loan

ওয়েবডেস্ক: বর্তমান সময়ে সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্য শুধুমাত্র মাসিক আয়ের উপর নির্ভর করলেই চলে না। দ্বারস্থ হতে হয় ঋণপ্রদানকারী আর্থিক সংস্থা অথবা ব্যাঙ্কের কাছে। কিন্তু সেই টাকাও তো পরিশোধযোগ্য। অর্থাৎ যে টাকায় সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখছেন, তা যেন দু:স্বপ্নে পরিণত না হয়। নজর রাখুন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন

এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট বিশ্ব বিদ্যালয় কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পড়ুয়াদের ঋণের জন্য তালিকাভুক্ত করে রাখে। অর্থাৎ, বিশ্ব বিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত ওই ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিলে বাড়তি কিছু সুবিধাও পাওয়া যায়। যারা ঋণ দিচ্ছে তারা তো পড়ুয়ার মেধা যাচাই করেই দিচ্ছে। ফলে পাশ করার পর কর্মসংস্থানের বিষয়টিও তারা সযত্নে দেখে থাকে। পাশ করার পর চাকরি না পেলে ঋণ পরিশোধ করবেন কোথা থেকে? আবার যদি আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রাক-অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকায় না থাকে, তাহলে তারা প্রতিষ্ঠানের খ্যাতির উপর ভিত্তি করে শিক্ষা ঋণ প্রদান করে।

কোন কোন খাতের জন্য অর্থ বরাদ্দ করছে

আপনি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা ঋণ নিচ্ছেন সে কোন কোন খাতে খরচের জন্য অর্থ বরাদ্দ করছে, সেটাও দেখার বিষয়। শুধু কি টিউশন ফিজ দিলেও পড়াশোনা হয়ে যাবে? পাশাপাশি রয়েছে হস্টেলের টাকা, পরীক্ষার সময়কার ফিজ ইত্যাদি আনুষঙ্গিক খরচ। ফলে ‌ঋণ নেওয়ার সময় পুরো প্যাকেজটা নিতে ভুলবেন না্।

শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ তহবিল

ভারতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ১৫ বছরের পরিশোধ মেয়াদে সর্বোচ্চ ৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ প্রদান করা হয়। বিদেশে পড়াশোনা করার জন্য এই একই মেয়াদে ১.৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে।

সুদের হার এবং প্রক্রিয়াকরণ খরচ দেখুন

শিক্ষা ঋণ সুদের হার সাধারণত প্রতি বছর ৮.৩ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকে। কিছু সময়ের জন্য সুদ ছাড় দেওয়া হয়। আবার মহিলা আবেদনকারীদের জন্য .৫ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকতে পারে।

এ ছাড়া পরিশোধের শর্ত, সময়সীমা এবং সহ-আবেদকের বিষয়ে ভালো করে পড়ে দেখুন নির্দেশাবলী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here