ওয়েবডেস্ক:  কয়েক দিন আগেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল তামিলনাড়ুর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মামুলি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির খবর হয়ে যাওয়ার কারণ ছিল শিক্ষকের অপ্রতুল সংখ্যা। জানা গিয়েছিল, তিনশো পড়ুয়ার জন্য সেখানে নিযুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র দু’জন।

তা যাই হোক, গোটা ভারতেই এই চিত্রটা কম-বেশি নজরে পড়েই। এমন একটি বিদ্যালয়ের ঘটনা জানাজানি হয়েছিল, যেখানে পর্যাপ্ত শিক্ষকরের চাহিদা পূরণ করা হয় ছাত্রদের দিয়ে। অথচ, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্ব, শিক্ষক নিয়োগের মাপকাঠি নির্ধারণে বছরের পর বছর গবেষণার অন্ত নেই। সম্প্রতি ইন্টারনেটে বহুল পঠিতব্য বিষয় হয়ে উঠেছে আজ থেকে তিন বছর আগে ইউনেস্কোর প্রকাশিত একটি তথ্য।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রের নতুন আইনে কি চাকরি চলে যেতে পারে সেই ৫০ হাজার স্কুল শিক্ষকের?

ওই সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে এ দেশে শিক্ষক নিয়োগের ভয়ঙ্কর দিকটির কথা। বাকি সমস্ত দিক থেকে ভারতবর্ষ উন্নয়নের চরম ধাপ ছুঁয়ে ফেলার চেষ্টায় অবিরত থাকলেও শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকের চাহিদা পূরণে তেমন একটা অগ্রসর হতে পারেনি। ওই রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, চাহিদা মাফিক শিক্ষক নিয়োগের দূরাবস্থার দিক থেকে নাইজেরিয়ার থেকে এক ধাপ উপরে রয়েছে ভারত।

আরও পড়ুন: বিএড: ২৮ মার্চের মধ্যেই জমা পড়ছে শিক্ষকদের যোগ্যতা নির্দেশক কমিটির রিপোর্ট

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষকের চাহিদা মেটাতে সরকার বিভিন্ন সময়ে বিবিধ রকমের প্রকল্প নিয়ে চলেছে। এর ফলে আখেরে কোনো ভাবেই লাভ হয়নি শিক্ষাক্ষেত্র। এখন যেমন ইন্টিগ্রেটেড বি.এড নামের নতুন পাঠক্রম চালু করা হচ্ছে। এই কোর্সে ভর্তি হওয়া কোনো লংটার্মের পড়ুয়া এক জন শিক্ষককে পরিণত হতে পারবেন আরও চার বছর পর। হয়তো এমনটা হলেও অবাক হতে হবে না, আগামী চার বছরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রকের মাথায় নতুন কোনো পরিকল্পনা চাগিয়ে উঠল!

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন