ওয়েবডেস্ক: তাঁর ছোটোবেলাটা কেটেছে নব্বইয়ের দশকে! তা, নব্বইয়ের দশকে ছুটি কাটাতে ইউএস যাওয়া কি দারিদ্র্যের লক্ষণ?

ঠিক এই প্রশ্নটারই মুখোমুখি এ বার দাঁড়াতে হয়েছে রণবীর সিংকে। দাঁড় করিয়েছেন টুইটারেতিরা। কেন না, সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ছোটোবেলায় তাঁর পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং তার জেরে একঘেয়ে ছুটি কাটানোর যে বর্ণনা দিয়েছেন নায়ক, তা সবারই চোখ কপালে তুলছে!

ranveer singh

“আমি যখন ছোটো ছিলাম, তখন আমার পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। আমরা কেবল বিদেশে ঘুরতে যাব বলে টাকা জমাতাম আর জমিয়েই যেতাম! কিন্তু সেই স্বপ্নের ঘোরাঘুরি বাস্তবে আর হয়ে ওঠেনি, টাকা জমত না বলে”, বক্তব্যের প্রথম ভাগে এটা দাবি করেছেন নায়ক।

ranveer singh

তার পরেই যা বলেছেন, তাতে চমকে উঠতে হচ্ছে। “আমরা কেবল বেড়াতে যেতাম ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর আর ইতালিতে। ইউএস-এ আমাদের অনেক আত্মীয় থাকেন, সেই জন্য সেখানেও বছরের পর বছর যাওয়া হত! আর প্রতি গরমের ছুটিতে ঠাকুর্দা-ঠাকুমার সঙ্গে গোয়ায় যেতাম”, পয়সা না থাকার ফিরিস্তিটা বেশ ভালো ভাবেই দিয়েছেন রণবীর!

এবং সঙ্গত কারণেই টুইটার তাঁকে দাঁড় করিয়েছে সমালোচনার মুখে! এটা যদি পয়সা না থাকার নমুনা হয়, তবে তাঁর মতো এমন গরিব অথবা বেশি গরিব হতে চেয়ে বিদ্রুপ করেছেন এক টুইটারেতি! আরেকজন রণবীরের বক্তব্যকে ব্যবহার করে সেখানে দিল্লির কিছু জায়গার নাম বসিয়ে ঠুকেছেন তাঁকে।

কিন্তু চূড়ান্ত বিদ্রুপ হয়েছে তাঁর নাম নিয়ে। একজন টুইটারেতি রণবীর কাপুরের পারিবারিক স্বচ্ছলতার ইঙ্গিত দিয়ে ব্যঙ্গ করে লিখেছেন- রণবীর কাপুর হতে পারলেন না বলে রণবীর সিং-ই থেকে যেতে হচ্ছে! নেপথ্যে দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে রণবীর কাপুরের প্রাক্তন সম্পর্কের ইঙ্গিত স্পষ্ট!

তা, নায়ক যেমন ডার্ক চরিত্রে অভিনয় করেন, তেমনই কি এটা তাঁর ডার্ক হিউমারের নমুনা?

কে জানে!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here