‘বাবা কখনও বকা দিতেন না আমায়। আমি, সঞ্চারি আর দাদা বড্ড বাবার নেওটা ছিলাম। ছেলেবেলায় গান রেকর্ডিং শেষ করেই বাবার কোলে উঠতে চাইতাম। আর বাবা সেসময় বলতেন মা বড় হয়েছো তো তুমি’,বলছিলেন অন্তরা চৌধুরী।

শুধু অন্তরা নন, ছিলেন অন্তরার মা তথা সলিল চৌধুরী স্ত্রী সবিতা চৌধুরী, বনশ্রী সেনগুপ্ত, হৈমন্তী শুক্লা, কল্যাণ সেন বরাট, জয় সরকার, শ্রীজাত, সুরজিত, রূপক সাহা সহ নানা বিশিষ্ট জন। প্রবাদ প্রতিম সঙ্গীত ব্যক্তিত্বের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গোর্কি সদনে জড়ো হয়েছিলেন ওঁরা সবাই।

সোমবার থেকে গোর্কি সদনে চলছে সলিল চৌধুরীর ব্যবহৃত সামগ্রী, তাঁর আঁকা ছবি, রেকর্ডের কভার, ছবির পোস্টার নিয়ে তিন দিনের একটি প্রদর্শনী।  

সলিল স্মরণে একটি টক শোয়েরও আয়োজন করা হয়েছিল গোর্কি সদনে। শুধু কথায় কি আর সলিল চৌধুরীকে স্মরণ করা যায়? হ’ল দেদার গানও।  কথা ও সুরের ঝরনা ধারায় উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল সোমবারের গোর্কি সদনের সন্ধ্যা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here