ওয়েবডেস্ক: কালকি কোয়েচলিন একদা জানিয়েছিলেন #MeToo আন্দোলনের প্রেক্ষিতে, অন্তরঙ্গ দৃশ্য শুট করার সময়ে সেটে একজন পর্যবেক্ষক রাখা উচিত! যিনি খুঁটিয়ে দেখে বলে দেবেন- কতটুকু শালীনতার সীমা অতিক্রম করছে না! বিদেশে অন্তরঙ্গ দৃশ্য তোলার সময়ে এ হেন যৌনতা পর্যবেক্ষকদের সেটে উপস্থিতি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও এ দেশে তেমনটা ঘটল এই প্রথম, তাও আবার কলকাতার বুকে!

আরও পড়ুন: ধর্ষণের আগে সম্মতি রেকর্ড করিয়ে নিই, #MeToo প্রেক্ষিতে জবানবন্দি দলীপ তাহিলের

জানা গিয়েছে, পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায়ের সিজনস গ্রিটিংস ছবির জন্য কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য শুট করার প্রয়োজন ছিল নায়িকা সেলিনা জেটলির। এই দৃশ্যে তাঁর সহ-অভিনেতা ছিলেন আজহার খান। “একবার এক সাংবাদিক আমায় ছবিতে যৌনতা পর্যবেক্ষক রাখার বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তখনই আমার মনে হয়, সিজনস গ্রিটিংস-এ এটা প্রয়োগ করলে কেমন হয়! এই নিয়ে আমি কথা বলি সেলিনার সঙ্গে। সেলিনাও সম্মতি দেন। তার পর আমরা শুটিংয়ের দিন সেটে নিয়ে আসি মণীষা বসুকে। দীর্ঘ দিন ধরে উনি মেয়েদের নিয়ে কাজ করছেন, তাঁর উপস্থিতিতেই অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পুরোটা তোলা হয়েছে”, বলছেন পরিচালক।

জানা গিয়েছে, প্রথমে দৃশ্যে কী কী থাকবে, তা এক দফা দেখে নেন মণীষা। তার পর ক্যামেরা চালু হলে তিনি বিষয়টা দেখতে থাকেন পরিচালকের সঙ্গে মনিটরে চোখ রেখে। খবর বলছে, এই সময়ে সেটে শুধু মহিলা কলাকুশলীরাই ছিলেন, যেটাও ভারতীয় ছবির ইতিহাসে এই প্রথম ঘটল! “খুবই ভালো ভাবে শুটিং হয়েছে। একটুও অস্বস্তি হয়নি”, কলকাতার এক পেন্টহাউজে শট দিয়ে জানিয়েছেন সেলিনা!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here