স্কুল-ছুট কেন বাড়ছে? কেন্দ্র সরকারি রিপোর্টে উঠে এল যে সব তথ্য

0
3268
school

ওয়েবডেস্ক: প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক সমীক্ষা রিপোর্ট কী বলল?

১. বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক শৌচাগার না থাকা।

২. যথেষ্ট সংখ্যক আপার প্রাইমারি স্কুলের অভাব।

৩. স্কুল থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রেণীকক্ষ না থাকা।

৪. শ্রেণীকক্ষের সরঞ্জাম, টেবিল-চেয়ার বা অন্যান্য আসবাবপত্রের অভাব।

৫. প্রচুর স্কুলে নেই কোনো নিজস্ব খেলার মাঠ। নেই লাইব্রেরি।

৬. পড়ুয়া সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষকের চাহিদা।

৭. চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের ফলে সৃষ্টি হওয়া বৈষম্য।

৮. বহু স্কুলেই নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। যে কারণে আলো বা ফ্যানের কোনো প্রশ্নই নেই।

বলে রাখা ভালো সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি কাউন্সিল বা এনপিসি-কে দিয়ে একটি সমীক্ষা করায়। যেখানে সমীক্ষার মূল বিষয় ছিল দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের মধ্যে কেন স্কুল-ছুটের সংখ্যা বাড়ছে, তা নিরূপণ করা। ওই সম্প্রতি জমা পড়েছে কেন্দ্রের হাতে। সেখান থেকেই উঠে এসেছে এই সার্বিক বিষয়গুলি। শুধু মাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য করা হলেও এই সমস্যাগুলি যে সাধারণ বিদ্যালয়গুলির জন্যও সমান ভাবে প্রযোজ্য তা স্বীকার করছেন শিক্ষাবিদরাও।

তবে পৃথক ভাবে ওই রিপোর্ট থেকে উঠে আসা যে বিষয়টি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তা হল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অভিভাবকদের আর্থিক পরিস্থিতির কথা। দারিদ্রের কারণেই যে ছেলে-মেয়েক তারা স্কুলে পাঠাতে চেয়েও পারছে না, তা প্রকাশ পেয়েছে। কাছাকাছি কোনো স্কুল না থাকার কারণেও অনেকে পড়াশোনা শেখার আগ্রহ দেখালেও তা বাস্তবে রূপান্তরিত হয় না।

এনপিসি নিজেদের আধিকারিকদের বিভিন্ন রাজ্যে পাঠিয়ে এই তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে দেশের আটটি রাজ্যে স্কুল-ছুট পড়ুয়ার সংখ্যা সব থেকে বেশি। তাদের মধ্যে রয়েছে অসম, বিহার, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং পশ্চিমবঙ্গ।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here