Eid-ul-Adha
ছবি: ইন্টারনেট থেকে

ওয়েবডেস্ক: ভারতের উল্লেখযোগ্য মুসলিম সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা ইদুজ্জোয়ার দিন বিশেষ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার আবেদন জানালেন। ওই ঠিক কী করণীয় এবং কোন বিষয়গুলিকে এড়িয়ে চলা উচিত সে বিষয়েই আটটি নির্দেশিকা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে যেমন রয়েছে উৎসবের নিয়ম মেনে পশু উৎসর্গ করার জন্য রাস্তা বা জনবহুল প্রকাশ্য স্থান ব্যবহার না করার পরামর্শ তেমনই রয়েছে  “উচ্চতর স্তরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি” রক্ষার আবেদন।

পাশাপাশি তাঁরা বলেছেন, এই বিশেষ দিনে দরিদ্র এবং অভাবগ্রস্ত মানুষের প্রতি যত বেশি সম্ভব সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করা।

ওই নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মৌলানা সৈয়দ মহম্মদ রাবে হাসান নাদুই, জামাত-এ-ইসলামি হিন্দের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ সৈয়দ জালালউদ্দিন উমারি, জামায়ত উলেমা এ হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি মৌলানা সৈয়দ মেহমুদ আসাদ মাদানি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম মজলিস ই মুশাবারাতের প্রেসিডেন্ট নভেদ হামিদ প্রমুখের।

ওই আবেদনের শীর্ষে রয়েছে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বার্তা। পশু উৎসর্গের পর রক্ত বা অন্যান্য বর্জ্য যাতে যত্রতত্র পড়ে না থাকে, সে বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অন্য দিকে শহর হোক বা গ্রামাঞ্চল- সর্বত্রই একত্রিত ভাবে কুরবানি আয়োজনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট একটি জায়গার উৎসর্গের জন্য পশুগুলিকে নিয়ে আসুন এবং সেখানেই উৎসর্গ করুন।

কুরবানির সময় প্রতিবেশীদের উপর যাতে তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সে বিষয়টিও দেখতে হবে।

এ ব্যাপারে  আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন শীর্ষ প্রতিনিধিরা।

প্রতিবেশী এবং প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। উৎসর্গ করা পশুর মাংস গরিব ও অভাবী মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

কোনো জায়গা থেকে যদি কোনো রকমের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসে, তা কমিটিকে জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন