Teachers

কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সম্প্রতি প্রকাশ করেছে নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে ওই তালিকায় মাত্র ৭,৬৬২ জনের নাম প্যানেলভুক্ত করা হলেও মোট  ১২,৯০৫টি শূন্যপদের জন্য প্রকাশিত মেধা তালিকায় ওয়েটিং লিস্টের বহর দেখে অনেকেরই চক্ষু চড়কগাছ। ৮,২৫৬ জন ঠাঁই পেয়েছেন ওয়েটিং লিস্টে। এত সংখ্যক প্রার্থীকে ওয়েটিং লিস্টে রাখার কোনও কারণ নেই বলেই মত প্রকাশ করেছে ওয়াকিবহাল মহল। তা হলে কী কারণে এ ধরনের কৌশলী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এসএসসি?

বিভিন্ন মহল থেকেই ওই তালিকা প্রকাশের পর বহুবিধ অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকেরই অভিমত, মোট শূন্যপদের জন্য যেখানে মাত্র ৭,৬৬২ জন যোগ্য প্রার্থী পাওয়া গেল, সেখানে ৫,২৪৩টি শূন্যপদের জন্য কোনো যোগ্য প্রার্থীই পাওয়া যায়নি, এটা চরম অস্বাভাবিক ঠেকছে তাদের কাছে। সব থেকে মজার বিষয় যোগ্যতা যাচাইয়ে ধরা পড়েছে, যে সংখ্যক প্রার্থী যোগ্যতা অর্জন করেছেন তার থেকে অনেক বেশি সংখ্যক প্রার্থী ঠাঁই পেয়েছেন ওয়েলিং লিস্টে। তা হলে যোগ্যতা যাচাইয়ের মাপকাঠি কোন স্তরে ছিল?

এমন অস্বাভাবিক তালিকা প্রকাশের পর গোটা ঘটনার তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির মতো কয়েকটি সংগঠন। তাদের দাবি, কমিশনের এই বিশাল সংখ্যার শূন্যপদ ধরে রাখার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। তাদের যুক্তি, বিশেষ বদলির অনুমোদন কার্যকর করতেই ওই শূন্যপদগুলি কমিশন নিজের হাতে ধরে রেখেছে। উপর মহল থেকে অনুমোদন পেয়েও বাসস্থানের কাছাকাছি বদলির বহু ঘটনা কার্যকর হচ্ছে না। তবে এমন যুক্তির কোনো প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে বদলির জন্যই যদি শূন্যপদের ব্যবহার করা হয়ে থাকে,তা হলে পরীক্ষার কি প্রয়োজন ছিল, এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন পরীক্ষার্থীরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন