নয়াদিল্লি: মুম্বইকে ‘পিওকে’ এমনকী ‘পাকিস্তানে’র সঙ্গে তুলনা করলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এ দিন বৃহন্মুম্বই পুরসভা মুম্বইয়ে তাঁর অফিসের ‘বেআইনি’ নির্মাণ ভাঙার তোড়জোড় শুরু করতেই লাগাতার টুইটে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন অভিনেত্রী।

বুধবার সকালে হিমাচলপ্রদেশের মানালিতে নিজের বাড়ি থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা দেন কঙ্গনা। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ঠিক ওই সময়ই পুরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মীরা তাঁর অফিসের সামনে বুলডোজার নিয়ে ‘বেআইনি’ অংশ ভাঙছেন। কঙ্গনা অবশ্য এ ব্যাপারে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন।

এ দিনই অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দেয় বম্বে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পুরসভা কর্তৃপক্ষকে কঙ্গনার অভিযোগের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

৩৩ বছর বয়সি অভিনেত্রী অভিযোগ করেছেন, মহারাষ্ট্র সরকার তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিশানা করেছে। কারণ, তাঁর লড়াই শিবসেনার বিরুদ্ধে। শিবসেনাই রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে। বৃহন্মুম্বই পুরসভার ক্ষমতা তাদেরই হাতে।

সকালে টুইটার পোস্টে কঙ্গনা লিখেছেন, “মহারাষ্ট্র সরকার ও তার গুন্ডারা তাঁর মুম্বইয়ের অফিস বেআইনি ভাবে ভাঙচুর করতে গিয়েছে”।

অফিসের ‘বেআইনি’ অংশ ভাঙার ঘটনাকে রাম মন্দির ধ্বংসের সঙ্গে তুলনা করেছেন কঙ্গনা। তিনি লিখেছেন, “মণিকর্ণিকা ফিল্মজ প্রথম ‘অযোধ্যা’ নামের একটি ছবির ঘোষণা করেছে। আমার কাছে এটা শুধুমাত্র কোনো ইমারত নয়, বরং রামমন্দিরের সমান। আজ সেখানে বাবর এসেছে। আবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ফের ভাঙা হবে রামমন্দির। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো বাবর, মন্দির ফের গড়ে উঠবেই। জয় শ্রী রাম, জয় শ্রী রাম”।

অভিনেত্রীকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। একজন অভিনেত্রীকে এই নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল শুরু হয়েছে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন