Connect with us

শিক্ষা ও কেরিয়ার

ইন্ডিয়ান অয়েল ৪০৪টি শিক্ষানবিশ শূন্যপদের জন্য অনলাইনে আবেদন চাইছে

indian oil

ওয়েবডেস্ক: ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) অ্যাপ্রেন্টিস অ্যাক্ট ১৯৬১-এর অধীনে ৪০৪টি শূন্যপদের নিয়োগে অনলাইন আবেদন চাইছে।

সংস্থার (Indian Oil Corporation Limited) পূর্বাঞ্চলীয় (এমডি) শাখায় টেকনিক্যাল এবং নন-টেকনিক্যাল শিক্ষানবিশ নিয়োগের ওই আবেদন অনলাইনেই করা যাবে। এর জন্য সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: iocl.com-এ যেতে হবে।

আবেদন জানানোর শেষ তারিখ:

IOCL Apprentice recruitment 2020-এ আবেদন জানানোর শেষ তারিখ আগামী ১০ এপ্রিল, ২০২০

আবেদনের জন্য বয়সসীমা:

৩১.০৩.২০২০ তারিখের নিরিখে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮-১৪ বছরের মধ্যে। জেনারেল/ইডব্লিউএস প্রার্থীদের জন্য এই বয়সসীমা প্রযোজ্য। অন্য দিকে এসসি/এসটি/ওবিসি (এনসিএল)/পিডব্লিউবিডি প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম মতোই বয়সের ছাড় পাবেন।

প্রশিক্ষণের মেয়াদ:

ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস বাদে বাকিদের জন্য ১২ মাস। ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিসদের জন্য – ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ফ্রেশার অ্যাপ্রেন্টিস) এবং ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস – ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের জন্য (দক্ষ শংসাপত্রধারী) ১৫ মাস প্রশিক্ষণ।

যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি:

৯০ মিনিটের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এবং বিজ্ঞাপিত যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণের ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় চারটি বিকল্প সমন্বিত মাল্টিপল চয়েস কোয়েশ্চেন (এমসিকিউ)-সহ ১০০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রশ্নগুলি ইংরেজি এবং হিন্দিতে দেওয়া হবে।

অন্যান্য যোগ্যতাবলির জন্য সংস্থার সরকারি ওয়েবসাইট দেখুন।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

রাজ্য

অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, ফলে গভীর সংকটে পড়েছে স্কুল। এই সংকটের কথা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Bandyopadhyay) চিঠি লিখেছেন কলকাতা ও বিভিন্ন জেলার ১০০টি সিবিএসই স্কুলের (CBSE schools) অধ্যক্ষরা। ওই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে।

চিঠিতে অধ্যক্ষরা জানিয়েছেন, ৭০ শতাংশের বেশি অভিভাবক স্কুল-ফি দিচ্ছেন না। ফলে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে স্কুলগুলি। এই অবস্থায় আর কিছু দিনের মধ্যেই তাঁরা স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতন দিতে পারবেন না। হয়তো স্কুলই বন্ধ করে দিতে হবে।

এ বছর স্কুল-ফি না বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার শহরের স্কুলগুলির কাছে বার বার আবেদন করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের এই চিঠি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চিঠিতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, তাঁরা এ বছর স্কুল-ফি বাড়াননি, অথচ অভিভাবকরা এখনও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছেন এবং এপ্রিল মাস থেকে স্কুল-ফি আটকে রেখেছেন। এর ওপর তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ছাড় দাবি করছেন। এর ফলে স্কুলগুলো অর্থ সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতিটা যাতে অভিভাবকরা সম্যক উপলব্ধি করতে পারেন এবং তাঁরা যাতে স্কুল-ফি মিটিয়ে দিতে এগিয়ে আসেন তার জন্য রাজ্যের হস্তক্ষেপ দরকার।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য এবং বকেয়া মিটিয়ে স্কুল-ফি দেওয়া স্কুল শুরু করার ব্যাপারে অভিভাবকদের উদ্দেশে নির্দেশ জারি করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফি মকুব করার মতো অবৈধ নির্দেশ অনুসরণ করতে স্কুলগুলিকে বাধ্য করা উচিত নয়। ফি মকুব করা হলে তার যা ফল ফলবে তাতে স্কুল চালানো যাবে না।”

চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, মুখে স্লোগান দিতে দিতে অভিভাবকরা মিছিল করে স্কুলের দিকে আসছেন, স্কুলগেটের বাইরে জড়ো হয়ে, কখনও কখনও স্কুলের ভেতরে ঢুকে আক্রমণাত্মক ভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠছে – গোটা ঘটনায় স্কুলের পক্ষে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি হচ্ছে। “কোনো ভাবেই স্কুল-ফি বাড়ানো হয়নি, অথচ তাঁরা ফি মকুব বা আংশিক মকুব করার দাবি জানাচ্ছেন।”

সিবিএসই স্কুলের অধ্যক্ষদের মঞ্চ ‘সহোদয় স্কুলস’-এর ব্যানারে অধ্যক্ষরা রাজ্য প্রশাসনের কাছে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “ফি না দেওয়ার বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মঞ্চে বিকৃত ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে এবং একে সমর্থন করাটা এখন একটা প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন ভাবে গোটা ব্যাপারটা তুলে ধরা হচ্ছে যেন স্কুলগুলো শয়তান।”

তবে চিঠিতে এটা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যে সব অভিভাবকের কাজ চলে গিয়েছে বা যাঁরা আর্থিক সংকটে রয়েছেন তাঁরা কনসেশনের জন্য যথাযথ প্রমাণ নিয়ে অধ্যক্ষদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।                  

Continue Reading

রাজ্য

অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সমীক্ষা করছে এসএফআই

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণ রুখতে সারা দেশ জুড়ে মার্চের শেষ থেকে চলছে লকডাউন। আর লকডাউনের আগে থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কবে খুলবে তার কোনো ইঙ্গিত মিলছে না। তবে করোনাভাইরাস যে ভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনই যে খুলছে না, তা বলাই বাহুল্য।

শ্রেণিকক্ষে বসে তো পড়া না হয় বন্ধ, তা বলে কি পড়াশোনা বন্ধ থাকতে পারে? তাই এখন শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস (online classes)। বাড়িতে বসে ক্লাস করা – একেবারে শিশুশ্রেণি থেকে উচ্চতম শ্রেণি পর্যন্ত। দরকার শুধু মোবাইল, ল্যাপটপ, নেট কানেকশন ইত্যাদি।

কিন্তু প্রশ্ন হল, এই অনলাইন ক্লাস কি আদৌ সম্ভব? আমাদের মতো দেশে এই অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা কতটা? এক দিকে আমরা যখন শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়ার বিরোধিতা করছি, অন্য দিকে পড়াশোনা করানোর জন্য তাদেরই হাতে সে সব তুলে দিচ্ছি। আর মৌলিক যে প্রশ্নটা সাধারণের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হল শিশুদের হাতেকলমে না শিখিয়ে আদৌ কি অনলাইনে কিছু শেখানো যায়, না বোঝানো যায়?

এসএফআই-এর সমীক্ষা

সাধারণ ছাত্রদের ক্ষেত্রে অনলাইন পড়াশোনার কার্যকারিতা নিয়ে সমীক্ষায় নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া তথা এসএফআই (SFI)।

এসএফআই রাজ্য কমিটির সম্পাদক শুভজিৎ সরকার শনিবার বলেন, এক মাস ধরে এই সমীক্ষা চলবে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার হাজার পাঁচেক ছাত্রছাত্রীর কাছে তাঁরা পৌঁছোনোর চেষ্টা করবেন।

তিনি জানান, এসএফআই ইতিমধ্যেই সাড়ে ছ’শো ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছোতে পেরেছে। তাদের কাছে নানা রকম প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, তাদের কাছে নেট সংযোগ (net connectivity) বা স্মার্টফোন কতটা সজহগম্য

আরও পড়ুন: আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

শুভজিৎ সরকার বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের কাছে ইংরেজি ও বাংলায় প্রশ্ন করা হচ্ছে। জানতে চাওয়া হচ্ছে, তদের স্থায়ী ও শক্তিশালী নেট সংযোগ আছে কি না, তারা ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই (broadband wifi) বা মোবাইল ওয়াইফাই (mobile wifi) ব্যবহার করে কি না, এই নতুন ব্যবস্থায় অর্থাৎ পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের এই প্রবল ভূমিকায় তারা স্বচ্ছন্দ বোধ করছে কি না ইত্যাদি।”

আরও প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে, ছাত্রদের লকডাউনের মধ্যে অনলাইন ক্লাস করতে হয়েছে কি না, অনলাইন ক্লাস করে থাকলে অভিজ্ঞতা কেমন হল, তাদের ইন্টারনেট ডেটা প্যাক (internet data packs) কিনতে হয়েছে কি না, টাকা কি বাবা-মা দিয়েছেন নাকি নিজেদের পকেট মানি থেকে দেওয়া হয়েছে, নাকি কোনো শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তি বা কাছের কোনো মানুষ দিয়ে দিয়েছেন ইত্যাদি।

এসএফআই নেতা বলেন, “সামগ্রিক ভাবে অনলাইন ক্লাস পদ্ধতি ছাত্র সম্প্রদায়ের উপর কী রকম প্রভাব বিস্তার করেছে সেটা যাচাই করার চেষ্টা করছি আমরা। কারণ ছাত্রসমাজের একটা বিরাট অংশ অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় থাকে এবং তাদের একটা বিপুল অংশ অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল শ্রেণিভুক্ত। চার-পাঁচ দিন আগে আমাদের সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা থেকে যে তথ্য পাওয়া যাবে সেগুলো আমাদের বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেশণ করবেন এবং সেইমতো বিষয়টি নিয়ে আমরা সরকার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসব।”

যাদবপুর কী করছে

এর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সুরঞ্জন দাস বলেছিলেন, অনলাইন ক্লাস করা ছাত্রছাত্রীদের বিরাট অংশের পক্ষে সম্ভব নয় কারণ তারা দুর্গম অঞ্চলে থাকে এবং নেট সংযোগের অবস্থাও অনেক জায়গায় দুর্বল। তা ছাড়া আর্থিক কারণেও বহু ছাত্রছাত্রীর পক্ষে পুরোপুরি অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতিতে চলে যাওয়া সম্ভব নয়।

এই বিষয়টি মাথায় রেখেই এ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সব ক’টি ফাইনাল সেমেস্টারের ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন পরীক্ষায় বসানোর কথা ভাবছে না। এ বছর বাড়িতেই প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পাঠিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সেটাই বিবেচনা করা হচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান কী বলছেন

পাঠক্রম ও টেক্সটবই সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন। এই পরিস্থিতিতে যখন শারীরিক ভাবে ক্লাসে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়, তখন কী ভাবে প্রত্যেক ছাত্রের কাছে ক্লাসরুম পৌঁছে দেওয়া যায় তার সম্ভাব্য সমস্ত পথ বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।”

Continue Reading

দেশ

গোটা বছরের জন্য অফলাইন ক্লাস বাতিল করে দিল বোম্বে আইআইটি

মুম্বই: চলতি শিক্ষাবর্ষের পুরোটাই অফলাইন ক্লাস বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল বোম্বে আইআইটি (Bombay IIT)। করোনাভাইরাসের (Coronavirus) বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আইআইটি বম্বের তরফে জানানো হয়েছে।

বুধবার রাতে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আইআইটি বম্বের ডিরেক্টর প্রফেসর শুভাশিস চৌধুরী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। পড়ুয়াদের সুরক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কোনো রকম আপস করবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষ।

প্রফেসর চৌধুরী তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আইআইটি বোম্বের কাছে ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পড়ুয়াদের কথা ভেবেই আমরা এই চলতি সেমেস্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলাম। দেশের মধ্যে প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিল আইআইটি বম্বে।”

General information and a special request to all: For IIT Bombay, students are the first priority. We took the first…

Posted by Director, IIT Bombay on Wednesday, June 24, 2020

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা অতিমারীর (pandemic) কথা মাথায় রেখে কী ভাবে আগামী সেমেস্টারের পরিকল্পনা করা হবে, সেই বিষয়েও আমাদের চিন্তাভাবনা করতে হবে। এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা স্থির করেছি যে আগামী সেমেস্টার সম্পূর্ণ ভাবে অনলাইনেই হবে। যাতে পড়ুয়াদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।”

আন্ডার গ্র্যাজুয়েট এবং পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট কোর্সের জন্য জুলাই মাস থেকে সেমেস্টার শুরু হবে। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও এই পোস্টে বলা হয়েছে। তাঁদের জন্য আইটি হার্ডওয়্যার যেমন ল্যাপটপ, ব্রডব্যান্ড সংযোগের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেছেন তিনি।

বোম্বে আইআইটিই দেশের প্রথম বড়ো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা গোটা ২০২০-তেই অফলাইন পড়াশোনা বাতিল করে দিল।

Continue Reading
Advertisement
দঃ ২৪ পরগনা9 mins ago

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

ভ্রমণের খবর35 mins ago

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

দেশ2 hours ago

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

দেশ3 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৯,১৪৮, সুস্থ ১১,৯১২

বিদেশ3 hours ago

আমেরিকায় আরও ভয়াবহ ভাবে জাল বিস্তার করছে করোনা, এক দিনেই আক্রান্ত ৫২ হাজার

ক্রিকেট3 hours ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

ক্রিকেট4 hours ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

দেশ4 hours ago

জয়রাজ-বেনিক্স হত্যার ঘটনায় ধৃত চার পুলিশ অফিসার, মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা

নজরে