ওয়েবডেস্ক: স্থান টাটা লিটারেচার লাইভ! প্রসঙ্গ সন্দেহাতীত ভাবে #MeToo আন্দোলন! কিন্তু কালকি কোয়েচলিনের ছবির মতো বক্তব্যও যে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক ইন্ডাস্ট্রিতে, তা লেখাই বাহুল্য!

সাফ জানিয়েছেন কালকি- যদি অ্যাকশন দৃশ্য কোরিওগ্রাফ করা হয়, তা হলে অন্তরঙ্গ দৃশ্যও কোরিওগ্রাফ না করার কোনো কারণ নেই! “ছবিতে যখন আমরা অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করি, সেটা তো কোরিওগ্রাফ না করে করি না! কেউ কোনো দিন শুনিনি- এ রকম এক দৃশ্যে এক অভিনেতা অন্যের মুখে ভুল করে ঘুঁষি বসিয়ে দিয়েছেন! তা হলে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের বেলায় কোরিওগ্রাফি প্রয়োজন হয় না কেন? সেখানে যা কিছু, সব কী করে ভুল করে ঘটে যায়?” প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন নায়িকা!

 

View this post on Instagram

 

Thanks @shreejarajgopal for the outfit. Off to #jagranfilmfestival for an audience QandA of @ribbonthefilm

A post shared by Kalki (@kalkikanmani) on

আরও পড়ুন: ধর্ষণের আগে সম্মতি রেকর্ড করিয়ে নিই, #MeToo প্রেক্ষিতে জবানবন্দি দলীপ তাহিলের

পাশাপাশি জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথাও! “বহু বার এমন হয়েছে, সেটে পৌঁছে প্রথমবার এক পুরুষকে দেখলাম শুটিংয়ের সময়ে আমায় যার ঠোঁট কামড়ে ধরতে হবে! অচেনা পুরুষের ঠোঁট কামড়ানো বিরক্তিকর, কোনো মানে হয়”, বলছেন কালকি!

 

View this post on Instagram

 

Post show reflection. #lakmefashionwk

A post shared by Kalki (@kalkikanmani) on

এই প্রসঙ্গে টেনে আনা যেতেই পারে ক্যাটরিনা কাইফের এক বিতর্কিত অধ্যায়! বার বার অন্তরঙ্গ দৃশ্যে শট দেওয়ার দাবিতে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি ‘ফিতুর’ ছবির সেট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন! অর্থাৎ অন্তরঙ্গ দৃশ্য কোরিওগ্রাফ করার প্রয়োজন রয়েছে, শুধু অন্তরঙ্গ দৃশ্যে নজরদারির বোর্ড থাকাই যথেষ্ট নয়! “আমি এখন একটা নাটকে অভিনয় করছি, যেখানে প্রত্যেক দিন অন্তরঙ্গ দৃশ্য রিহার্সালের সময়ে সহ-অভিনেতা আমার সম্মতি নেন, তাও লিখিত ভাবে”, বলছেন কালকি!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here