বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজো প্রায় এসে গেল বলে। স্বাভাবিক ভাবেই তাই চারদিকে সাজোসাজো রব। মোটামুটি ভাবে সবাই ঠিক করেই ফেলেছেন কে কী করবেন। প্ল্যানিং-এর মধ্যে বাদ যায়নি খাওয়াদাওয়া, জামাকাপড়, ঘোরাবেড়ানো, কোনও কিছুই।

তাই বাঙালি হিসাবে টলিপাড়ার সেলেবরাও বাদ যাননি পুজো নিয়ে প্ল্যানিং করতে। তাঁরাও ভীষণ ভাবে অপেক্ষা করে আছেন মা দুর্গার মর্ত্যে আগমনের জন্য। তাঁরাও সেজে উঠবেন পুজোর বিশেষ সাজে। তবে অনেক টলি-ডিভাই কিন্তু বাঙালি হিসাবে পুজোর সময় শাড়ি পরতেই বেশি পছন্দ করেন। কারণ দুর্গাপুজোয় শাড়ি ছাড়া বাঙালিকে ঠিক মানায় না।

ঠিক তেমনই পূজোর ফ্যাশন নিয়ে ভেবে রেখেছেন ঋত্বিকা আর পাওলিও। ঋত্বিকার কাছে পূজো মানেই হল শাড়ি। কারণ ঋত্বিকা মনে করেন শাড়িতেই তিনি বেশি সুন্দরী লাগেন। আবার পাওলির কাছে পুজো মানেই ট্র্যাডিশনের ছোঁয়া। পুজো মানেই শাড়ি। তাই পুজোর চারটে দিন শাড়িই পরবেন পাওলি।

এত রকম শাড়ির মধ্যে ঋত্বিকার অবশ্য প্রথম পছন্দ ঢাকাই জামদানি। তাই পুজোর দিনগুলিতে ঢাকাই জামদানি মাস্ট। পূজোর চারটে দিন শাড়ি পরেই কাটাতে চান ঋত্বিকা। চার দিনে আটটা শাড়ি তো পরবেনই, আবার তার বেশিও হতে পারে।

শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে জুয়েলারি পরার ব্যাপারেও মোটামুটি এক মত দুই নায়িকারই। আর মানানসই মেকআপ তো থাকবেই। তবে কপালে টিপ পরবেন কিনা সেই বিষয়ে এখনও কিছু ভেবে উঠেননি পাওলি।

ব্যাস, এ ভাবেই পুজোর চারটে দিন চুটিয়ে আনন্দ করতে এখন থেকেই প্রস্তুত ঋত্বিকা। তবে পাওলি জানালেন, শ্যুটিং-এর কাজে ব্যস্ত থাকায় পুজোর শপিং এখনও শুরু করা হয়ে ওঠেনি তাঁর। কাজের মাঝে ফাঁক পেলেই এবার শপিংটা সেরে ফেলতেই হবে। পুজোর কাউন্টডাউন যে শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর দিন কুড়িও নেই পুজোর।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here