teachers’ in-service training

ওয়েবডেস্ক: মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর গত ১১ এপ্রিল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ইন-সার্ভিস ট্রেনিংয়ের জন্য বিশেষ কমিটি গড়ার কথা বলেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় নতুন জ্ঞান অর্জনের জন্যই তাঁর এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরছেন। কী ভাবে জন্মাল এই ধারণা?

জাভাড়েকর বলেছেন, গত নভেম্বর মাসে বিদ্যালয়ে পাঠরত পড়ুয়াদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়। যেখানে তারা কী শিখেছে এবং কী ভাবে শিখেছে এ রকমই বেশ কিছু বিষয়ের উপর তাদের প্ৰশ্ন করা হয়। কিন্তু ওই সমীক্ষা কেন্দ্র সরকারকে হতাশ করেছে। পড়ুয়াদের কাছ থেকে যে ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছে তা তাঁর কথায় ‘নিরুৎসাহজনক’। আর এর জন্য পরোক্ষে দায়ী করা হচ্ছে শিক্ষকদের গুণগত মানকে। স্বাভাবিক ভাবে একাংশের তরফে প্রশ্ন উঠছে, পড়ুয়াদের মতামত নিয়ে কী ভাবে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা সম্ভব?

জাভাড়েকরের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক মনে করে, শিক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন ঘটে চলেছে। কিন্তু দীর্ঘ দিন শিক্ষকতার মধ্যে থাকার ফলে শিক্ষকরা তা রপ্ত করে উঠতে পারছেন না। সাম্প্রতিক চাহিদাগুলির মুখোমুখি হতে গেলে এ ধরনের ইন-সার্ভিস ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

একাংশের শিক্ষকও অবশ্য এই ইন-সার্ভিস ট্রেনিংয়ের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। তাদের মতে, বর্তমানের দ্রুত বদলে যাওয়া সময়ে এর প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এরই সঙ্গে চলা শিক্ষকদের পেশাদারি প্রশিক্ষণের বিষয়টি নিয়েও ভাবতে বলা হচ্ছে। গত বছরের আগস্টে শিক্ষার অধিকার আইনে সংস্কার করে বলা হয়্ছে, পেশাদারি প্রশিক্ষণ নেই এমন শিক্ষকদের তা ২০১৯-এর মধ্যে হাসিল করতে হবে। ফলে একই সঙ্গে দু’টি প্রশিক্ষণ কী ভাবে চলবে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। সরকারি হিসাবেই সারা দেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ১১ লক্ষ। তাঁদের সুবিধার জন্য অনলাইনে কোর্স করার সুযোগও দিয়েছে সরকার। কিন্তু সময়?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here