deepika
ছবি ইনস্টাগ্রাম

ওয়েবডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের আন্দোলনরত পড়ুয়াদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অপ্রত্যাশিত সফরে যান জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)-তে। মঙ্গলবার তাঁর জেএনইউ সফরের পর বিজেপির একাধিক নেতা-সমর্থকরা তাঁর পদক্ষেপ নিয়ে কটাক্ষ করেন। এ বার তাঁকে নিজের পেশাগত ভূমিকার কথা উল্লেখ করেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতা গোপাল ভার্গব।

গোপাল দীপিকার উদ্দেশে টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে বলেন, “হিরোইনের উচিত মুম্বইয়ে বসে নাচ করা। জেএনইউ-তে ওনার যাওয়ার কী দরকার ছিল। এই ব্যাপারটাই আমি বুঝতে পারছি না। এই ধরনের ডজন ডজন লোকই নিজেদের সমাজকর্মী, শিল্পী হিসাবে জাহির করেন”।

তবে গোপাল শুধু একাই নন, দীপিকার উদ্দেশে রাজনৈতিক নেতা থেকে নেটিজেনরা কটাক্ষের বন্যা বইয়ে চলেছেন গত মঙ্গলবারের পর থেকেই। ওই দিনই তিনি জেএনইউ-তে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সমর্থন জানাতে সেখানে সশরীরে হাজির হন।

আক্রমণের তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির মন্তব্য। স্মৃতি দাবি করেছেন, “২০১১ সালেই তিনি (দীপিকা) নিজের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার কথা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি কংগ্রেসের প্রতি সমর্থনের কথা সে সময়ই জানিয়ে দিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তিনি জানেন যে তিনি যাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন তাঁরা ভারতের ধ্বংস দেখতে চান। তাঁরা সিআরপিএফ জওয়ানদের মৃত্যকে উদ্‌যাপন করেন। তবে এ ব্যাপারে আমি তাঁর অধিকারকে অস্বীকার করতে চাই না”।

ক’দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে একটি সাক্ষাৎকারে দীপিকাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন