ওয়েবডেস্ক: ব্যোমকেশের নামের আগে বিদায় শব্দটা কেন? তবে কি ব্যোমকেশ আর থাকবেন না?

তা-ও আবার হয় না কি! মেধাহীনতার এবং মৌলিকতার অভাবের এই বাংলা ছবির যুগে ব্যোমকেশ চলে গেলে যে বক্স অফিসে একটা মোটা টাকার অঙ্কও আর থাকবে না। তাই ব্যোমকেশকে নিয়ে ছবি বানানো চলছে এবং চলবে। সে ব্যাপার যত-ই একঘেয়ে হয়ে উঠুক না কেন!

bidaay byomkesh

তবে পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের ‘বিদায় ব্যোমকেশ’ ছবিতে কী আছে, তা এখনই বলা মুশকিল! একে তো তাঁর ছবি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো গল্পের অনুসরণ নয়, যদিও ব্যবসার দিকটা মাথায় রেখে ব্যোমকেশের নামটা ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে ঠিকই!

bidayy byomkesh

তা ছাড়া আরও দুটো চটকদার ব্যাপারও রয়েছে ছবিতে। এই ছবিতে আবির চট্টোপাধ্যায়, যিনি কি না রুপোলি পর্দার ব্যোমকেশ বক্সি হিসেবে সব চেয়ে পরিচিত, তিনি ছবিতে দেখা দেবেন দুই চরিত্রে। একটি বয়স্ক দাদু ব্যোমকেশ বক্সির চরিত্র, অন্যটা তরুণ নাতি সাত্যকি বক্সির চরিত্র! দুইয়ে মিলেই না কি এক খুনের রহস্যের সমাধানে নামবে!

অবশ্য আবির নিজে ছবিটার ব্যাপারে দারুণ রোমাঞ্চিত হয়ে রয়েছেন। “এই ব্যোমকেশ খুব অন্য রকম। আমার করা এর আগের ব্যোমকেশের সবকটা ছবির চেয়ে আলাদা। এই বয়স্ক ব্যোমকেশের চরিত্রে অভিনয় করাটাও তাই খুবই চ্যালেঞ্জিং”, বলছেন তিনি।

দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here