ওয়েবডেস্ক: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যদি এ যুগের মহানায়ক হয়ে থাকেন, তবে মহানায়িকা কি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত? মানে ফের সেই সুচিত্রা সেন আর উত্তম কুমার সমীকরণ?

টলিপাড়ার ছবি কারখানা আর তার পরিচালক, প্রযোজকরা তো অন্তত সে রকমই দাবি করে থাকেন! সে দিক থেকে দেখলে বলতেই হচ্ছে, সুচিত্রা-উত্তম সম্পর্কের অহং বা ইগো এ বার ঋতুপর্ণা আর প্রসেনজিতের সম্পর্কেও এল!

rituparna sengupta and prosenjit chatterjee

উঁহু! তা বলে যেন ভাববেন না যে ছবিতে নিজের নামটা প্রসেনজিতের আগে দেখানোর দাবি জুড়েছেন ঋতুপর্ণা। এখন সময় অনেক আধুনিক, ফলে নায়িকার অভিমানটাও হয়েছে ছবির ট্রেলার নিয়ে। সুচিত্রা-উত্তমের যুগে যে জিনিসটার অস্তিত্বই ছিল না!

আর ট্রেলারটাও কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের নতুন ছবি ‘দৃষ্টিকোণ’-এর। সদ্য যা মুক্তি পাওয়ার পর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশংসা আর মুক্তির জন্য প্রহর গোনার পালা! সে সবের মাঝেই ট্রেলারে তাঁর চেয়ে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া নিয়ে তিনি যে খুশি নন, সেটা বুঝিয়ে দিলেন ঋতুপর্ণা।

rituparna sengupta

“ট্রেলারটা মুক্তি পাওয়ার পর থেকে আমার ফোন মেমোরি শুভেচ্ছাবার্তায় বোঝাই হয়ে গিয়েছে! একটা ফোন তো অনবরত বাজতে বাজতে এক সময়ে হ্যাং করে গেল! আমি খুব খুশি হয়েছি যে ট্রেলারটা সকলের পছন্দ হয়েছে। অনেকেই বলছেন, শ্রীমতী, ছবিতে আমার অভিনীত চরিত্রটাকে দেখতে বিধ্বস্ত মনে হলেও তা দর্শকের মনে একটা ছাপ ফেলে দিচ্ছে”, বক্তব্যের প্রথম ভাগে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা।

এর ঠিক পরেই তাঁর বক্তব্যে ধরা দিয়েছে মৃদু অভিমানের সুর। “তবে আমার মনে হচ্ছে, ট্রেলারটায় আমার আরও অনেকগুলো শট ব্যবহার করা যেত! আমার মনে হচ্ছে যে ট্রেলারে আমায় খুব কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অবশ্য এটা ছবি বিক্রির কৌশল কি না, তা বলতে পারব না”, বক্তব্য নায়িকার!

rituparna sengupta

হ্যাঁ, এটা ঠিক যে বক্তব্যের কোথাও একবারের জন্যও প্রসেনজিতের নাম ব্যবহার করেননি তিনি। অবশ্য তা করার দরকারটাই বা কী! সকলেরই জানা, তাঁর আর প্রসেনজিতের সম্পর্কের রসায়নের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিকোণ। এখন তাঁকে কম জায়গা দেওয়া মানে কাকে বেশি জায়গা দেওয়া- তা তো বোঝাই যাচ্ছে!

বিশ্বাস না হলে ট্রেলারটা একবার দেখে নিন না!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here