সৃজিত মুখার্জি সৌজন্য: লাইভমিন্ট

কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরেই কাস্টিং কাউচ ও নানারকম যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিদ্ধ হচ্ছেন বলিউডের তাবড় তাবড় পরিচালক, অভিনেতা, পারফরমাররা। নতুন করে ভারতে শুরু হয়েছে #মিটু আন্দোলন। সেই রেশ এবার এসে পড়ল টলিউডেও। অযাচিত প্রেমালাপ ও যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিদ্ধ হলেন বাংলা সিনেমার খ্যাতনামা পরিচালক সৃজিত মুখার্জি।

এক মহিলা ফেসবুকে অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে এক বন্ধুর সূত্রে তাঁর সঙ্গে সৃজিতের পরিচয় হয়। সে সময় ওই মহিলা জার্মানিতে থাকতেন এবং পড়াশোনা শেষ করে কেরিয়ার গড়ার ভাবনা শুরু করেছিলেন। সেই সূত্রে তিনি সৃজিতের ছবিতে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সৃজিত জানান, সে বছর ডিসেম্বরে তিনি ‘রাজকাহিনি’ ছবির শুটিং শুরু করবেন। ওই মহিলা চাইলে বিনা পয়সায় সেই ছবিতে সহকারী পরিচালকের কাজ করতে পারেন। মহিলা আগ্রহী হওয়ায় কথা এগোয়। স্কাইপে-তে সৃজিত ও ওই মহিলা পরস্পরের মুখোমুখি হন। অভিযোগ, প্রথম দিনই স্কাইপে-তে সৃজিত কাজের কথার মাঝে মহিলার ‘ঠোঁট করত সুন্দর’, ‘গাল কত চমৎকার’ ইত্যাদি মন্তব্য করেন। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে তাঁদের যোগাযোগ থাকে। সৃজিত বারবারই জানাতেন, তিনি কত একা। একদিন ওই মহিলা সৃজিতের কথার উত্তর দিতে না পারায়, সৃজিত তাঁকে জার্মানির নম্বরে ২০ বার ফোন করেন। যদিও সেগুলি তিনি ধরতে পারেননি। এরপর একসময় সৃজিত জানতে চান, ওই মহিলার কোনো প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন আছে কিনা। মহিলা ইতিবাচক উত্তর দেওয়ায় সৃজিত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে নির্দিষ্টি সময়ে মহিলার কলকাতায় আসেন সৃজিতের ছবিতে কাজ করার জন্য। কলকাতায় আসার পর সৃজিত তাঁকে জানিয়ে দেন ছবির শুটিং শুরু হয়ে গেছে। ওই মহিলাকে আর প্রয়োজন নেই।

“What’s the Bengali film industry doing? Have the Srijit Mukherjis been named yet? #metoo

In 2014 (August) I had just about completed my studies and was looking for work. I was looking in different fields including as an assistant in film directing. Through a common friend I was put in touch with Srijit Mukherji who had by then become a famous director in Bengal. He told me that he was starting a film Rajkahini in December 2014 and that I could join in. However since I donot have a guild card he would not be able to pay. This discussion was via email after which he shared his phone number and asked for mine. I told him I had a German number and shared it. He asked if I had Watsapp which I said I did and then started a Watsapp conversation. He wanted to skype with me and so we did. In the Skype conversation which I was under the impression was going to be about work he spoke more about himself and then asked me about myself. He commented on how I look, my lips, cheek etc. Even after the skype conversation he continued sending me Watsapp messages telling me how lonely it was in the top. One night when I was away and did not pick up his calls (he called me over 20 times on my German number) he sent me angry messages. This went on for some months and in most cases he would justify his behaviour by some emotional logic about his loneliness. By now I had told him about my plans to be in India on 19th December and joining the film. A few days before I was leaving for India he called me and asked me straightaway if I was single. I said no. I reached India on 19th Dec and called him. He didn’t pick up. I mailed him too. My Watsapp was not working in India. So I sent him an SMS. I got a reply from him that the shoot has already started and I cannot join the film anymore.

Swara had recently written an article on sexual harassment at workplace. In the entertainment business women navigate through chauvinists and predators like Srijit Mukherji and make ends meet. What this business requires is an organised body which would take heed of such complaints. May this #metoo movement which has come about as a deluge take us to brighter days!”

মহিলার ওই পোস্টের পর তুমুল সোরগোল পড়ে যায় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার জেরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ফেসবুকে উত্তর দেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। সৃজিত জানান, ঘটনাটি মোটেই যৌন হেনস্থা নয়। বরং তিনি ওই মহিলার প্রতি আবেগাসক্ত হয়ে মানসিক ভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। ওই ২০ বার ফোনের দিনটি ছাড়া সবসময়ই মহিলা সৃজিতের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে কথাবার্তা চালিয়েছেন। সৃজিতের দাবি, যেদিন তিনি জানতে পারেন যে ওই মহিলা অন্য সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন, সেদিনই বুঝতে পারেন যে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে মহিলা অস্বস্তি বোধ করছেন। তারপরই তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। আর মহিলা যখন কলকাতায় আসেন, তখন ছবির শুটিং শুরু হয়ে যাওয়ায় তাঁকে কাজে যুক্ত করা যায়নি।

এখন দেখার সৃজিতের এই উত্তরের কোনো প্রতিক্রিয়া ওই মহিলার তরফ থেকে আসে কিনা।

1 মন্তব্য

  1. Lofar, pervert less educated Directors and actors are ruling Bengali film Industry.Having no quality except copy paste and the medias are responsible to promote their idiotic vulgarism.

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন