এখন থেকে পড়তে পড়তেই উপার্জন করতে পারবেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পাঠরত ও গবেষণারত ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক উপার্জনের রাস্তা খুলে দিচ্ছে তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের বিধি মেনে পুজোর পর থেকেই এই আর্থিক উপার্জনের সুযোগ দেওয়া হবে ছাত্রছাত্রীদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, যাঁরা এমএসসি পড়ছেন বা এমফিল বা পিএইচডি করছেন তাঁরাই এই সুযোগ পাবেন। ইউজিসি নিয়মবিধি অনুযায়ী ‘আর্ন হোয়াইল লার্ন’ প্রকল্পে এই সুযোগ পাওয়া যাবে। ‘আর্ন হোয়াইল লার্ন’-এর অর্থ পড়াশোনা বা রিসার্চের মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করা হচ্ছে তাক কাজে লাগিয়ে উপার্জন করা। আশুতোষবাবুর কথায়, “আমাদের অ্যাকাডেমিক ও গবেষণার কাজে এই ছাত্রছাত্রীরা সাহায্য করবেন। তার বদলে তাঁদের মাসিক ভাতাও দেওয়া হবে। প্রকল্পটি পাঁচ বছরের জন্য”।

‘আর্ন হোয়াইল লার্ন’-এর টাকা দেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্জুরি কমিশন। উপাচার্য বলেন, এক কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। যার মধ্য থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এখনও পর্যন্ত হাতে পেয়েছে ৬০ লক্ষ টাকা।

সারা দেশের অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি রাজ্যের একমাত্র কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই প্রকল্পের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রকল্পটি প্রথম চালু করতে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। তবে উপাচার্য জানিয়েছেন, মেধার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকেও এই ভাতার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্যিক বিভাগের সমস্ত ছাত্রছাত্রী সমান সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here