ওয়েবডেস্ক: আখেরে কি তা হলে বাংলা ছবি কারখানা এবং তার বর্তমান ছবি বানানোর ধরনকে সমালোচনাই করলেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি? তাও আবার বাঙালির খাস মুলুক কলকাতার বুকে বসে?

এ এখন আর কোনো নতুন খবর নয় যে পরিচালক নন্দিতা দাশের ‘মান্টো‘ ছবির সাংবাদিক বৈঠক উপলক্ষ্যে শহরে হাজির হয়েছিলেন চরিত্রাভিনেতা। সেখানেই বর্তমান সময়ের ছবির ঘরানা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্যটি করেছেন নওয়াজ। তবে তাঁর বিবৃতি যা বলছে, তাকে ঠিক সমালোচনা বলা যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারেন অনেকে।

আরও পড়ুন: আত্মজীবনীতে যা লিখেছিলেন সব মিথ্যা? বক্তব্যে এ কী ইঙ্গিত দিচ্ছেন নওয়াজ?

কথায় কথায় জানিয়েছেন নওয়াজ- বাংলা ছবি একটা সময়ে তাঁর মতো আরও অনেকের কাছে একটা শেখার জায়গা ছিল। “আমি এবং আমার মতো অনেকেই একটা সময়ে বাংলা ছবি দেখে অনেক কিছু শিখেছি। সত্যি বলতে কী, বাংলা ছবি দেখে দেখে আমাদের এই প্রজন্ম অভিনয়ও শিখেছে। কিন্তু সেই বাংলা ছবিরই এখন কী দুরবস্থা! বলিউড যা ফেলে দিচ্ছে, মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে যে সব বিষয় থেকে, সেগুলোকেই এখন জড়ো করে নিচ্ছে বাংলা ছবির ঘরানা”, দাবি করছেন নওয়াজউদ্দিন!

তা হলে কি অপ্রিয় সত্যবাদী পাকিস্তানি লেখক মান্টোর চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর গুণগুলো বর্তিয়েছে নওয়াজের উপরেও? “তা কিছুটা বলা যায় বইকি! চরিত্রটা করতে গিয়ে আমি এতটাই জড়িয়ে পড়েছিলাম যে কথায় কথায় সবার মুখের উপরে অপ্রিয় সত্যিটা বলে দিতাম! এক সময়ে দেখলাম- তাতে আমারই সমস্যা হচ্ছে সব চেয়ে বেশি! তখন আবার মিথ্যে বলা অভ্যেস করতে হল”, বলছেন নায়ক।

nandita das and nawazuddin siddiqui
নন্দিতার আপাতত সমস্যা একটাই, ছবি: নিজস্ব

যাই হোক, নন্দিতার আপাতত সমস্যা একটাই। তিনি তাঁর ছবির প্রিমিয়ারে ভারতে নিয়ে আসতে চান পাকিস্তানবাসিনী মান্টোর তিন কন্যা নিগত পটেল, নুজত আরশাদ এবং নুসরত জালালকে। “এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি ছবিটা ওঁদের সঙ্গে করেই দেখতে চাই। ওঁরা ছিলেন বলেই মান্টোর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অনেক অজানা কথা জানতে পেরেছি, ছবিতে রাখতে পেরেছি। বাকিটা দেখা যাক”, জানাচ্ছেন নন্দিতা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন