অনেক পরীক্ষার্থীর ধারণা থাকে অনেক উঁচু পদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে হয়তো অপেক্ষাকৃত নিচু পদের পরীক্ষায় সহজে পাশ করা যাবে। একটা উদাহরণ দিই, তুমি যদি ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ভাব যে ক্লার্ক বা গ্রুপ ডি পরীক্ষা সহজ হয়ে যাবে, তা হলে কিন্তু খুব ভুল হবে।

প্রত্যেক পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মান আলাদা। আজ আলোচনা করব ক্লার্ক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে।

প্রশ্ন ১

বিবেকানন্দের আসল নাম কী?

১) নরেন্দ্রনাথ     ২) যোগেন্দ্রনাথ       ৩) বিলে     ৪) স্বামী

উত্তর – নরেন্দ্রনাথ

এটা ছিল গ্রুপ ডি-র পরীক্ষার প্রশ্নের উদাহরণ।

ক্লার্কের পরীক্ষার প্রশ্ন হতে পারে,

প্রশ্ন ২

বিবেকানন্দ নামটি কে দিয়েছিলেন নরেন্দ্রনাথকে?

১) মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র     ২) নবীনচন্দ্র     ৩) রাজা রামমোহন রায়     ৪) খেতরির মহারাজ

উত্তর – খেতরির মহারাজ

আরও একটা উদাহরণ দিলে হয়তো ব্যাপারটা আরেকটু পরিষ্কার হবে।

প্রশ্ন ১

দেশলাই কাঠিতে নীচের কোনটি থাকে? (গ্রুপ ডি)

১) কর্পূর    ২) আয়রন    ৩) কপার সালফেট    ৪) ফসফরাস

উত্তর- ফসফরাস

প্রশ্ন ২

সুরক্ষিত দেশলাই কাঠিতে কোন ধরনের ফসফরাস থাকে? (ক্লার্ক পরীক্ষা)

১) সাদা    ২) লাল    ৩) কালো    ৪) হলুদ

উত্তর- লাল

মোটামুটি সব পরীক্ষার ক্ষেত্রেই এটা মনে রাখবে। তবে অনেক সময় প্রশ্নের ধরন/মান ছাপিয়ে যায়। তখন সমালোচনা হয়। তবে অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পরীক্ষা অনুযায়ী প্রশ্নের ধরন এবং মান ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়।

ক্লার্ক পরীক্ষার উপযোগী আরও কিছু প্রশ্ন দিই-

কমল ও বিমলের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫:৬। সাত বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত যথাক্রমে ৬:৭ হলে কমলের বর্তমান বয়স কত?

১) ৩০ বছর     ২)  ৩৫ বছর    ৩) ৪০ বছর    ৪) ৪৫ বছর

উত্তর- ৩৫ বছর

এই অংকটা করতে তোমরা বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করলে সহজে সমাধান হবে।

সব অংকের শর্ট কাট সূত্র ধরে করা সম্ভব নয়। কারণ শর্ট কাটের বেশি সূত্র মনে রাখা কঠিন। বাজারে সহজে অংক করার বই রয়েছে। তাতে শর্ট কাট সূত্রে ভর্তি। সব মনে রাখা সম্ভব নয়।

বীজগণিতের কিছু সূত্র মনে রাখতেই হবে, যেমন ‘এ প্লাস বি হোল স্কোয়ার’।

এ বার আসা যাক জিকের কথায়।

প্রশ্ন ১

মায়ানমারের বর্তমান রাষ্ট্রপতি কে?

১) হেনরি ভ্যান   ২) হিতিন কোয়ায়ো     ৩) মিন্ট সুই    ৪) আন সান সুকি

উত্তর- হিতিন কোয়ায়ো

প্রশ্ন ২

ভারতের প্রথম ডিজিটাল রাজ্য কোনটি?

১) ওড়িশা   ২) তামিলনাড়ু   ৩) কেরালা    ৪) কর্ণাটক

উত্তর- ওড়িশা

এই ভাবে গুরুত্ব বুঝে পড়ার সময় সেই বিষয়টি থেকে আর কী কঠিন প্রশ্ন হতে পারে মনে করবে।  তা হলে তোমার পড়া অনেক এগিয়ে যাবে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিও অন্যদের তুলনায় এগিয়ে থাকবে।

2 মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here