Connect with us

দুর্গা পার্বণ

জানেন কি মহালয়ার দিন কেন তর্পণ করা হয়?

পুরাণ অনুযায়ী যে পক্ষকাল কর্ণ মর্ত্যে অন্নজল দান করার জন্য ছিলেন তাকে বলা হয় পিতৃপক্ষ।

Published

on

tarpan
পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ।

ওয়েবডেস্ক: হিন্দুধর্ম অনুসারে জীবিত ব্যক্তির তিন পূর্বপুরুষ প্রয়াত হওয়ার পরে পিতৃলোকেই বসবাস করেন। এই পিতৃলোক হল স্বর্গ ও মর্ত্য এই দুই লোকের মাঝাখানে অবস্থিত। এই লোকের প্রধান হলেন যমদেবতা। তিনিই মৃত ব্যক্তিকে পিতৃলোকে নিয়ে যান।

মহাভারত অনুযায়ী দাতাকর্ণের মৃত্যুর পরও তাঁকে মর্ত্যলোক ছেড়ে চলে যেতে হয়। তিনি গিয়ে পৌঁছোন স্বর্গে। সেখানে তাঁকে ইন্দ্রলোকে মণিমানিক্য, স্বর্ণ ইত্যাদি খেতে দেওয়া হয়। তিনি পড়েন বেজায় বিপদে। কিছুই খেতে পারেন না। তখন কর্ণ অপারগ হয়ে ইন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তাঁকে এই সমস্ত খেতে দেওয়া হচ্ছে।

এর উত্তরে ইন্দ্রদেব বলেন, তিনি সারা জীবন ধরে সবাইকে কেবল এই সমস্ত দ্রব্যই দান করে গিয়েছেন। কখনোই পিতৃগণের উদ্দেশে খাদ্যদান করেননি।

এর জবাবে কর্ণ বলেন, তিনি তো জানতেনই না তাঁর পিতৃপরিচয়। অবশেষে মাতা কুন্তী তাঁর জন্মের রহস্য প্রকাশ করেন। তা-ও যুদ্ধের আগের রাত্রে। ফলে পরের দিনই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তিনি ভায়েদের হাতেই প্রাণ হারান। ফলে পিতৃপুরুষদের জল খাদ্য দান করার মতো সময় তিনি পাননি।

এর থেকে ইন্দ্রদেব বুঝতে পারেন এতে কর্ণের কোনো রকম দোষ ছিল না। তাই তিনি কর্ণকে পিতৃপুরুষদের জলখাদ্য দান করার সুযোগ করে দেন। কর্ণকে ১৫ দিন অর্থাৎ এক পক্ষকালের জন্য মর্ত্য ফিরে যাওয়ার ও পিতৃপুরুষদের জল দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আর সেই নির্দেশ পেয়ে কর্ণ আবার মর্ত্যে ফিরে আসেন পিতৃপুরুষদের জল ও খাদ্য দান করতে। তিনি জল অন্ন দান করে পাপস্খালন করে আবার স্বর্গে ফিরে যান।

পুরাণ অনুযায়ী যে পক্ষকাল কর্ণ মর্ত্যে অন্নজল দান করার জন্য ছিলেন তাকে বলা হয় পিতৃপক্ষ। এই ঘটনাই তর্পণ। এই কাহিনিতে ইন্দ্রের কথা বলা হলেও মতান্তরে যমরাজের উল্লেখও পাওয়া যায়।

এ তো গেল মহাভারতের কথা। ত্রেতাযুগ অর্থাৎ রামায়ণেও তর্পণ নিয়ে কাহিনি আছে।

সীতাকে উদ্ধার করার জন্য রাবণের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন রামচন্দ্র। সেই যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য অকাল বোধন অর্থাৎ দেবী দুর্গার অসময়ে পুজো করেছিলেন রাম। সেই পুজো হয়েছিল শরৎকালে। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী যে কোনো শুভ কাজ করার আগে পিতৃপুরুষদের জল দান করে সন্তুষ্ট করতে হয়। সেই মতোই রামও পুজোর আগে জল দান করে ছিলেন পিতৃপুরুষদের। সেইটিই তর্পণ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

এর পর থেকেই ওই দিনটিতে তর্পণ করার প্রথা শুরু হয় এবং ওই অকালবোধনই বাঙালির দুর্গাপুজো।

দুর্গা পার্বণ

করোনাকালে আড়ম্বর থাকবে না, তবুও থাকবে চমক তেলেঙ্গাবাগানের পুজোয়

এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

Published

on

স্মিতা দাস

৫৫তম বর্ষে তেলেঙ্গাবাগান সর্বজনীন। করোনার গ্রাসে তেলেঙ্গাবাগানে হচ্ছে না থিম। তার প্রথম ও অন্যতম কারণ হল কন্টেনমেন্ট জোনে রয়েছে এই পুজো। অনেক কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে, পাড়ার বয়স্কদের বহু বারণ সত্ত্বেও আয়োজন করা হয়েছে পুজোর। তবে তার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে বহু নিয়ম ও সচেতনতার। এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

ঠিক কী ভাবে হচ্ছে এই বছরের পুজো?

এই ব্যাপারে ক্লাবের অফিস সেক্রেটরি অমৃত সাউ বলেন, এই বারের মণ্ডপ একদম সাধারণ। চার দিক খোলা। ঢোকা বেরোনোর পথ আলাদা আলাদা। তবে সাবেকি ঠাকুর। প্রতিমাতেই থাকছে বিশেষ আকর্ষণ। বিশেষ করে প্রতিমার মুকুটে থাকবে চমক। দর্শকরা দেবী মূর্তি দেখে মুগ্ধ হবেনই।

চালচিত্র নিয়ে এ বারের প্রতিমার উচ্চতা ১২ ফুট। শিল্পী ভাস্কর প্রদীপ রুদ্র পাল গড়ছেন ঠাকুর।

অমৃত জানান, ঢোকার মুখেই রাস্তার ওপর থাকবে জায়েন্ট স্ক্রিন। সেখান থেকেই দর্শকরা ঠাকুর দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ভেতরে ঢোকারও দরকার পড়বে না। ফলে ভিড় এড়ানো যাবে। মাস্ক, থার্মাল স্ক্রিনিং, দূরত্ব বজায় রাখতে গোল গোল দাগ থাকবে ঢোকার রাস্তায়। মাটি থেকে দশ ফুট খোলা থাকবে মণ্ডপ।

অষ্টমীতে অঞ্জলি হবে বাড়িতে বসেই, বাড়ির ঠাকুরের সামনে। মাইক দিয়ে মণ্ডপ থেকে ঠাকুরমশাই মন্ত্র পাঠ করবেন। সেই শুনে অঞ্জলি দেবেন এলাকাবাসী। পরে সুবিধেমতো এসে মণ্ডপে রাখা ঝুড়িতে ফুল দিয়ে যাবেন। পরিবর্তন করা হয়েছে ভোগের দিন ক্ষণে। অষ্টমীতে নয়, নবমীতে হবে ভোগ।

প্রতি বছরের মতোই মানুষের কাছে বার্তা তুলে ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে এ বছর করোনা নিয়েই বার্তা থাকবে। বাজেট ৭০% কাট করা হয়েছে। এই বারের বাজেট ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। চাকচিক্য নেই, লাইটের রমরমাও নেই।

অমৃতবাবু জানান, এখনও পর্যন্ত ব্যানার স্পনসর, স্টল ইত্যাদি নিয়ে কোনো ফোনও আসেনি। সেই নিয়ে চিন্তিত কর্মকর্তারা।

এই বছরের উদ্বোধন তৃতীয়াতে, বিসর্জন পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই হবে।

গত বছরের থিম ছিল ‘পুনর্জন্ম’।

খান্না থেকে উলটোডাঙার দিকে যেতে অরবিন্দ সেতু থেকে নেমে বাঁ দিকে তৃতীয় পূজামণ্ডপ।

আরও – পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Published

on

বকশিবাড়ির দুর্গাপ্রতিমা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

দুর্গাপুজোয় নানা রীতি, নানা আচার পালন করা হয় বিভিন্ন বনেদিবাড়িতে। কোথাও দেবীর ভোগে অন্ন থাকে, আবার কোথাও দেবীকে লুচিভোগ দেওয়া হয়। মৃন্ময়ী মূর্তির ক্ষেত্রেও বিশেষত্ব দেখা যায়। যেমন, কোথাও তিনি ব্যাঘ্রবাহিনী আবার কোথাও তিনি সিংহবাহিনী।

বঙ্গের পুজোয় কুলাচারের নিয়ম প্রতিটি বাড়িতেই বহু বছর ধরে পালিত হয়ে আসছে এবং এটাই বঙ্গের সংস্কৃতি যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অগণিত ভক্ত। তেমনই পশ্চিম বর্ধমানের বকশিবাড়িতে দেবীর পদতলে বিরাজ করেন সিংহের পরিবর্তে বাঘরাজ। এই বাড়ির পুজো প্রায় ২৬২ বছরের পুরোনো।

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশি বংশের আদিপুরুষ কিশোরীমোহন দাস ছিলেন বৈষ্ণবভক্ত। বর্ধমানের মহারাজাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। নানা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন কিশোরীবাবু। তাঁর সেই ক্ষমতা দেখে তাঁর সাধ্যমতো উপকার করার প্রতিশ্রুতিও দেন বর্ধমানের মহারাজা। এর পর কিশোরীমোহন দাস সস্ত্রীক বৃন্দাবনে যান এবং সেখানেই তাঁর স্ত্রী এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। পুত্রের নাম রাখা হয় গোবর্ধন। এই গোবর্ধন দাস ছিলেন বীর যোদ্ধা এবং প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। বর্ধমানের মহারাজা তাঁর অসীম ক্ষমতা দেখে তাঁকে প্রধান সেনাপতির পদে নিযুক্ত করেন এবং তাঁকে বকশি উপাধি প্রদান করেন। গোবর্ধন দাসের সূত্রেই সূচনা হল বকশি বংশের।

১৭৫৭ সালের পরবর্তী সময়ে দেশীর রাজাদের সঙ্গে ইংরেজদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। সেই সময় গোবর্ধন বকশি ছিলেন বর্ধমান মহারাজার প্রধান সেনাপতি। যুদ্ধ চলাকালীন গোবর্ধনবাবু একদিন মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। মা তাঁর মূর্তিপূজা শুরু করতে বলেন। মা বলেন, তাঁর মূর্তিপূজা করলে তিনি তাঁকে এবং তাঁর বংশকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। মা স্বপ্নাদেশেই জানিয়ে দেন, তাঁর যে মৃন্ময়ীরূপের পুজো হবে, সেই রূপ তিনি দাঁইহাটের এক শিল্পীকে স্বপ্নাদেশে বর্ণনা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিজয়নগরের গাছতলায় তাঁর যে শিলামূর্তি রয়েছে, তা এনে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করারও আদেশ দেন মা।   

মায়ের মুখ।

এর পর দেবীর আদেশানুসারে গোবর্ধন বকশি শিলামূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দাঁইহাটের শিল্পীর সাহায্যে মূর্তি তৈরি করে শুরু করেন বংশের দুর্গাপুজো, যা আজও বংশপরম্পরায় চলে আসছে।

এই বাড়ির পুজো শুরু হয় রথের দিন মায়ের কাঠামোয় মাটি দিয়ে। এই বাড়ির মূর্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল দেবীর ডান পাশে থাকেন শ্রীলক্ষ্মী ও কার্তিক এবং বাঁ পাশে থাকেন দেবী সরস্বতী ও গণেশ। দেবীর দুর্গার আটটি হাত ছোটো, কাঁধে বসানো এবং বাকি দুটি হাত স্বাভাবিক। ছোটো আটটি হাতের অস্ত্র মাটির এবং ত্রিশূলটি রুপোর তৈরি। এই বকশিবাড়িতে মায়ের বাহন হলেন বাঘ।

বকশি পরিবার বৈষ্ণব হলেও দেবীর আদেশে বলিদান প্রথা পালন করা হয় বলে জানালেন পরিবারের সদস্য শুভদীপ বকশি। দুর্গাপুজোর সপ্তমী ও মহাষ্টমীতে একটি করে ছাগ এবং মহানবমীতে তিনটি ছাগ, একটি মহিষ, চালকুমড়ো এবং আখ বলিদান হয়। এই বাড়ির দেবীকে কোনো শাড়ি পরানো হয় না। পুরো সাজটাই হয় রাজস্থানী ঘাঘরা দিয়ে। মায়ের মন্দিরের ভেতরে কোনো বেদি নেই। দেবীর আদেশে মন্দিরের ভেতরের মেঝেটি পুরোটাই মাটির।

বকশিবাড়ির পুজোয় ১২০ জনেরও বেশি ঢাকি আসেন। ঢাকের লড়াই চলে গ্রামের সরকারবাড়ির সঙ্গে বকশিবাড়ির। এ এক চিরন্তন প্রথা। বকশিবাড়িতে পুজোর সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় – নাচ, নাটক, গান ইত্যাদি। বকশিবাড়ির খ্যাপা মাকে দর্শন করতে মানুষ ছুটে আসেন দূরদূরান্ত থেকে, জড়ো হন এ বাড়ির ঠাকুরদালানে। পুজোর চার দিন ঠাকুরদালানে ভক্তদের ভিড় দেখার মতন।

বকশিবাড়ির কুলদেবতা হলেন গোপাল। পুজোর সময় মায়ের সামনে গোপালকে রেখে তাঁর পুজো করা হয়। এই ভাবে পুজোর নানা প্রথা আঁকড়ে রেখে এবং সাবেক ঐতিহ্য মেনে আজও পুজো হয় বকশিবাড়ির খ্যাপা মায়ের।

খবর অনলাইনে আরও পড়তে পারেন

উধাও হয়ে যাওয়া শ্রীরাধারমণ বিগ্রহ ফিরে পেতেই শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় কাত্যায়নীর আরাধনা

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

করোনা আবহে কী ভাবে দুর্গাপুজো? উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মণ্ডপ, অঞ্জলি থেকে সিঁদুর খেলা- মুখ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ পরামর্শ।

Published

on

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এড়িয়ে কী ভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা যাবে, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই জানিয়ে দিলেন করোনা আবহে কী ভাবে সতর্কতা অবলম্বন করে দুর্গাপুজো করতে হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ক্লাব ও পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সুরক্ষাবিধি মেনে কী ভাবে দুর্গাপুজোর ব্যবস্থা করা যাবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশদ আলোচনা করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পুজো হবেই। সমস্ত নিয়ম মেনেই হবে। শুধু করোনার জন্যে কিছু নিয়মকানুন আমাদের মেনে চলতে হবে। খোলামেলা মণ্ডপ তৈরির পরামর্শ দিয়েছে আমাদের গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি কমিটি”।

মুখ্যমন্ত্রী যা বললেন

চারপাশটা খোলা রেখে মণ্ডপ তৈরি করতে হবে।

যারা চারপাশ খোলা রাখতে পারবে না, তারা মাথার উপরের দিকটা খোলা রাখবে।

মণ্ডপে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

সে ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সীমারেখা টেনে দিতে হবে।

মণ্ডপের এক অথবা আধ কিমির মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। প্রত্যেক দর্শনার্থীর মুখে মাস্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে উদ্যোক্তাদেরও মাস্ক রাখতে হবে।

মণ্ডপে আসা দর্শনার্থীদের সচেতন করতে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে ঘোষণা করতে হবে।

২ অক্টোবর থেকে রেজিস্ট্রেশনের জন্য পুজো কমিটিগুলিকে আবেদন জানাতে হবে।

সকলে এক সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া এবং সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে পারবেন না। একটা দলের হয়ে গেলে আর একটা দল আসবে।

দর্শনার্থী পারলে নিজেরাই অঞ্জলির জন্য ফুল-বেলপাতা নিয়ে যাবেন।

এ বারে পারলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে, ইত্যাদি।

কত পুজো হচ্ছে রাজ্যে?

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, রাজ্য পুলিশের আওতায় ৩৪ হাজার ৮৩৭টি পুজো রয়েছে। অন্য দিকে কলকাতা পুলিশের অধীনে রয়েছে ২ হাজার ৫০৯টি দুর্গাপুজো। ১ হাজার ৭০৬টি পুজো হচ্ছে মহিলাদের উদ্যোগে।

বিশেষ ছাড়!

মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রতিটি পুজো কমিটি ৫০ শতাংশ ছাড় পাবে। সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা- উভয়ই এই ছাড় দেবে। পাশাপাশি দমকম এবং পুরসভাগুলি পুজো কমিটিগুলির থেকে কোনো ফি নেবে না।

অন্য দিকে রাজ্য সরকারের তরফে পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন: ‘দুর্গাপুজোর আনন্দ কোনো ভাবেই মাটি হবে না’, আশ্বস্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Continue Reading
Advertisement
Uncategorized14 mins ago

কৃষি বিলের প্রতিবাদে ‘দিল্লি চলো’র ডাক কৃষক সংগঠনের

coronavirus
রাজ্য15 mins ago

রাজ্যের কোভিড-পরিস্থিতি স্থিতিশীল, চিন্তায় রাখছে কলকাতা-উত্তর ২৪ পরগণা

রাজ্য49 mins ago

করোনার মৃদু উপসর্গ থাকলে বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিনোদন1 hour ago

দুর্গার বেশে ধরা দিয়ে খুনের হুমকি পাচ্ছেন নুসরত জাহান, দ্বারস্থ প্রশাসনের

রাজ্য2 hours ago

বদলি প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে বিকাশ ভবন যাচ্ছে শিক্ষক সংগঠন

জলপাইগুড়ি3 hours ago

‘একশো শতাংশ কাজ চাই, ঢিলেমি নয়’, উত্তরকন্যার প্রশাসনিক বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

দেশ4 hours ago

ভারত এবং বিশ্বের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির জন্য বাড়তি ১০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করবে সেরাম

Mukesh Ambani
শিল্প-বাণিজ্য5 hours ago

লকডাউনের পর থেকে প্রতি ঘণ্টায় মুকেশ অম্বানির আয় ৯০ কোটি টাকা!

দেশ11 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৭০৫৮৯, সুস্থ ৮৪৮৭৭

দেশ2 days ago

জল্পনার অবসান! নীতীশ কুমারের দলে যোগ দিলেন বিহারের প্রাক্তন ডিজি

Mamata Banerjee
রাজ্য3 days ago

১ অক্টোবর থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলছে সিনেমা হল, চালু খেলাধুলো-সহ অন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

north bengal rain
রাজ্য1 day ago

অতিবৃষ্টির হাত থেকে অবশেষে রেহাই পেল উত্তরবঙ্গ, আপাতত স্বস্তি

দেশ2 days ago

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা জসবন্ত সিংহ প্রয়াত

বাংলাদেশ3 days ago

অবৈধ পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবি, বাংলাদেশি-সহ উদ্ধার ২২

রাজ্য3 days ago

বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকপদ খুইয়ে হুঁশিয়ারি রাহুল সিনহার!

shubhman gill
ক্রিকেট3 days ago

শুভমান গিলের ব্যাটে ভর করে আইপিএলে খাতা খুলল কেকেআর

কেনাকাটা

কেনাকাটা21 hours ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা4 days ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা5 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা1 week ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 week ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা3 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা1 month ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

নজরে