salil chowdhury

ওয়েবডেস্ক: সাল ১৯৪৪। অসম থেকে কলকাতায় পড়াশোনার জন্য এলেন এক বছর বাইশের তরুণ। অচিরেই প্রকাশ পেল শুধু লেখাপড়াতেই নয়, পাশাপাশি গানের জগতেও তাঁর মেধা অতুলনীয়। এই মেধা ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘকে উপহার দিয়েছে একের পর এক অবিস্মরণীয় গান। সেই সময় গণনাট্য সঙ্ঘে নিজেই গান লিখে তাতে সুর দিতেন সলিল চৌধুরী।

সময়ের স্রোত বয়ে গিয়েছে নিজের নিয়মে। একটু একটু করে গান নিয়ে সলিল সরে এসেছেন চলচ্চিত্রের জগতে। প্রথম বাংলা ছবি ‘পরিবর্তন’, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৪৯ সালে। যা এক বিরাট পরিবর্তনেরই দিশারী। কে জানত, আর বছর কয়েকের মধ্যেই ভারতীয় ছায়াছবির গান অর্জন করতে চলেছে নতুন সংজ্ঞা।

সেই জানা সম্পূর্ণ হল ১৯৫৩ সালে। পরিচালক বিমল রায়ের ‘দো বিঘা জমিন’ ছবির গান যখন সেজে উঠল সলিল চৌধুরীর সুরে। এই ছবির সূত্রেই ফিল্মফেয়ার পুরস্কার যেমন পেলেন সলিল, তেমনই কান চলচ্চিত্র উৎসবেও আদৃত হল তাঁর সুরবাহার।

বাকিটুকু ইতিহাস! সে নিয়ে নতুন করে নাড়াচাড়া না করলেও চলে। সলিল চৌধুরীর গান কী এবং কেন, তা নিয়ে পাতার পর পাতা লেখা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। সেখানে রয়েছে সঙ্গীতজ্ঞের অধিকার। কিন্তু সাধারণ মানুষের অধিকার তাঁর গানে নতুন করে নিজেকে হারিয়ে ফেলায়। আজ জন্মদিনে সলিল চৌধুরীর সুরেই তাই গাঁথা হল এই প্রতিবেদন।

তবে জনপ্রিয় কোনো গানে নয়! এই পাঁচটি গান অপ্রকাশিত। এত দিন পর্যন্ত তা ছিল বিস্মৃতি আর বিশ্রুতির আড়ালে। এক এক করে ক্লিক করে শুনে নিন সেই গানগুলো।

হাম খো গয়ে: সুর- সলিল চৌধুরী, গেয়েছেন লতা মঙ্গেশকর

গা মন মেরে: সুর- সলিল চৌধুরী, গেয়েছেন জেশুদাস

জিন্দগি জুয়া হ্যায়: সুর- সলিল চৌধুরী, গেয়েছেন কিশোর কুমার

ময়না জি ময়না: সুর- সলিল চৌধুরী, গেয়েছেন আশা ভোঁসলে

তুম হো কাহাঁ: সুর- সলিল চৌধুরী, গেয়েছেন অন্তরা চৌধুরী

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here