ওয়েবডেস্ক: সেই ১৯২৯ সাল থেকে বাঙালির হাড়ে-মজ্জায় মিশে গিয়েছে এক ব্যারিটোন ভয়েস আর সমবেত কণ্ঠের মাতৃবন্দনা। মহিষাসুরমর্দিনী নামে যার আনুষ্ঠানিক পরিচিতি থাকলেও রেডিওর এই অনুষ্ঠান ‘মহালয়া’ নামেই সমধিক পরিচিত। মহালয়ার ভোরে পিতৃপক্ষ যখন অবসানের পথে আর দেবীর পক্ষ থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে পুজোর চৌকাঠে পা রাখবে বলে, তখনই আকাশ-বাতাস কম্পিত করে দেবীবন্দনার এই অনুষ্ঠান শোনা আজ পরিণত হয়ে গিয়েছে বাঙালির জাতীয় পুজোর ঐতিহ্যে।

সেই মহালয়াই এ বার ছবির বিষয় হতে চলেছে টলিপাড়ার পরিচালক সৌমিক সেনের। ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি কিন্তু চিত্রনাট্য গুছিয়ে মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে শুটিং শুরু হয়ে যাওয়ার কথা ঠিক হয়ে আছে। এ-ও ঠিক হয়ে আছে যে ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করবেন দেবজ্যোতি মিশ্র।

prosenjit chatterjee

কিন্তু এই মহালয়া ঠিক কোন গল্পকে তুলে ধরতে চলেছে রুপোলি পর্দায়?

jisshu sengupta

এই ছবি একাধারে দুই মহালয়ার অনুষ্ঠানের গল্প বলতে চলেছে। একটি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের, অন্যটি উত্তমকুমারের। ১৯৭৫ সালে কিন্তু বাঙালির মহালয়া শোনার অভ্যাস একটু হলেও ধাক্কা খেয়েছিল। কেন না, সে বারে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অনুষ্ঠানটি বেতার তরঙ্গে ধরা দেয়নি, দিয়েছিল উত্তমকুমার পরিচালিত নতুন মহালয়া। বাঙালি তাদের মহানায়কের এই মহান কীর্তিকে কিন্তু মোটেও স্বাগত জানায়নি। সেই এক মহালয়াকে প্রত্যাখ্যান এবং আরেক মহালয়াকে বুকে আঁকড়ে রাখার গল্পই বলবে সৌমিক সেনের ছবি।

জানা গিয়েছে, ছবিতে উত্তমকুমারের চরিত্রে অভিনয় করবেন যিশু সেনগুপ্ত। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চরিত্রে দেখা যাবে শুভাশিস মুখোপাধ্যায়কে। আর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও থাকবেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়, কিন্তু সেটা কী- তা এখনই জানাতে রাজি নন ছবির সঙ্গে যুক্ত কেউই!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here