Connect with us

শিক্ষা ও কেরিয়ার

রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৯

WBP

অভিজিৎ ব্যানার্জি

রিজনিং

1.

3 6 7 9
4 5 6 8
4 3 4 2
35 33 52 ?

‘?’ স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

(a) 34 (b) 102 (c) 95 (d) কোনোটি নয়

Ans. (a) 34 [উত্তর সংকেত (9+8) X 2 = 34]

2. যদি ঘড়িকে টিভি, টিভিকে রেডিও, রেডিওকে ওভেন, ওভেনকে সিলিন্ডার, সিলিন্ডারকে ইস্ত্রি বলা হয়, তা হলে কীসের সাহায্যে আমরা সময় দেখব?

(a) টিভি (b) রেডিও (c) ওভেন (d) সিলিন্ডার

Ans. (a) টিভি

3. অরুণ তপনের বাবা, তপন মালার ভাই, মালা দিলীপের স্ত্রী, তপন কী ভাবে দিলীপের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?

(a) ছেলে (b) কাকা (c) মামা (d) শালা

Ans. (d) শালা

অঙ্ক

1. এক ব্যক্তির বয়স তার পুত্রের বয়সের তিন গুণ। 12 বছর পরে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দ্বিগুণ হবে। লোকটির বর্তমান বয়স কত?

(a) 27 বছর (b) 36 বছর (c) 45 বছর (c) 55 বছর

Ans. (b) 36 বছর

2. নবীন ও সমীরের বর্তমান বয়সের অনুপাত 5:3, তাদের বয়সের ব্যবধান 6 বছর হলে, 5 বছর পরে সমীরের বয়স কত হবে?

(a) 14 বছর (b) 15 বছর (c) 18 বছর (d) 20 বছর

Ans. (a) 14 বছর

3. 12 জন মানুষের গড় বয়স 20 বছর। এক জন নতুন মানুষের বয়স যোগ করলে তাদের বয়সের গড় 1 বছর কমে যায়। তার বয়স কত?

(a) 7 বছর (b) 13 বছর (c) 9 বছর  (d) 15 বছর

Ans. (a) 7 বছর

জেনারেল নলেজ

1.পৃথিবীর নিম্নতর অঞ্চলের নাম কী?

(a) পামীর মালভূমি, (b) ছোটোনাগপুর মালভূমি, (c) মারিয়ানা খাত, (d) কোনোটিই নয়

Ans. (c) মারিয়ানা খাত

2. ফটোগ্রাফি ক্যামেরায়

(a) উত্তল লেন্সের ব্যবহার হয়, (b) অবতল লেন্সের ব্যবহার হয়, (c) ঘষা কাচ ব্যবহার হয়,  (d) কোনোটিই নয়?

Ans. (a) উত্তল লেন্সের ব্যবহার হয়

3. কোনো শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ হয় কীসের দ্বারা?

(a) পিতার ক্রোমোজম দ্বারা, (b) মাতার ক্রোমোজম দ্বারা, (c) মাতার ব্লাড গ্রুপ দ্বারা, (d) পিতার ব্লাডগ্রুপ দ্বারা

Ans. (a) পিতার ক্রোমোজম দ্বারা

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশে কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ১

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ২

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৩

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৪

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৫

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৬

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৭

আরও পড়ুন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর/পর্ব ৮

শিক্ষা ও কেরিয়ার

প্যারামেডিক্যাল কোর্সের খুঁটিনাটি, পর্ব ৪

paramedical

খবরঅনলাইন ডেস্ক : এর আগে তিনটি পর্বে প্যারামেডিক্যাল ডিপ্লোমা, ডিগ্রি, পিজি কোর্স নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে থাকছে এই বিষয়ে আরও কিছু খুঁটিনাটি। সঙ্গে কোথায় পড়ানো হয় তার কিছু খবরাখবরও।

এই পেশায় বেতনক্রম কেমন?

এই পেশায় বেতনক্রম বছরে ২ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বেতন কম বেশি হয়।

চাহিদা কেমন?

১০০ বেডের নার্সিং হোম বা হাসপাতালের জন্য ৭০ জন প্যারামেডিক লাগে।

পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কোথায় কোন কোন কলেজে প্যারামেডিক্যাল কোর্স করানো হয়?

সরকারি সংস্থা – স্টেট মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টি অব ওয়েস্ট বেঙ্গল।

ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল রিসার্চ, কলকাতা;

বেহালা ইনস্টিটিউট অব অ্যালায়েড হেলথ্‌ সায়েন্সেস, কলকাতা;

চার্নক হেলথকেয়ার ইনস্টিটিউট, কলকাতা;

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, কলকাতা;

প্রেরণা এডুকেশন, কলকাতা;

ওয়েস্ট বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ সায়েন্সেস, সল্ট লেক, কলকাতা;

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, সল্ট লেক, কলকাতা;

সোসাইটি ফর দ্য স্কুল অব মেডিক্যাল টেকনোলজি, কলকাতা।

প্যারামেডিক্যাল কলেজ, দুর্গাপুর;

ডাঃ কে আর অধিকারী কলেজ অব অপটোমেট্রি অ্যান্ড প্যারামেডিক্যাল টেকনোলজি, কল্যাণী;

এইগুলির মধ্যে কয়েকটির কোর্স ও ভর্তি পদ্ধতি সম্পর্কে এখানে বলা হল –

আরও পড়ুন – প্যারামেডিক্যাল কোর্সের খুঁটিনাটি, পর্ব ৩

১। স্টেট মেডিক্যাল ফ্যাকালটি অব ওয়েস্ট বেঙ্গল

এটি সরকারি সংস্থা। ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়।

ডিপ্লোমা – মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, রেডিওগ্রাফি (ডায়গনোস্টিক), ফিজিওথেরাপি, রেডিওথেরাপিউটিক টেকনোলজি, অপটোমেট্রিক উইথ অপথ্যালমিক টেকনিক, নিউরো ইলেকট্রো ফিজিওলজি, পারফিউশন টেকনোলজি, ক্যাথ ল্যাব টেকনিশিয়ান, ডায়ালিসিস টেকনিক / ডায়ালিসিস টেকনিশিয়ান, ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজি, অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি, ডায়াবেটিস কেয়ার টেকনোলজি, ইলেকট্রো কার্ডিওগ্রাফি টেকনিক/ ইসিজি টেকনিশিয়ান।

ভর্তি – অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, এনট্রান্স পরীক্ষার মাধ্যমে

২। সেন্ট্রাল ক্যালকাটা মেডিক্যাল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট

পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমোদিত সংস্থা। সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়।

সার্টিফিকেট – মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, মেডিক্যাল রেডিওলজি টেকনোলজি, ইলেকট্রোকনভালসিভ থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, এফডব্লিউটি অ্যান্ড পিইটি ( ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ট্রেনিং অ্যান্ড পপুলেশন এডুকেশন ট্রেনিং),

ডিপ্লোমা – মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, মেডিক্যাল রেডিওলজি টেকনোলজি, ইলেকট্রোকনভালসিভ থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, ডিপ্লোমা ইন হোম নার্সিং (ডিএইচএন), অপারেশন থিয়েটর টেকনিশিয়ান,

অন্যান্য – ডিডিএসএইচ (ডেন্টাল), এএনএম (অক্সিলারি নার্স মিডওয়াইফেরি), ড্রেসার, এমএসআইটি, কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার, মাল্টিপার্পস হেলথ ওয়ার্কার,

ভর্তি – রেজিস্ট্রেশন/ পরীক্ষার ফর্ম সাইট থেকে ডাউনলোড করে ভর্তি করতে হবে।

 ৩। বেহালা ইনস্টিটিউট অব অ্যালায়েড হেলথ্‌ সায়েন্সেস

ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অব টেকনিক্যাল এডুকেশন অনুমোদিত। সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি কোর্স করানো হয়।

ডিপ্লোমা – মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, ফিজিও থেরাপি অ্যান্ড অ্যাকটিভিটি থেরাপি, পেসেন্ট কেয়ার (নার্সিং), অপারেশন থিয়েটর টেকনোলজি, ইসিজি টেকনিশিয়ন, ফিজিশিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্ট, এক্সরে টেকনোলজি, অপটোমেট্রি, ডায়ালিসিস টেকনোলজি, আল্ট্রা সোনোগ্রাফি টেকনিশিয়ন,   

ভর্তি – অনলাইন ও অফলাইনে ভর্তি হওয়া যায়।

৪। চার্নক হেলথকেয়ার ইনস্টিটিউট

ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের অনুমোদন প্রাপ্ত। ফুল টাইম ডিগ্রি কোর্স করানো হয়।

ডিগ্রি – বিএসসি ইন ক্রিটিক্যাল কেয়ার, অপারেশন থিয়েটর।

ভর্তি – জয়েন্ট এনট্রান্স এগজামিনেশন বোর্ড অর্থাৎ জেইএনপিএএস – ইউজি-র পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।   

৫। ডক্টর কে আর অধিকারি কলেজ অব অপ্টোমেট্রি অ্যান্ড প্যারামেডিক্যাল টেকনোলজি

কল্যাণী ইউনিভার্সিটির অনুমোদন প্রাপ্ত, আইএসও অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডারাইজেশনের স্বীকৃতি প্রাপ্ত। ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়।

ডিপ্লোমা – মেডিক্যাল রেডিওলজি টেকনিক (এক্সরে টেকনিশিয়ান), ফিজিওথেরাপি টেকনিক (ফিজিওথেরাপিস্ট), ইলেকট্রো কার্ডিওগ্রাফি টেকনিক (ইসিজি টেকনিশিয়ান), ইলেকট্রো এনসেফালোগ্রাফি টেকনিক (ইইজি টেকনিশিয়ান),

পড়ুন – প্যারামেডিক্যাল কোর্সের খুঁটিনাটি, পর্ব ২

সার্টিফিকেট – ডেন্টাল টেকনিক (ডেন্টাল টেকনিশিয়ান),

অন্যান্য – এছাড়াও প্রি অপটোমেট্রি ও টেকনোলজি কোর্স।

ভর্তি – প্রথমে ফর্ম ফিলাপ, পরে সংস্থার পক্ষ থেকে নেওয়া এনট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে।

পরবর্তী পর্বে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর।

দেখে নিন – প্যারামেডিক্যাল কোর্সের খুঁটিনাটি, পর্ব ১

Continue Reading

রাজ্য

অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, ফলে গভীর সংকটে পড়েছে স্কুল। এই সংকটের কথা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Bandyopadhyay) চিঠি লিখেছেন কলকাতা ও বিভিন্ন জেলার ১০০টি সিবিএসই স্কুলের (CBSE schools) অধ্যক্ষরা। ওই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে।

চিঠিতে অধ্যক্ষরা জানিয়েছেন, ৭০ শতাংশের বেশি অভিভাবক স্কুল-ফি দিচ্ছেন না। ফলে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে স্কুলগুলি। এই অবস্থায় আর কিছু দিনের মধ্যেই তাঁরা স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতন দিতে পারবেন না। হয়তো স্কুলই বন্ধ করে দিতে হবে।

এ বছর স্কুল-ফি না বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার শহরের স্কুলগুলির কাছে বার বার আবেদন করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের এই চিঠি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চিঠিতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, তাঁরা এ বছর স্কুল-ফি বাড়াননি, অথচ অভিভাবকরা এখনও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছেন এবং এপ্রিল মাস থেকে স্কুল-ফি আটকে রেখেছেন। এর ওপর তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ছাড় দাবি করছেন। এর ফলে স্কুলগুলো অর্থ সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতিটা যাতে অভিভাবকরা সম্যক উপলব্ধি করতে পারেন এবং তাঁরা যাতে স্কুল-ফি মিটিয়ে দিতে এগিয়ে আসেন তার জন্য রাজ্যের হস্তক্ষেপ দরকার।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য এবং বকেয়া মিটিয়ে স্কুল-ফি দেওয়া স্কুল শুরু করার ব্যাপারে অভিভাবকদের উদ্দেশে নির্দেশ জারি করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফি মকুব করার মতো অবৈধ নির্দেশ অনুসরণ করতে স্কুলগুলিকে বাধ্য করা উচিত নয়। ফি মকুব করা হলে তার যা ফল ফলবে তাতে স্কুল চালানো যাবে না।”

চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, মুখে স্লোগান দিতে দিতে অভিভাবকরা মিছিল করে স্কুলের দিকে আসছেন, স্কুলগেটের বাইরে জড়ো হয়ে, কখনও কখনও স্কুলের ভেতরে ঢুকে আক্রমণাত্মক ভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠছে – গোটা ঘটনায় স্কুলের পক্ষে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি হচ্ছে। “কোনো ভাবেই স্কুল-ফি বাড়ানো হয়নি, অথচ তাঁরা ফি মকুব বা আংশিক মকুব করার দাবি জানাচ্ছেন।”

সিবিএসই স্কুলের অধ্যক্ষদের মঞ্চ ‘সহোদয় স্কুলস’-এর ব্যানারে অধ্যক্ষরা রাজ্য প্রশাসনের কাছে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “ফি না দেওয়ার বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মঞ্চে বিকৃত ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে এবং একে সমর্থন করাটা এখন একটা প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন ভাবে গোটা ব্যাপারটা তুলে ধরা হচ্ছে যেন স্কুলগুলো শয়তান।”

তবে চিঠিতে এটা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যে সব অভিভাবকের কাজ চলে গিয়েছে বা যাঁরা আর্থিক সংকটে রয়েছেন তাঁরা কনসেশনের জন্য যথাযথ প্রমাণ নিয়ে অধ্যক্ষদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।                  

Continue Reading

রাজ্য

অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সমীক্ষা করছে এসএফআই

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণ রুখতে সারা দেশ জুড়ে মার্চের শেষ থেকে চলছে লকডাউন। আর লকডাউনের আগে থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কবে খুলবে তার কোনো ইঙ্গিত মিলছে না। তবে করোনাভাইরাস যে ভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনই যে খুলছে না, তা বলাই বাহুল্য।

শ্রেণিকক্ষে বসে তো পড়া না হয় বন্ধ, তা বলে কি পড়াশোনা বন্ধ থাকতে পারে? তাই এখন শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস (online classes)। বাড়িতে বসে ক্লাস করা – একেবারে শিশুশ্রেণি থেকে উচ্চতম শ্রেণি পর্যন্ত। দরকার শুধু মোবাইল, ল্যাপটপ, নেট কানেকশন ইত্যাদি।

কিন্তু প্রশ্ন হল, এই অনলাইন ক্লাস কি আদৌ সম্ভব? আমাদের মতো দেশে এই অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা কতটা? এক দিকে আমরা যখন শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়ার বিরোধিতা করছি, অন্য দিকে পড়াশোনা করানোর জন্য তাদেরই হাতে সে সব তুলে দিচ্ছি। আর মৌলিক যে প্রশ্নটা সাধারণের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হল শিশুদের হাতেকলমে না শিখিয়ে আদৌ কি অনলাইনে কিছু শেখানো যায়, না বোঝানো যায়?

এসএফআই-এর সমীক্ষা

সাধারণ ছাত্রদের ক্ষেত্রে অনলাইন পড়াশোনার কার্যকারিতা নিয়ে সমীক্ষায় নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া তথা এসএফআই (SFI)।

এসএফআই রাজ্য কমিটির সম্পাদক শুভজিৎ সরকার শনিবার বলেন, এক মাস ধরে এই সমীক্ষা চলবে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার হাজার পাঁচেক ছাত্রছাত্রীর কাছে তাঁরা পৌঁছোনোর চেষ্টা করবেন।

তিনি জানান, এসএফআই ইতিমধ্যেই সাড়ে ছ’শো ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছোতে পেরেছে। তাদের কাছে নানা রকম প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, তাদের কাছে নেট সংযোগ (net connectivity) বা স্মার্টফোন কতটা সজহগম্য

আরও পড়ুন: আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

শুভজিৎ সরকার বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের কাছে ইংরেজি ও বাংলায় প্রশ্ন করা হচ্ছে। জানতে চাওয়া হচ্ছে, তদের স্থায়ী ও শক্তিশালী নেট সংযোগ আছে কি না, তারা ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই (broadband wifi) বা মোবাইল ওয়াইফাই (mobile wifi) ব্যবহার করে কি না, এই নতুন ব্যবস্থায় অর্থাৎ পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের এই প্রবল ভূমিকায় তারা স্বচ্ছন্দ বোধ করছে কি না ইত্যাদি।”

আরও প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে, ছাত্রদের লকডাউনের মধ্যে অনলাইন ক্লাস করতে হয়েছে কি না, অনলাইন ক্লাস করে থাকলে অভিজ্ঞতা কেমন হল, তাদের ইন্টারনেট ডেটা প্যাক (internet data packs) কিনতে হয়েছে কি না, টাকা কি বাবা-মা দিয়েছেন নাকি নিজেদের পকেট মানি থেকে দেওয়া হয়েছে, নাকি কোনো শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তি বা কাছের কোনো মানুষ দিয়ে দিয়েছেন ইত্যাদি।

এসএফআই নেতা বলেন, “সামগ্রিক ভাবে অনলাইন ক্লাস পদ্ধতি ছাত্র সম্প্রদায়ের উপর কী রকম প্রভাব বিস্তার করেছে সেটা যাচাই করার চেষ্টা করছি আমরা। কারণ ছাত্রসমাজের একটা বিরাট অংশ অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় থাকে এবং তাদের একটা বিপুল অংশ অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল শ্রেণিভুক্ত। চার-পাঁচ দিন আগে আমাদের সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা থেকে যে তথ্য পাওয়া যাবে সেগুলো আমাদের বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেশণ করবেন এবং সেইমতো বিষয়টি নিয়ে আমরা সরকার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসব।”

যাদবপুর কী করছে

এর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সুরঞ্জন দাস বলেছিলেন, অনলাইন ক্লাস করা ছাত্রছাত্রীদের বিরাট অংশের পক্ষে সম্ভব নয় কারণ তারা দুর্গম অঞ্চলে থাকে এবং নেট সংযোগের অবস্থাও অনেক জায়গায় দুর্বল। তা ছাড়া আর্থিক কারণেও বহু ছাত্রছাত্রীর পক্ষে পুরোপুরি অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতিতে চলে যাওয়া সম্ভব নয়।

এই বিষয়টি মাথায় রেখেই এ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সব ক’টি ফাইনাল সেমেস্টারের ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন পরীক্ষায় বসানোর কথা ভাবছে না। এ বছর বাড়িতেই প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পাঠিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সেটাই বিবেচনা করা হচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান কী বলছেন

পাঠক্রম ও টেক্সটবই সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন। এই পরিস্থিতিতে যখন শারীরিক ভাবে ক্লাসে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়, তখন কী ভাবে প্রত্যেক ছাত্রের কাছে ক্লাসরুম পৌঁছে দেওয়া যায় তার সম্ভাব্য সমস্ত পথ বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।”

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন5 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য6 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ6 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর7 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ7 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য7 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য7 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ8 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে