নয়াদিল্লি : বাবা মা বড়ো অভিনেতা। তাই তাঁদের ছেলেও অভিনেতাই হবে। এমন ভাবনাটাই অভিনেতা হওয়ার ব্যাপারে ওর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটাই ভয় ছোট্টো তৈমুরের বাবা সইফ আলি খানের।

মাত্র ১০ মাসেই তৈমুর চিত্রগ্রাহকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। ছবি তোলার একটা সুযোগও তাঁরা বাদ দেন না। মানুষও তাকে খুবই ভালোবাসে। এতে করে এই বয়সেই তৈমুর এক জন জনপ্রিয় তারকার মতো হয়ে গিয়েছে, বলেন সইফ।

বড়ো হলে তৈমুরকে এই ব্যাপারটা বুঝতে হবে যে, সে তার ইচ্ছা বা পছন্দ অনুযায়ী কাজ করতেই পারে। তার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। জীবনে সবটাই ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হয়। তার ওপর কিছু দায়িত্বও থাকবে। শুধু তা-ই নয়, তার প্রতি কিছু প্রত্যাশাও থাকবে। হয়তো এই সব কিছুর চাপই তাঁকে অভিনেতা হতে বাধ্য করবে। কিন্তু সইফ আলি চান তৈমুর যেন নিজের ইচ্ছা, নিজের পছন্দ অনুযায়ী চলতে পারে। সে যেন ঠিকঠাক ভাবে পরিচালিত হয়। তাতে হয়তো অন্য একটা জগতের প্রতিও সে আকৃষ্ট হতে পারে।

সইফের আরও দু’ সন্তান আছে। তাদের মা অমৃতা সিং। এরা সারা আলি খান আর ইব্রাহিম আলি খান। বাবা হিসেবে সইফ চান তাঁর প্রত্যেক সন্তানই যেন তাদের মনের কথা শোনে। তিনি বলেন, সারা ইতিমধ্যেই অভিনয় জগতে নাম লিখিয়েছে। ইব্রাহিমের অভিনয় পছন্দ নয়। অন্য কিছু করতে চায় সে। সইফ বলেন, তিনি খুশি তারা তাদের পছন্দের কাজ বেছে নিয়েছে।

করিনা-সইফের বিয়ের ৫ বছর হতে চলেছে ১৬ অক্টোবর। এই উপলক্ষে দু’ জনে এক সঙ্গে কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন বলে জানান সইফ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন