভবানীপুর স্বাধীন সংঘ।

তেলেঙ্গাবাগান।

বাঘা যতীন তরুণ সংঘ।

দমদম পার্ক ভারত সংঘ।

ফরোয়ার্ড ক্লাব।  

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

সিঁদুর খেলতে যাবেন? ফিরে এসে ত্বকের যত্নে এই ৩টি টিপস অবশ্যই কাজে লাগবে

sindur-khela

ওয়েবডেস্ক : দশমীতে সিঁদুর খেলার আনন্দ অনেকটা দোল খেলাকে মনে করিয়ে দেয়। সকাল সকাল তৈরি হয়ে মণ্ডপে গিয়ে শুরু হবে একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দেওয়ার খেলা। এতে ত্বকে প্রচুর পরিমাণ রাসায়নিক লেগে যায়।

পুজোকে ঘিরে কত আনন্দ উদ্দীপনা। নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নানান প্রচেষ্টা। তার জন্য বেশ কিছু দিন আগে থেকেই নানান প্যাক, ফেসিয়াল ইত্যাদি ব্যবহার করে সুন্দর হয়ে ওঠার হিড়িক। তার পর যেটা হয়, পুজো শুরু হয়ে যায়। আর হইহই করে পুজোয় সাজগোজ, আনন্দ, ঘোরা, আড্ডা, ঠাকুর দেখা করতে গিয়ে আর নিজেদের প্রিয় ত্বকের যত্ন নেওয়াই ঠিক মতো হয়ে ওঠে না।

অথচ পুজোর এই দিনগুলিতে চলে প্রচণ্ড চড়া মেকআপ। সেটি তোলার পর্যন্ত সময় থাকে না। ফলে ধীরে ধীরে তা ক্ষতি করে আমাদের ত্বকের। কিন্তু আমাদেরই তো খেয়াল রাখা উচিত প্রিয় ত্বকের। তাই ত্বকের ক্ষতি হয়ে আনন্দে যেন কোনো ভাঁটা না পরে। সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তাই প্রথমেই যে বিষয়টিতে মনোযোগ দিতে হবে তা হল মেকআপ বা সিঁদুর খেলার পর সেই সিঁদুর ভালো করে তুলতে হবে। রইল মেকআপ তোলা আর তারপর ত্বকের যত্নের জন্য কয়েকটি বিশেষ টিপস।

শুষ্ক ত্বকে নারকেল তেল

যদি ত্বক শুষ্ক বা ড্রাই হয়, তা হলে মেকআপ বা সিঁদুর তোলার জন্য ব্যবহার করতে হবে নারকেল তেল। সাধারণ নারকেল তেল সব ঘরেই থাকে। তা হাতের তালুতে নিয়ে সারা মুখে ভালো করে মেখে নিতে হবে। তারপর মিনিট পাঁচেক সময় ধরে হালকা হাতে ভালো করে ম্যাসাজ করতে হবে। এর পর ঈষৎ উষ্ণ গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখটা মুছে ফেলতে হবে।

এর পরের ধাপে পছন্দের ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

তেল তেলে ত্বকের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। আবার তা না করে ম্যাসাজ ক্রিম বা কোনো ময়শ্চারাইজার দিয়ে একই পদ্ধতিতে মুখের মেকআপ তুলতে হবে।

আবার অনেকে ভেসলিনও ব্যবহার করে থাকে মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে।

এর পরের ধাপে অবশ্যই পছন্দের ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

মিশ্রত্বকের জন্য বেবি অয়েল

মিশ্র ধরনের ত্বক বা সেনসিটিভ ত্বকের জন্য ব্যবহার করা যায় বেবি অয়েল। তাতে ত্বকের জেল্লা বাড়ে।

তবে এর পরও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

এই তিন ক্ষেত্রেই তেমন মনে হলে গরম জলের বদলে সাধারণ জলে তোয়ালে ভিজিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে মেকআপ করা কোনো অংশে মেকআপ, কাজল, লাইনার, বেস, কনসিলার, পাউডার বা মেকআপ তুলতে ব্যবহার করা কোনো তেল বা ক্রিম যেন রয়ে না যায়। তার জন্য সাদা কাপড়ে মুখ মুছে নিলে তা বুঝতে সুবিধা হবে।

এর পরই তো ঘুমাতে যাওয়ার পালা। ঘুমানোর আগে অবশ্যই ময়শ্চারাইজার, বা নাইট ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক স্বাস্থ্য ফিরে পাবে।

পড়ুন –চুল ঝলমলে করতে চান? তা হলে অবশ্যই এই পরামর্শ মেনে চলুন

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

হাতে সময় স্বল্প! নবমীতে অব্যাহত জনজোয়ার

ওয়েবডেস্ক: বৃষ্টির ভ্রুকুটি নেই! আকাশ মুখ ভার করে থাকলেও নবমীর সারাটা দিন ছিটেফোঁটার দেখা মেলেনি। তবুও কিছুটা হলেও মন খারাপ বাঙালির। দিনের হিসেবে রাত পোহালেই দশমী, কিন্তু তিথি অনুযায়ী এ দিনই শুরু হয়ে গিয়েছে দশমী। মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। স্বাভাবিক ভাবে হাতে স্বল্প সময়েই মণ্ডপে-মণ্ডপে ঢল নেমেছে দর্শনার্থীর।

এ দিন সকাল থেকেই উৎসবমুখর মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন প্যান্ডেলে ঢুঁ মারতে। এ দিন সকালে নবমীর বিশেষ যজ্ঞ, ধুনুচি নাচের পর বেশ কিছু সর্বজনীন পুজোয় চলছে প্রতিবারের মতোই ভোগ বিতরণ। আবার এ দিনও বাবু রাজচন্দ্রের মতো বেশ কিছু বনেদি বাড়ির পুজোয় প্রাচীন প্রথা মেনে কুমারীর পুজোর আয়োজনও হয়। পুজোর শুরুর দিন থেকেই যে ভাবে বৃষ্টির চোখ রাঙানি অব্যাহত ছিল, এ দিন তাতেও মিলেছে স্বস্তি।

স্বাভাবিক ভাবেই দিনভর রাস্তায় জনস্রোত সমানে এগিয়েছে। আর মাত্র একটা দিন, রাত পেরোলেই পড়ে যাবে মহাদশমী। তার পরই সেই বিষাদের সুর। বিদায় জানানোর পালা। শুরু হয়ে যাবে ঘাটে-ঘাটে বিসর্জন। তবে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত আর গুপ্তপ্রেস, দু’টি পঞ্জিকা মতে দশমী তিথির শুরু এবং শেষের সামান্য ফারাক রয়েছে।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা নির্ঘণ্ট মতে, দশমী তিথি আরম্ভ সোমবার বেলা ১২.৩৮টা থেকে। দশমী তিথি শেষ আগামী মঙ্গলবার দুপুর ২.৫০ মিনিট পর্যন্ত। এর পরই দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত পুজো ও বিসর্জন।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা নির্ঘণ্ট মতে দশমী তিথি শুরু হয়েছে সোমবার বেলা ৩.০৫টা এবং শেষ হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৪.১৯টায়। অর্থাৎ, সোমবার নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকেই দশমী বিহিত পুজো ও বিসর্জন প্রথাসিদ্ধ।

তবে শুধু মহানগর নয়, রাজ্যের সর্বত্রই এ দিন আবহাওয়া মোটের উপর ভালো থাকায় ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন দর্শনার্থীরা। শহরতলি এবং জেলার পুজোগুলিতেও মহানবমীতে মানুষের উৎসাহ চোখে পড়ার মতোই।

Continue Reading
Advertisement
coronavirus
দেশ40 mins ago

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র

দেশ1 hour ago

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

দঃ ২৪ পরগনা3 hours ago

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

ভ্রমণের খবর4 hours ago

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

দেশ5 hours ago

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৯,১৪৮, সুস্থ ১১,৯১২

বিদেশ6 hours ago

আমেরিকায় আরও ভয়াবহ ভাবে জাল বিস্তার করছে করোনা, এক দিনেই আক্রান্ত ৫২ হাজার

ক্রিকেট6 hours ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

নজরে