ইদুজ্জোহায় মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

ওয়েবডেস্ক: আর মাত্র কয়েকটা ঘণ্টার অপেক্ষা। কেনাকাটি যার যা বাকি আছে তাও চলছে জোরকদমে।আগামীকাল যে বকরি ইদ।

আর বকরি ইদ মানেই ত্যাগ ও উৎসর্গের উৎসব। ইব্রাহিম আল্লাহর কাছে তাঁর প্রাণের চেয়েও প্রিয় পুত্রকে উৎসর্গ করতে পিছপা হননি।

তাঁকে স্মরণ করেই ছাগল, গরু, কোনো কোনো জায়গায় উট কুরবানি দেওয়া হয়  ইদুজ্জোহার দিনে। এ ছাড়া ইদুজ্জোহার দিনে কুরবানির সময়ে আল্লাহর কাছে নিজের প্রিয় জিনিসটিকে উৎসর্গ করতে হয়।

এগুলো তো সব গেল আচার-নিয়মের পর্ব। কিন্তু শুধু নিয়ম-নীতি করলেই তো হবে না। সেই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে নিজের স্বাস্থ্যের কথা।

আনন্দ যেমন করবেন তার সঙ্গে নিজের শরীরের যত্ন, খাওয়া-দাওয়া, নিয়ম করে জল খাওয়া, খাবারের মধ্যে অত্যধিক পরিমাণে মিষ্টি না খেলেই ভালো হয়।

১। নিয়ম করে জল খান

একটা অনুষ্ঠান মানেই হাজারটা কাজ থাকে। এ বার সব কাজ সামলে জল হয়ত খাওয়াই হয় না। খেলেও হয়তো খুবই সামান্য। কিন্তু এটা করলে তো হবে না। মনে করে কাজের ফাঁকে জল তো খেতেই হবে।

২। শরীরচর্চা

প্রতিদিন যেমন নিয়ম করে ব্যায়াম করেন সেটাই করুন। কারণ যে কোনো অনুষ্ঠান মানেই তা হয় আনন্দের। এ বার সেই অনুষ্ঠানে শরীর যদি ঠিক না থাকে। তা হলে তো সবই মাটি!

তাই অনুষ্ঠানের শত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের শরীর চর্চা নিয়ম করেই করতে হবে।

৩। খাবারে মিষ্টি কম

অনুষ্ঠান হবে আর তাতে ভালো ভালো খাবার থাকবে না তা আবার হয় নাকি?

ইদুজ্জোহা মানেই শিমই, ফিরনি, তালের লুচি, মালপোয়া ইত্যাদি নানা রকমের খাবার হয়েই থাকে। আর এই সব খবারে মিষ্টি না দিলেও হয় না। কিন্তু খুব গাড় মিষ্টি না দিয়ে খুব অল্প পরিমাণে মিষ্টি দিলে ভালো হয়। আর বিশেষ করে যাদের সুগার আছে তাঁরা একটু মেনে চললেই ভালো হয়।

আরও পড়ুন: ইদুজ্জোহা ২০১৮ : ছাগলের নাম সলমন খান, পশুবাজারে দর উঠল ৫লাখ

৪। ঘুরে ফিরে খান 

একেবারে সেই অনেকটা না খেয়ে অল্প পরিমাণে ঘুরে ফিরে খান। কারণ বেশি খাওয়া মানেই হজমের গোলমাল ও গ্যাস-অম্বল হতেই পারে। তাই শরীরের কথা ভেবে অল্প পরিমাণে বুঝে খান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন