উচ্চমাধ্যমিক পাস করে কী পড়বেন? কেরিয়ার গড়তে বেছে নিন এগ্রিকালচার সাইন্স

0

গ্রামের প্রায় বেশিরভাগ মানুষের প্রধান উপজীবিকা হলো কৃষি। তাদের আয়ের প্রধান উৎস হল কৃষি। জীবনধারণের প্রয়োজনীয় উপাদান, শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর বেশির ভাগই কৃষি থেকে আসে। কৃষি ব্যতীত মানুষের জীবনধারণ অসম্ভব।

কৃষিকে কেন্দ্র করে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা আবর্তিত। তাই দেশের অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম।

সেই কৃষি যদি হয়ে ওঠে আপনাদের পড়াশুনার বিষয়। তাহলে উচ্চমাধ্যমিকের পরে কেরিয়ার অপশন হিসাবে  কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা শুরু করতে পারেন।

amazon

১। যোগ্যতা

উচ্চমাধ্যমিকে পিওর সাইন্স নিয়ে পড়তে হবে। ডব্লুবিজিই (WBJEE) তে র‌্যাঙ্ক রাখতে হবে।

এছাড়া আইসিএর এআইঈ  (ICAR-AIEE) সর্বভারতীয় পরীক্ষাতে র‌্যাঙ্ক থাকতে হবে। কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনার জন্য আইআইটিতে পড়ার সুযোগ পেতে এনটি-এর জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ভালো ফল করতে হবে। জেইই অ্যাডভান্স পরীক্ষার সুযোগ পেতে হলে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেনের বিই বা বিটেক পরীক্ষায় ভালো র‌্যাঙ্ক করতে হবে।

২। কোথায় পড়ানো হয়

ক) বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মোহনপুর নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ।

খ) উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পুন্ডিবাড়ি কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ।

গ) অসম এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, জোরহাট অসম।

ঘ) ওড়িশা ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, সূর্যনগর, ভুবনেশ্বর ওড়িশা।

ঙ) বিহার এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, ভাগলপুর, সবুপুর বিহার।

চ) বিরসা এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, রাঁচি, ঝাড়খন্ড।

ছ) চন্দ্রশেখর আজাদ ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, কানপুর, উত্তরপ্রদেশ।

জ)সর্দার বল্লভভাই পটেল ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার, মোদিপুরাম, মিরাট উত্তরপ্রদেশ।

ঝ) জি বি পন্থ ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি। উধমসেনগর, ঝাড়খন্ড।

৩। কোন কোন পদে কাজ পাবেন

ক) এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-

এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শেষ করে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি পেয়ে যাবেন। এছাড়া বিভিন্ন এগ্রি ইরিগেশন সেক্টরে চাকরি পেতে পারেন।

খ) সাইট ইঞ্জিনিয়ারিং-

ফিল্ডে যখন কাজ চলে তখন প্রযুক্তিগত ও উপাদানগত দিক থেকে সবকিছু ঠিকাছে কিনা সেই কাজের দায়িত্ব সাইট ইঞ্জিনিয়ার দেখে থাকেন।

গ) এগ্রিকালচার ফুড সাইন্টিস্ট-

এগ্রিকালচার ফুড সাইন্টিস্টের কাজ হল শস্য ও খাদ্য উত্পাদন নিয়ে গবেষণা করা। সরকারী এগ্রিকালচার ফার্মে ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাতে কাজ পেতে পারেন।

ঘ) এগ্রিকালচার সেলসপার্সন-

একজন এগ্রিকালচার সেলসপার্সন কৃষকদের কাছে যন্ত্রপাতি, পশুর খাদ্য, সার এবং বীজ বিক্রয় করে। তারা তাদের পণ্য সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দেয়। কৃষি বিক্রয়কর্মীরা কৃষকের চাহিদা শোনেন এবং তার প্রয়োজনীয়তা অনুসারে সঠিক পণ্যটির সম্পর্কে পরামর্শ দেন।

ঙ) এগ্রিকালচার অফিসার-

এগ্রিকালচার প্রোডাক্ট বাণিজ্যে কাজ পেতে পারেন।

৪। বেতন –

বিভিন্ন পদগুলিতে অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে কত বেতন পাবেন। প্রায়  ২৪-৫৩,০০০ টাকা বেতন পেতে পারেন।

আরও পড়তে পারেন :

হাতে-কলমে কাজ শিখিয়ে কর্মসংস্থান, স্কিল ইন্ডিয়া উদ্যোগে বড়োসড়ো সাফল্য বন্ধনের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন