ওয়েবডেস্ক: এক সময় কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গতা ছিল উল্লেখ করার মতো। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল- চার বছর এলাহাবাদের সাংসদ রূপে কংগ্রেসের হয়ে কাজও করেছেন তিনি। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যও এখন কিংবদন্তি। কিন্তু মাঝখানে তাল কেটেছিল। ফলে কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বন্ধই করে দিয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। এমনকি, অকালপ্রয়াত বন্ধুর স্ত্রী বা কন্যা-পুত্রের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগও খুব একটা ছিল না বলেই শোনা যায়।

এখন যদিও ছবিটা অনেকটাই আলাদা। টুইটারে বন্ধুপুত্র রাহুল গান্ধীকে যেমন নিয়মিত ফলো করছেন সিনিয়র বচ্চন, ঠিক তেমনই কংগ্রেসের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলও ফলো করে চলেছেন তিনি। অর্থাৎ এ শুধুই বন্ধুপুত্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা নয়।

amitabh bachchan

সেই জন্যই বাড়ছে জল্পনা – এ বার বুঝি রাজনীতিতে যোগ দিতে চলেছেন বিগ বি। তা যদি হয়, তবে বলতে হবে দেশীয় রাজনীতিতে এক ত্র্যহস্পর্শ ঘটল বলে! এক দিকে কমল হাসন নিজের রাজনৈতিক দলের নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন, অন্য দিকে রজনীকান্তও নিজের রাজনৈতিক দলটির কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ধীরে-সুস্থে। এ বার যদি দক্ষিণের বর্ষীয়ান অভিনেতার ভারতীয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘটনা উত্তরে অমিতাভ বচ্চনের সূত্রে ঘটে, তা হলে দেশের রাজনীতি এক বড়োসড়ো পট পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলতেই হয়!

কিন্তু যদি রাজনীতিতে যোগ দেন বচ্চন, তবে কি আগের মতো কংগ্রেসকেই সমর্থন করবেন তিনি? এটা ঠিক যে কপিল সিব্বল, পি চিদম্বরম, আহমেদ পটেল, অশোক গহলৌত, অজয় মাকেন, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, শচীন পাইলট, সি পি জোশীর মতো কংগ্রেসের ডাকসাইটে নেতাদের যেমন টুইটারে ফলো করছেন বিগ বি, তেমনই ফলো করছেন বিজেপি-র নীতিন গড়কড়ি, সুরেশ প্রভুদেরও।

amitabh bachchan

আবার টুইটারে বিগ বি-র ফলো করা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন না আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব, তাঁর কন্যা মিশা ভারতী, জেডি (ইউ)-র নীতীশ কুমার, সিপিআই-এম-এর সীতারাম ইয়েচুরি, আপ-এর মণীশ শিশোদিয়া প্রমুখও।

তা হলে কি বিগ বি এখন রাজনীতির সাগরের জল মাপছেন? সেই মতো সিদ্ধান্ত নেবেন তরী ছাড়বেন কি না?

এর উত্তর সময়ই দেবে!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন