ওয়েবডেস্ক: নাহ্! সন্দীপ রায় সোনার কেল্লা নতুন ভাবে রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসার কথা ভাবছেন না! অন্য কাউকেও তিনি এই ছবি নতুন করে তৈরির স্বত্ব দেননি! তা হলে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কী ভাবে জড়িয়ে গেলেন সোনার কেল্লার রহস্যে?

আসলে চলতি বছরের পুজোর মরশুমে ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’ নামে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের যে ছবি বাংলার বক্স অফিস মাতাতে আসছে, তার সঙ্গেও যে জুড়ে আছে জয়সলমেরের এই দুর্গ এবং এক জমাটি রহস্য। সেই প্রসঙ্গে টাইমস গোষ্ঠীর এক সাক্ষাৎকারে কথা বলতে গিয়েই জানিয়েছেন নায়ক- সোনার কেল্লা কী ভাবে প্রথম দেখায় তাঁর চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল!

আরও পড়ুন: বিষাদবিধুর! ৫৬তম জন্মদিনে দেবশ্রী-অপর্ণার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে নিজের কাছে অপরাধী প্রসেনজিৎ!

“জয়সলমের দুর্গ প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমার স্মৃতিতে থেকে যাবে। এক বিশাল হলুদ দুর্গ, মাথা উঁচু করে ঠিক এক মরীচিকার মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে বালির বুকে। সূর্যের আলো এসে পড়েছে তার গায়ে জ্বলজ্বল করছে সোনার মতো সেই দুর্গ”, জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ!

পাশাপাশি এটাও জানাতে ভোলেননি- আজও জয়সলমের আর স্থানীয়দের মনে কী ভাবে বাস করছেন সত্যজিৎ রায়!

“যখন ওখানকার লোকজন জানতে পারলেন আমরা কলকাতা থেকে এসেছি, সরাসরি জিজ্ঞেস করলেন- আপনারা কি রায়ের শহরের মানুষ? কথায় কথায় এক স্থানীয় ব্যক্তি এও জানাতে ভুললেন না, রায়ের কল্যাণেই তাঁদের অনেকের রুজি-রুটি হয়! উনিই যে এই কেল্লা বিখ্যাত করে তার আকর্ষণ বাড়িয়েছেন পর্যটন মানচিত্রে, সে কথা সবাই জানালেন। এও বলতে ভুললেন না- তার পর থেকে ওঁরাও একে সোনার কেল্লা বলেই ডাকেন”, বলছেন নায়ক!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন