ওয়েবডেস্ক: বিকাশ বহেল যে হামেশাই মহিলাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁদের হেনস্তা করে থাকেন, সে কথা আজ থেকে বছর তিনেক আগে জানিয়েছিলেন ফ্যান্টম প্রযোজনা সংস্থার এক কর্মচারী। বিকাশ তাঁকে যৌন হেনস্তা করলে তিনি গোটা ব্যাপারটা জানান সংস্থার আর এক অংশীদার অনুরাগ কাশ্যপকে। কিন্তু অনুরাগ কোনো ব্যবস্থা নেননি! এতে বিকাশের সাহস আর দুর্ব্যবহারের মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে ওই মহিলা কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন! এর পর ব্যাপারটা নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড হয়, অনুরাগ সংবাদমাধ্যমে নিজের ভুল স্বীকার করে নেন। অংশীদারি ব্যবসা থেকে সরে আসার কথাও জানিয়েছেন সম্প্রতি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আরও তিন বলিউডের দিকপাল হংসল মেহতা, বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে আর মধু মন্টেনাও! কিন্তু বিকাশকে বলিউড আড়াল করেই রেখেছে, এখনও ওই মহিলা সুবিচার পাননি বলেই খবর!

আরও পড়ুন: নারীদের যাঁরা হেনস্তা করেন, সেইসব পুরুষদের ক্ষান্ত করার দাওয়াই কঙ্গনার

সম্প্রতি এই ঘটনা নতুন করে প্রকাশ্যে আসায় অবশেষে বিকাশকে নিয়ে মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রানাউত। জানিয়েছেন, ‘ক্যুইন’ ছবিটা করার সময়ে তিনি বেশ কাছ থেকেই দেখেছেন বিকাশকে এবং অল্পস্বল্প যৌন হেনস্তার শিকার তাঁকেও হতে হয়েছে! “যখনই দেখা হতো কোথাও, বিকাশ খুব শক্ত করে আমায় জড়িয়ে ধরত! তার পরে আমার ঘাড়ে মুখ ডুবিয়ে শরীরের গন্ধ নিত, চুলের মধ্যে মুখ ঘষত! বলত- আহ্! তোমার শরীরের গন্ধটা আমার অপূর্ব লাগে কঙ্গনা! আমায় প্রতি বার এই এক জিনিসের মধ্যে পড়তে হতো আর বেশ জোর করেই ছাড়াতে হতো ওঁর থেকে নিজেকে! যদিও উনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জাপটে ধরে রাখতেন আমায়”, বলছেন কঙ্গনা!

এ ছাড়া নানা অস্বস্তিকর কথা বলা তো ছিলই! “প্রতি দিন বিকাশ আমায় নতুন একজন যৌনসঙ্গিনীর গল্প বলত! সেক্সের গল্প বলে, উত্তেজিত করে আমায় টানতে চাইত বিছানায়! আমি খুব একটা জাজমেন্টাল নই, কিন্তু দিনের পর দিন এক বিবাহিত লোক এটা করে যাচ্ছে দেখে গা রি-রি করত”, খোলাখুলি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি!

অন্য দিকে, পরিচালক হংসল মেহতাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিকাশের চরিত্রের অন্ধকার দিকটা! এ বার দেখার মামলা আদালতে যায় কি না!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন