B.ed college

কলকাতা: ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই থেকে রাজ্যের বিএড বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন পাঠক্রমের অনুমোদন দেওয়ার পর পাঠক্রমের সময়সীমা কমাচ্ছে উচ্চ শিক্ষা দফতর। সরকারি স্তরে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করে নতুন পাঠক্রম রচনার  কাজ শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত কলেজগুলিতেই এই নতুন পাঠক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের বেশ কিছু বিএড কলেজ পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে। আবার দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স এবং তার পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগ করার জটিল নিয়মের আবর্তে পড়ে স্কুলগুলিও শিক্ষকের অভাবে জর্জরিত। সেই সমস্যার সমাধানেই কেন্দ্রীয় স্তরে আলোচনা চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। অতীতে দেখা গিয়েছে, পর্যাপ্ত শিক্ষক না পেয়ে ‘অযোগ্য’ পার্শ্ব–শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করতে হয়েছে। নানা জল্পনার পর কাউন্সিল স্থির করে শিক্ষকদের পাঠক্রমে অর্থাৎ বিএড সিলেবাসে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে এমনও বলা হয়েছে, পড়ুয়াদের সময় নষ্ট না করে অনলাইনে শিক্ষাদানের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

এতদিন নিয়ম ছিল স্নাতক স্তরে তিন বছরের কোর্স সম্পূর্ণ করার পরে প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে বিএডে ভর্তি হওয়ার। তার পর পার হতে হয় এসএসসি। কিন্তু এ বার থেকে নতুন নিয়মানুযায়ী মাত্র চার বছরের ইন্টিগ্রেটেড কোর্সের মাধ্যমেই বিএড করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বিএড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কোর্সের ফলে  এক বছর সময় কম লাগবে।

উল্লেখ্য, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করে বিএড করতে সময় লাগত পাঁচ বছর। নয়া সিলেবাস চালু হওয়ায় এক দিকে যেমন বিএড কলেজগুলির প্রতি হবু শিক্ষকদের আকর্ষণ বাড়বে তেমনই স্কুলগুলির চাহিদা পূরণের দিকটিরও ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

1 মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here