উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে মন শান্ত রাখতে ম্যাজিকের মতো কাজে দেবে এই ৫টি পদ্ধতি

আর কয়েকদিন পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা  নিয়ে উদ্বেগ বা চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে বেশি চিন্তা করলেও সেটা যে পরীক্ষার জন্য ভালো হবে না।

0
Hs exam
বেশি চিন্তা করলেও সেটা যে পরীক্ষার জন্য ভালো হবে না

ওয়েবডেস্ক: আর কয়েকদিন পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বা চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে বেশি চিন্তা করলেও তা যে পরীক্ষার জন্য ভালো হবে না, সেটাও না বললে চলে।

পরীক্ষার আগে প্রায় অনেকেই ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েন। মনে হয়, পুরো বছর ধরে কী যে পড়লাম, সবই যেন গুলিয়ে যায়। বোধহয় পরীক্ষার খাতায় গিয়ে কিছুই লিখতে পারব না।

কিন্তু পরীক্ষার মাত্র কয়েকদিন আগে এই সব চিন্তা করে সময় কাটালে তো আর হবে না। নিজের মনকে কী ভাবে শান্ত রাখবেন, পড়াশোনার পাশাপাশি সেই উপায়ের কথাও ভাবতে হবে।

জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলি সম্পর্কে-

১। মেডিটেশন

মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ধ্যান বা মেডিটেশন করা খুব উপকারী একটি বিষয়। যখন নেতিবাচক চিন্তাগুলো মনে আসে তখন মানসিক দৃঢ়তা কমে যায়। এই ধরনের চিন্তা মানসিক শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। নিয়মিত মেডিটেশনের অভ্যাস মনকে শান্ত করে এবং দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম

মন ভীষণ বিক্ষিপ্ত এবং অস্থির থাকলে একে নিয়ন্ত্রণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। এই ব্যায়াম করতে প্রথমে গভীরভাবে শ্বাস নিন। কিছুক্ষণ আটকে রাখুন। এর পর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এই ভাবে কয়েকবার ধরে করুন। এই ব্যায়াম আপনাকে শিথিল করতে সাহায্য করবে। নেতিবাচক চিন্তা ও আবেগগুলো থামাতে সাহায্য করবে।

৩। মনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যান

সবসময় নিজের ধ্যান-জ্ঞান, মন বইয়ের পাতায় আটকে না রেখে মাঝে মাঝে মনটাকে অন্য দিকে নিয়ন্ত্রণ করুন। পড়াশুনা বাদ দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য অন্য কোনো কাজে মনোযোগ দিন। যেমন- পছন্দের গান শুনতে পারেন, ৫-৭ মিনিট একটু গল্প করলেন। এতে দেখবেন, নিজেকে একেবারে চাঙ্গা লাগছে।

৪। হাসুন

সব প্রশ্নের খুব ভালো উত্তর হল হাসি। খুব চাপ মনে হলে, কিছুক্ষণের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের কঠিন সিলেবাসের থেকে একটু বেরিয়ে এসে কিছু মজার কৌতুক পড়ুন, হাসির ছবি দেখুন বা ভিডিও দেখুন। এই বিষয়গুলো আপনাকে চাপমুক্ত করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্ট বাদ দিয়ে ওজন কমাতে গিয়ে পড়তে পারেন এই ৫টি সমস্যায়

৫। পর্যাপ্ত ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম সব শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সমাধানের একটি অন্যতম উপায়। পরীক্ষার আগে পড়ার চাপে প্রত্যেককেই একেবারে নাকানি-চোবানি খেতে হয়। তখন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো খুবই কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তবুও ৮ ঘণ্টা না ঘুমাতে পারলেও ৫-৬ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here