টালিগঞ্জ : শীতকাল মানেই খুশি, উৎসবের মরসুম। সামনেই ৩১ ডিসেম্বর আর পয়লা জানুয়ারি। দিনগুলো নিয়ে সকলেরই কম বেশি উন্মাদনা থাকে। এর ঠিক আগে আগেই আমাদের কথা হল টলি সেলেব ইন্দ্রাশিস রায়, তনুশ্রী চক্রবর্তীর আর সম্পূর্ণার লাহিড়ী সঙ্গে। তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কীভাবে কাটাতে চান এই দিনগুলো? নতুন বছরে কী রেজোলিউশন নিচ্ছেন ওরা?

ইন্দ্রাশিস রায় আর তনুশ্রী চক্রবর্তী বলেন, ৩১ ডিসেম্বর বা পয়লা জানুয়ারি নিয়ে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে এই দিনগুলি অবশ্যই বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কাটাতে চান। ৩১ ডিসেম্বর একটু অন্য ভাবে কাটাতে পছন্দ করেন ইন্দ্রাশিস। কারণ রাত পোহালেই একটা নতুন বছর শুরু হবে। রাত ১২টা যেন বারোটা না বেজে যায়, সেই দিকটা ভেবে খুব আনন্দ করে দিনটি কাটাবেন তিনি। যদিও পরিকল্পনা মাফিক কোনো কিছু করার পক্ষপাতি নন অভিনেতা। তাঁর মতে, ‘প্ল্যান করলেই সেই প্রোগ্রাম ফ্লপ হয়’। তাই সেই দিনগুলি নিয়ে এখনই কোনো ‘প্ল্যান নয়’। তবে অবশ্যই তিনি চুটিয়ে মজা করবেন।

ইন্দ্রাশিস জানালেন, “কোনো রেজোলিউশনে বিশ্বাসী নই আমি”। ছোটোবেলায় তিনি ভাবতেন, বছরের শুরু থেকে একটু বেশি করে পড়াশোনা করবেন। আবার বড়ো হয়ে ভাবতেন, শ্যুটিং এ একটু তাড়াতাড়ি পৌঁছবেন। ‘আলটিমেটলি’ কোনোটাই হয়ে ওঠেনি তাঁর। কাজেই এখন আর কোনো রেজোলিউশনের মধ্যে থাকেন না তিনি।

তনুশ্রী চক্রবর্তীর জানান, সব কিছুর পাশাপাশি পরিবারকেও সময় দেবেন। নিউ ইয়ারের রেজোলিউশন নিয়ে তনুশ্রী জানালেন, “রেজোলিউশন তো অনেক আছে। বলে দিলে সেগুলো পূরণ করতে পারবো না। তাই সেগুলো নিয়ে কিছু না বলাই ভালো”।

সম্পূর্ণা নতুন বছরের শুরুটা অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর কাটার পরের মুহূর্ত থেকেই খুব আনন্দ করে কাটাতে চান। সেই জন্য সেই দিনটা বন্ধুবান্ধব এবং কাছের মানুষদের সঙ্গে গল্প-গুজব, আড্ডা, পার্টি করে কাটাতে চান তিনি। সারা রাত সবাইকে নতুন বছরের অভিনন্দন জানিয়ে হইচই করে কাটিয়ে, তার পর সকালবেলা ঘুমোবেন সম্পূর্ণা। সম্পূর্ণা রেজোলিউশনের ব্যাপারে বলেন, “আই আম টু সেল্ফ অবসেসড। আই লাভ মাইসেল্ফ। আমি একটা মানুষ। আমার কিছু ভালো গুণ যেমন আছে, তেমন কিছু খারাপও আছে। ভালো গুণগুলো মেনে নেওয়ার পাশাপাশি খারাপগুলোও মেনে নিতে হবে। তাই আমার কোনো রেজোলিউশন নেই। আর আমার সবটা নিয়েই আমি সম্পূর্ণা”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here