juli-2

কামোদ্দীপক ছবি জুলি-২-এর হাত ধরে আবার চলচ্চিত্র জগতে ফিরছেন ‘সংস্কৃতিবান’ পহলাজ নিহালনি। ছবিটিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাই লক্ষ্মী। ছবি মুক্তি পাবে ৬ অক্টোবর। জুলি-২ হল ২০০৪ সালের জুলি ছবিরই দ্বিতীয় পর্ব।

এখনও এক মাসও হয়নি, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন থেকে তাঁকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে। এই বোর্ডের প্রধান হিসেবে কাজ করার সময় তিনি ছুঁতমার্গী ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন। আদপেও তিনি তা নন। তার আগামী ছবিতেই তার প্রমাণ মিলবে। অবশ্য এই প্রথম তিনি কোনো বিতর্কিত ছবি প্রযোজনা করছেন না। এর আগে আঁখে, আন্দাজের মতো একাধিক ছবি করেছেন, যাতে বেশ কিছু উত্তেজক দৃশ্য আছে।

নিহালনি একটা সাক্ষাৎকারে বলেন, জুলি-২ কে কোনো রকম কাটছাঁট ছাড়াই ‘এ’ মার্কা ছবির অনুমতি দেওয়া উচিত। এতে কোনো অসভ্যতা, অশ্লীলতা বা ভাষাগত সমস্যা নেই। আসলে এটা একটা ‘হট সিট’। নির্দেশাবলি মেনে ঠিক-ভুল বিচার করে খুব সতর্ক ভাবে কাজ করতে হয়।

ছবিটির সম্পর্কে নিহালনি বলেন, এই ছবিতে চলচ্চিত্র জগতের আবরণহীন বাস্তবটা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে প্রতিভাবান শিল্পীরা কী ভাবে আসেন, কী ভাবে তাঁরা আপস করতে বাধ্য হন, সেই সবই দেখানো হয়েছে। বরং দেশের যে সব উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা ঠিকঠাক প্ল্যাটফর্ম বা এক জন ঠিক মানুষ পেতে ব্যর্থ হন এতে তাঁদের একটা বার্তা দেওয়া হয়েছে। “আমার পরিবারেরও ছবিটা ভালো লেগেছে”।

ছবির পরিচালক দীপক শিবদাসনি একটা সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০১২ সাল থেকেই ছবির চিত্রনাট্য লিখতে শুরু করেন।  আর তখন থেকেই নিহালনির সঙ্গে এই বিষয়ে পরামর্শ করছেন। নিহালনি আর তাঁর স্ত্রী গোটা চিত্রনাট্য পড়ে বলেন, “ইয়ে অব মেরি হ্যাঁয়”।

একই রকম ছবিতে যে কারণে এত দিন নিহালনি আপত্তি করেছেন, তেমন কোনো বিতর্কিত উপাদান আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছিল দীপকের কাছে। তিনি বলেন, এই ছবি বা নিহালনিকে তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here