gamepfthrones
গেম অব থ্র্নস

ওয়েবডেস্ক : অনেক নিরাপত্তা আর সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে শুটিং হওয়া সত্ত্বেও ‘গেমস অব থ্রনস’-এর তিন পর্বের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য দু’সপ্তাহ আগেই অনলাইনে লিক হয়ে গিয়েছিল। এপিসোড সম্প্রচারিত হওয়ার পর দেখা গিয়েছে লিক হওয়া তথ্যগুলি এক দম যথাযথ। সেই হিসাবেই আশা করা হচ্ছে শেষ পর্ব অর্থাৎ ষষ্ঠ পর্বের বিষয়ে যা কিছু আগাম জানা গিয়েছে তাও ঠিকই হবে। এই শোয়ের শেষ পর্বে কী হবে? কী ভাবে শেষ হবে পর্বটি, ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় জানা যাচ্ছে লিক হওয়া তথ্যগুলি থেকে।

এই তথ্য লিক হয়েছে রেডিট-এ। সেখানে এক্কেবারে নিখুঁত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ধারাবাহিকটির শেষ পর্বের সম্প্রচারিত হবে সোমবার ২০ মে হটস্টারে। আর মঙ্গলবার স্টার ওয়ার্ল্ড আর স্টার ওয়ার্ল্ড এইচডিতে প্রতি মঙ্গলবার রাত ১০টায়।

ধারাবাহিকটির যে বিষয়গুলি লিক হয়েছিল তার মধ্যে রয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টির সঙ্গে ড্যানির কিং’স ল্যান্ডিংকে আক্রমণ করার ঘটনা। ল্যান্ডিং-এর যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার ঘটনা থেকে হাউন্ড ভাইদের মারামারি তাদের মৃত্যু ইত্যাদি সবই। এমনকী জেইম আর ইউরোনের মারামারি, ইউরোনকে হত্যা করার ঘটনা ইত্যাদি সব কিছুই মিলেছে মূল অংশের সঙ্গে লিক হওয়া তথ্যের বিবরণে।

এর আগেও লিক হওয়া ঘটোনাগুলি ঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। তার মধ্যে রয়েছে, ড্যানির সঙ্গে ভ্যারেসের বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনাটি। ভ্যারেস মনে করেছিল জন অনেক ভালো শাসক হতে পারে।

তবে এই তথ্য লিকের ঘটনাটি একটি নয় একাধিক মাধ্যমে হয়েছিল। তা ছাড়াও কিছু কিছু পোস্ট তো প্রায় ১১ মাস আগেই হয়ে গিয়েছিল। যদিও এই ধারাবাহিকের শুটিং অনেকটাই নিরাপত্তা আর সুরক্ষার ঘেরাটোপের মধ্যে হয়েছিল। বন্ধ জায়গায়, সুরক্ষিত পদ্ধতিতে, গুরুত্ব পূর্ণ দৃশ্যের একাধিক শট নিয়ে শুটিং করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও লিক হয়েছে এর তথ্য।

বিনোদনের আরও খবর পড়ুন

হলিউড রিপোর্টকে অভিনেতা এমিলিয়া ক্লার্ক বলেছেন, হয়তো বা কর্মীদের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ এই শুটিং-এর দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করেছে, যা জানা যায়নি। বিভিন্ন ঘটনার বিভিন্ন সমাপ্তি রয়েছে। কোনটা আসলে হতে পারে সে বিষয়ে কাউকে বলা হচ্ছে না।

একটি অনুষ্ঠানে সোফিয়া টুরনার বলেন, ড্রোন কিলার সেটের মধ্যে নামানো হয়েছিল। যদি সেটের ওপরে কোনো ড্রোন উড়ত তা হলে তা ড্রোন কিলারে ধরা পড়ত। এই ব্যবস্থাটি বেশ ভালো।         

নিকোলাজ কোস্টার ওয়ালডাউ বলেন, শেষ পর্বের শুটিং-এর পর তার স্ক্রিপ্টটি উধাও হয়ে যায়। বিষয়টি সাংঘাতিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা হয়েছিল। সংলাপগুলি পাওয়া গিয়েছিল ডিজিট্যালি। তার পর শুটিংয়ের পর তা উধাও হয়ে যায়। এটা ঠিক যেন ‘মিশন অসম্ভব’-এর মতো।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here