কলকাতা: বিহার থেকে আসা মিথিলা এক্সপ্রেস ৫ ঘণ্টা দেরি করায় পশ্চিমবঙ্গের ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় বসতে পারলেন না বিহারের বেশ কিছু পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা হলে ঢুকতে তাঁদের পাঁচ মিনিট দেরি হয়ে যায়। ফলে তাঁদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে কিছু করার নেই বলে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে ট্রেন কেন দেরি করল, সে বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষায় বসতে না পারে হতাশায় ভেঙে পড়েন বিহার থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক রবি মহাপাত্র বলেন, তাঁরা খোঁজ নিয়ে দেখছেন কেন, কোথায় ট্রেন দেরি করল। যদি কোনো ব্যক্তির কারণে ট্রেন দেরি করে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তবে পদ্ধতিগত কারণে ট্রেন দেরি করলে কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন রবিবাবু। অন্যদিকে জয়েন্ট বোর্ডের রেজিস্ট্রার দিব্যেন্দু কর বলেন, জয়েন্টের জন্য বিহার থেকে যে ট্রেন আসার কথা ছিল, শনিবার দুপুরেই তা চলে এসেছে। সেই পরীক্ষার্থীদের সকলেই পরীক্ষা দিয়েছে। কয়েকজনের জন্য আমরা নিয়ম বদলাতে পারব না।

এ বছর ১ লক্ষ ১৭ হাজার পরীক্ষার্থী জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিয়েছে। মোট ২৪৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তার মধ্যে ২৪০টি এ রাজ্যে। বাকি পাঁচটি ত্রিপুরা ও অসমে। শান্তিপূর্ণ ভাবেই শেষ হয় পরীক্ষা। সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ছিল অঙ্ক পরীক্ষা, ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত পদার্থবিদ্যা ও রসায়নের পরীক্ষা। পরীক্ষার ফল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ ৫ জুন।

মেডিক্যালের মতো ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রেও সারা দেশে একটিই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী বছর থেকেই তা শুরু হওয়ার কথা। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকরকে চিঠি লিখেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here