প্রতিযোগিতার বাজার। একেবারে যেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। টিকে থাকা ভীষণ দুষ্কর। তবে মাঠে নেমে হাল ছাড়লে যেমন চলবে না। সেরকমই  প্রতিযোগিতা যতই কঠিন হোক। জয়ী হওয়ার পথ আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে।

 ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এখন কেরিয়ার গড়ার অনেক রাস্তা খুলে গেছে। এবার আপনাকেই ঠিক করতে হবে, উচ্চমাধ্যমিক পাস করে আপনি কোন কোর্সে ভর্তি হবেন এবং নিজের জীবনকে সুন্দর করে গুছিয়ে নেবেন।

বর্তমানে ডেটা সায়েন্স (data science) কোর্সটির চাহিদা একেবারে তুঙ্গে। চাকরির বাজারেও রয়েছে দারুণ সুযোগ।

 মার্কেটিং বিভাগ থেকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছুতেই এখন ডেটা সাইন্সের প্রয়োজন পড়ে।

এবার আপনার যদি এই বিষয়ের ওপরে কৌতূহল থাকে তাহলে আপনি ডেটা সায়েন্সকে (data science) কেরিয়ার অপশন করতে পারেন।

 ১। যোগ্যতা

 ডেটা সায়েন্স কোর্সে ভর্তি হতে হলে উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এছাড়া উচ্চমাধ্যমিকে অঙ্ক থাকতে হবে। এবং যিনি এই কোর্সে ভর্তির আবেদন করবেন তাঁকে বিজ্ঞান বিভাগের আবেদনকারী হতে হবে।

 ২। কোথায় পড়বেন

 (ক) অ্যামিটি ইউনিভর্সিটি, কলকতা।

 (খ) এস.কে সোমাইয়া কলেজ, মুম্বাই।

 (গ) জর্জ গ্রুপ অফ কলেজ, কলকাতা।

 (ঘ) লয়লা অ্যাকাডেমি ডিগ্রি পিজি কলেজ, হায়দ্রাবাদ।

(ঙ) কোয়েম্বাটুর ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, কোয়েম্বাটুর।

 (চ) বিড়লা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি, ভুবনেশ্বর।

 (ছ) ইন্টারন্যাশানাল স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাঙ্গালোর।

 (জ) গীতম ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স, বিশাখাপত্তনাম।

 (ঝ) এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস, দূর্গাপুর।

 ৩।পড়তে খরচ

 কোর্সের মধ্যে অনেক ধরনের ভাগ আছে। সেই ভাগ অনুযায়ী আপনার পড়ার জন্য প্রায় ২১ হাজার থেকে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মধ্যে কোর্সটি করতে পারবেন।

 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোর্সের মধ্যে কী কী থাকবে-

 ৪। ডেটা সাইন্সের (data science) ব্যবহার

 সাধারণত ডেটা সায়েন্স আপনাকে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন এবং প্রোডাক্ট নির্ণয় সবরকম কাজে সাহায্য করে।

 এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের পোডাক্ট ডিজাইন করার সময় কাস্টমারের পছন্দ অপছন্দ নির্ণয় করার জন্য ডেটা সায়েন্স ব্যবহার করে থাকে,

কিভাবে আপনার ডাটা কোম্পানি গুলি পেয়ে থাকে:

আপনার স্মার্টফোনেটি আসলে কোম্পানিগুলির কাছে একটি ট্র্যাকিং ডিভাইস, আপনি  কোথায় যাচ্ছেন, কি পোস্ট করছেন, কোন  অ্যাপে বেশি সময় কাটাচ্ছেন, কোন গেম বেশি খেলছেন, কোন ওয়েবসাইটে কতক্ষণ সময় কাটাচ্ছেন তা স্মার্ট ফোন অথবা ব্রাউসার সেভ করে রাখে।

 স্কিল গুলি শিখে আপনিও ডেটা সায়েন্টিস হতে পারবেন:

 প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে শেখা-

 আপনাকে কম্পিউটার এর কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে আয়ত্ত্ব করতে হবে ,এবং মূলত স্ট্যাটিসটিকাল প্রোগ্রামিং শিখতে হবে।

ডেটাবেস সম্পর্কে জ্ঞান

ডেটাবেস মানে হলো সংগ্রহ করা তথ্যগুলির ভান্ডার, অর্থৎ যেখানে ডাটা গুলি স্টোরে করা থাকে আপনাকে সেটা বিশ্লেষণ   করা জানতে হবে।

 কমিউনিকেশনে দক্ষ হতে হবে

 আপনাকে নিয়মিত আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে যেতে হবে এবং আপনার ডেটাবেস থেকে পাওয়া  ডেটাগুলি আপনার উপস্থিত বুদ্ধির দ্বারা বিশ্লেষণ করে সমাধান করতে হবে, তবেই আপনি একজন দক্ষ ডেটা সায়েন্টিস্ট হয়ে উঠতে পারবেন।

 নিজেকে আপডেট রাখতে হবে

 কমিনিউটিতে যুক্ত থাকতে হবে। আপনার মতো আরও যারা ডেটা সায়েন্টিস আছেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, এবং নতুন কি প্রযুক্তি এসেছে তার সম্বন্ধেও ওয়াকিবহাল থাকতে হবে।

 ৫। চাকরির সুযোগ

 ডেটা সায়েন্টিস হিসাবে সরকারি এবং বেসরকারি উভয় স্থানে আপনি ভালো চাকরি পেতে পারেন। প্রথমে জুনিয়ার  ডেটা  সায়েন্টিস হিসাবে কাজে যোগ দিলে ১৫০০০-১৭০০০ টাকা বেতন পাবেন। এরপরে কজের অভিজ্ঞতা যত বাড়বে বেতন বেড়ে ৫০,০০০-৬০,০০০ টাকা হবে।

উচ্চ মাধ্যমিকের পর আরও কোন কোন বিষয় নিয়ে পড়া যেতে পারে তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন