উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় পর্যায়ের নথি যাচাই শুরু হল

0

কলকাতা: শুক্রবার প্রকাশিত হল উচ্চ প্রাথমিকের দ্বিতীয় পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের নথি যাচাইয়ের তালিকা। এই তালিকার ভিত্তিতে ৫-৬ হাজার শিক্ষক পদপ্রার্থীর নথি যাচাই করা হবে। আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই নথি যাচাইয়ের কাজ।

এ দিন স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর চেয়ারম্যান সৌমিত্র সরকার জানান, “আমরা দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছি। প্রথম পর্যায়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার শেষের পর এ দিন দ্বিতীয় পর্যায়ের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হল। চেষ্টা করা হচ্ছে মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্যপদ পূরণের”।

কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন এখানেই-ভেরিফিকেশন করে লাভ কী হবে? ভোট ঘোষণা হলে তো আবার সব থমকে যাবে!

চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি এসএসসির নবনির্মিত ভবনে চাকরি প্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের প্রথম পর্বের কাজ শুরু হয়।  যা চলে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কমিশনের সূত্র অনুযায়ী জানা যায়, ১৭ হাজার ২০২ জনকে প্রথম পর্যায়ে ডাকা হয়েছিল।তার মধ্যে বেশ কিছু প্রার্থী বিভিন্ন কারণে অনুপস্থিত ছিলেন। তাই দ্বিতীয় পর্যায়ে নথি যাচাইয়ের তারিখ ঘোষণা করা হল। এই পর্যায়ে ৫-৬ হাজার শিক্ষক পদপ্রার্থীর নথি যাচাই করা হবে।

উল্লেখ্য, উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরেই থমকে ছিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এই প্রক্রিয়া শীঘ্র চালুর দাবিতে এসএসসি বাইরে ঘেরাও করা হয়। কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ আটক করেছিল সেই ঘটনায়। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, ২০১৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উচ্চ প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। তার পরে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও উচ্চ প্রাথমিকে কবে নিয়োগ হবে, তার কোনো খবর ছিল না। এর পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্যায়ে নথি যাচাইয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ জানিয়ে দেয় কমিশন। এ বার দ্বিতীয় পর্যায়ের নতি যাচাইয়ের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল।

[ আরও পড়ুন: ডাক বিভাগে ‘মাল্টি টাস্কিং স্টাফ’ পদে নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর – ৪ ]

সূত্রের খবর অনুযায়ী, দু’টি পর্যায়ে টেট পরীক্ষা মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লক্ষ ২৮ হাজার। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি কমিশনের তরফে বিজ্ঞাপন দিয়ে যাঁরা টেট পাশ করেছেন তাঁদের প্রায় ১৩ হাজার শূন্যপদের জন্য আবেদন করতে বলে। কিন্তু তার পর কোনো কারণ না দেখিয়ে ৮-৯ মাস নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। অবশেষে ফেব্রুয়ারি মাসে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের শুরু হয়।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here