উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেও কেরিয়ার নিয়ে চিন্তা? পড়তে পারেন এই দুর্দান্ত বিষয়টি

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিক পাস করে বসে আছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ঠিকই করে উঠতে পারেননি কী বিষয় নিয়ে পড়াশোনা শুরু করবেন?

তা হলে আর অযথা আপনার চিন্তার বোঝা না বাড়ানোই ভালো। অহেতুক নিজের মাথায় চাপ সৃষ্টি করে বরং লাভের লাভ কিছু হবে না। তার থেকে যদি আপনার পড়াশোনার বিষয় কী হতে পারে, সেই সহজ টিপস যদি আপনি পেয়ে যান, তা হলেই তো সমস্যার সমাধান হবে। তা হলে আসুন জেনে নিন কী বিষয়ে আপনি কেরিয়ার গড়তে পারেন-

বাড়িতে এখন খাবার বানিয়ে খাওয়া প্রায় অধিকাংশ লোকই ভুলে গেছেন। প্রায় প্রত্যেকেই প্যাকেটজাত খাবার খেতে পছন্দ করেন। এই খাবারের বিষয়টি যদি হয়ে উঠে আপনার পড়াশোনার বিষয়, তা হলে তো আপনার সমস্যা আর থাকবে না।

১। ফুড টেকনোলজিস্ট

উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পরে আপনি পড়তে পারেন ফুড টেকনোলজি নিয়ে। ফুড টেকনোলজিস্টের কাজ হল, খাবার সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখাশোনা করা। এই পেশার কাজই হল খাবারের গুণগত মান বজায় রাখা।
 

২। রিসার্চ সায়েন্টিস্ট

আপনি হয়তো মনে মনে চেয়েছিলেন এমন একটি বিষয় নিয়ে পড়বেন, যেখানে গবেষণামূলক কাজ থাকবে।
রিসার্চ সায়েন্টিস্টের কাজ হল খাবারের পুষ্টিগত মানের দিকে লক্ষ্য রাখা। ক্রেতার সুযোগ-সুবিধার কথা মাথায় রেখে অ্যাডিশনাল ভ্যালু যোগ করা নিয়ে চিন্তাভাবনা।

৩। ফুড ইঞ্জিনিয়ার

যে কোনো দায়িত্বপুর্ণ ইউনিট চালাতে অনেক প্ল্যানিং করতে হয়। অনেক ধরনের যন্ত্র, তার  মেরামতি, বিভিন্ন ধরনের কৌশল সব কিছু শিখে নিতে হয়।  ফুড টেকনোলজিতে গ্র্যাজুয়েশন করার পরে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থাগুলিতে সুপারভাইজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, ফুড প্যাকেজিং ম্যানেজার, ফুড ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার, ফুড সেফটি অডিটরস, ফুড স্টাইলিস্ট, মার্কেটিং, সেলস ম্যানেজার-সহ নানা পদে কাজ করা যায়। 

৪। ফুড টেকনোলজির ভিন্ন দিক

ফুড টেকনোলজি পড়ে আপনাকে যে টেকনোলজিস্ট, সায়েন্টিস্ট কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমনটা নয়। এগুলি ছাড়াও আপনি বেছে নিতে পারেন আরও বেশ কিছু পেশাকে। অর্গানিক কেমিস্ট, বায়োকেমিস্ট, অ্যানালিটিক্যাল কেমিস্ট, হোম ইকোনমিস্ট ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্টস-সহ নানা ধরনের কাজ রয়েছে এই শিল্পে।

ফুড টেকনোলজির উদাহরণ-

৫। প্যাকেটজাত দুধ

শহর বা শহরতলির আশেপাশে যাঁরা থাকেন, তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় দুধের প্রধান উৎস হল প্যাকেটজাত দুধ। একটি কারখানায় যেমন প্রথমে দুধ তৈরি থেকে দুধকে প্যাকেটে সংরক্ষণ  করা এবং সবশেষে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দুধের প্যাকেটগুলি দোকানে পৌঁছানো। এই পুরো প্রক্রিয়াটা হচ্ছে ফুড টেকনোলজির নিয়ম মেনে।

৬। ফ্রোজেন ফুড

বিদেশে প্যাকেটজাত খাবারের খুব চাহিদা রয়েছে।  ফ্রোজেন ফুডের ক্ষেত্রে আগে ভালো করে যে কোনো খাদ্যবস্তুকে পরিষ্কার করে নিতে হবে, এর পরে প্রসেসিংয়ের কাজ করতে হয় ও সবশেষে খুব অল্প তাপমাত্রায় খাবারটিকে প্যাকেট করে সংরক্ষণ করা।

তা হলে আপনি এইবার মাথা থেকে সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। আপনার কেরিয়ারকে খুব মসৃণ ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পড়াশোনা শুরু করুন ফুড টেকনোলজি নিয়ে।

বেতন কত?

সাধারণ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি চাকরি পেয়ে যেতেই পারেন। অভিজ্ঞতা বাড়লে মাইনে ৫০ হাজার ছাড়াতে পারে।

আরও পড়তে পারেন:

ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডাক্তারি না পড়ে কেরিয়ার গড়তে বাছুন এই ৮ টি কোর্স

 উচ্চমাধ্যমিকের পরে কী করবেন ভাবছেন? পড়তে পারেন এই ১০টি কোর্স নিয়ে

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন