অভিজিৎ ব্যানার্জি

 ইনস্টিটিউট  অফ ব্যাঙ্কিং পারসোনেল সিলেকশন (আইবিপিএস)-এর মাধ্যমে এখন ব্যাঙ্কে ক্লার্ক নিয়োগ করা হয়। সর্বভারতীয় স্তরে কমন রিটেন একজামিনেশন (CWE Clerks-IV) নেওয়া হয়। মূলত লিখিত পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই হবে। বিভিন্ন রাজ্যে শূন্যপদ বিভিন্ন রকমের। তা ছাড়া বিভিন্ন ব্যঙ্কেও শূন্যপদের সংখ্যা বিভিন্ন। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা — ভারত সরকার স্বীকৃত কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনও শাখায় স্নাতক। কম্পিউটার অপারেশন-এ সার্টিফিকেট অথবা ডিপ্লোমা অথবা ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভাষা লিখতে, পড়তে ও বলতে পারার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে তবেই অন্যান্য যোগ্যতা যাচাই করা হবে। পরীক্ষা কিন্তু হবে অনলাইনে।

অনলাইন পরীক্ষায় থাকবে   :-

ইংরাজি ল্যাঙ্গুয়েজ  –  ৩০ নম্বর

নিউম্যারিক্যাল এবিলিটি  –  ৩৫ নম্বর

রিজনিং এবিলিটি  –  ৩৫ নম্বর

অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা।

এই ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময়সীমা ১ ঘণ্টা। এটা গেল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এর পরে অনলাইনে আবার ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। তার জন্য সময় থাকবে ১৩৫ মিনিট।

প্রতি ক্ষেত্রেই ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হবে। প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর করে কাটা যাবে।

আবেদনের পদ্ধতিও পুরোপুরি অনলাইনে।  www.ibps.in ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। এর জন্য একটি বৈধ ই-মেল ও একটি মোবাইল নম্বর আগে থেকে ঠিক করে রাখতে হবে। সঙ্গে ছবি ও সই স্ক্যান করে রাখতে হবে।

প্রশ্নের ধরন ও মান বুঝতে সাধারণত বাজার চলতি বই-এর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। দিল্লির বিভিন্ন প্রকাশনার বইগুলি এ ব্যাপারে অগ্রগণ্য। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, পুরনো ব্যাঙ্কের পরীক্ষা অর্থাৎ আগে যখন ব্যাঙ্কিং সার্ভিস রিক্রুটমেন্ট বোর্ড ছিল, তার প্রশ্ন আর এখনকার প্রশ্নের অনেক তফাৎ।

আবার বলছি, চাকরির পরীক্ষার পড়াশোনার কোনও সীমারেখা নেই, তা কোনও নির্দিষ্ট বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধও নয়। যে পরীক্ষার্থী যতটা নিজে তৈরি হতে পারবে, সে তত এগিয়ে যাবে। তবে প্রতিক্ষেত্রে বুঝে পড়াশোনা করতে হবে। আর এ ব্যাপারে সঠিক গাইড মেনে চলতে হবে। কোনও শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান অভ্যাস করাতে পারে কিন্তু রপ্ত করতে হবে পরীক্ষার্থীকেই।

প্রতিদিন পরীক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট সময় মেনে পড়তে হবে। ইংরাজি ও বাংলা সংবাদপত্র তাকে অবশ্যই পড়তে হবে। কারণ dictionary মুখস্থ করার ভুল গাইড সে কখনও মেনে চলবে না। শব্দ তো ওই ভাবে মুখস্থ হয় না বরং নতুন শব্দ শিখতে গিয়ে পুরোনোগুলো ভুলবে। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে বুঝে অঙ্ক করবে। নিজে শেখার চেষ্টা করবে ও নিজে সমাধান করবে। আবারও বলছি, নিজে রপ্ত না করতে পারলে কখনও মনে রাখতে পারবে না। কারণ এর নির্দিষ্ট বই বা নির্দিষ্ট সীমানা হয় না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here