Connect with us

কলকাতা

বাড়িওয়ালার তরফে খুনের হুমকি, পোষ্যদের নিগ্রহ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের শিলাজিতের

ওয়েবডেস্ক: খবর বলছে, অনেক দিন ধরেই অ্যান্টেনা নামের যে বাড়িতে গায়ক তথা অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদার থাকেন, তার মালিক অমর চক্রবর্তীর সঙ্গে বচসা চলছে তাঁর। এর মাঝেই শিলাজিৎ যখন পুলিশের দ্বারস্থ হলেন, বাড়িওয়ালার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন এবং সুরক্ষার অভাব বোধ করছেন বলে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন, তখন জানা গেল- তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে!

কথা প্রসঙ্গে শিলাজিৎ জানিয়েছেন, ৪ জুলাই অমর চক্রবর্তী তাঁর এক বন্ধু, যিনি কি না আর্মি অফিসার, তাঁকে নিয়ে জোর করে শিলাজিতের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাধা পেয়ে অকথ্য গালিগালাজ করেন চক্রবর্তী। “অমর চক্রবর্তী অনেক দিন ধরেই আমায় নানা হুমকি দিয়ে আসছেন। কিন্তু সে দিন আমার বাড়িতে ঢুকতে না পেরে যে কুকুরগুলো আমার বাড়িতে থাকে, অকারণে তাদের মারধর করেছেন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে। আমি এত দিন পর্যন্ত চুপ করেই ছিলাম। কিন্তু আর নয়”, বলছেন শিলাজিৎ।

পাশাপাশি জানা গিয়েছে, শিলাজিতের নামে পঞ্চসায়র পুলিশ স্টেশনে পাল্টা অভিযোগ দাখিল করেছেন অমর চক্রবর্তীও। তাঁর বক্তব্য, শিলাজিৎ অনুমতির তোয়াক্কা না করেই তাঁর বাড়ির ছাদে অবৈধ নির্মাণে হাত দিয়েছেন। সেই ব্যাপারটা দেখার জন্যই তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে বাড়িতে উপস্থিত হন। কিন্তু তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয় না।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

রোগীর অভুক্ত পরিজনদের খাবার বিলোন ‘হসপিটালম্যান’ পার্থ

অর্ণব দত্ত

বছর আড়াই আগে সরকারি হাসপাতালে কিছু দিনের জন্য ভর্তি ছিলেন পার্থ কর রায়চৌধুরী (Partha Kar Roychowdhury)। তখনই চোখ খুলে গিয়েছিল। কাছ থেকে দেখেছিলেন দারিদ্র্য আর অনাহার। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর পরিজনদের একটা বড়ো অংশই জেলাগুলির বাসিন্দা। আপনজনের চিকিৎসা করাতে এসে কলকাতার হাসপাতাল-চত্বরে রাত কাটাতে হয় ওঁদের অনেককেই। কারণ হোটেলে থাকাখাওয়ার খরচ বহন করার সঙ্গতি নেই। অনেক সময় রোগীর ওষুধপত্রের খরচ জোগাতে হয় সর্বস্ব বেচেবুচে। কেউ কেউ জমিজমাও বাঁধা দেন। 

পরিজনকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসে নিজের খাওয়ার খরচটা বাঁচলে ও টাকাটা সাশ্রয় হবে। তাই স্রেফ জল খেয়ে হাসপাতাল চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েন অভাবী মানুষগুলো।

পার্থবাবু বললেন, এই করুণ অভিজ্ঞতা আমার মনটা পালটে দিল। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ভাবলাম, ওদের জন্য কিছু একটা করতে হবে। টাকার অভাবে কেন উপোসি থাকবে মানুষ?

যেমন ভাবা, তেমন কাজ। কালীঘাটের বাসিন্দা পার্থবাবু এলাকার খাবারের দোকানদারের কাছে আর্জি জানালেন হোটেলের বেঁচে যাওয়া খাবার তিনি সংগ্রহ করতে চান। সেই সঙ্গে খোলসা করলেন নিজের উদ্দেশ্যও।

লকডাউন শুরু হওয়ার পরেও কিছু দিন ভাত খাইয়েছিলেন পার্থবাবু।

এর পর অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শুধুমাত্র হোটেলই নয়, এলাকায় বিয়েবাড়ি, শ্রাদ্ধ কিংবা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের বাড়তি খাবার জোগাড় করেন পার্থবাবু। উদ্বৃত্ত সেই খাবারই রাতের খাবার হিসেবে পরিবেশন করেন দরিদ্র রোগীর সঙ্গে আসা হাসপাতাল চত্বরে অপেক্ষমান মানুষগুলোকে।

দক্ষিণ কলকাতার চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল, পিজি এবং শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে প্রায় আড়াই বছর হল এ ভাবে সমাজসেবা চালাচ্ছেন। মানবসেবার ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন হাসপাতাল চত্বরকেই। এখন সকলে তাঁকে এক ডাকে ‘হসপিটালম্যান’ (‘Hospital Man’) নামে চেনে।

লকডাউন পর্বে ‘হসপিটালম্যান’-এর বাঁধা রুটিনে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এখন দিনে রোগীর পরিজনদের শুকনো খাবারের প্যাকেট বিলি করেন। কারণটা সহজেই অনুমেয়। লকডাউনে টানা বন্ধ ছিল রেস্তোরাঁগুলি। তা ছাড়া সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোও সারা হচ্ছে নমো নমো করে।

লকডাউনে প্রতি দিন মুড়ি, কলা, বিস্কুট, গুড় – এ ধরনের শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। পার্থবাবুর কথায়, “আর কত দিন চালাতে পারব জানি না। আর্থিক সম্বল তলানিতে এসে ঠেকেছে।” 

এখন দিচ্ছেন মুড়ি-কলা-বিস্কুট-গুড়।

পেশায় একজন পুলকার ব্যবসায়ী তিনি। বয়স ৫১। বিবাহিত। স্ত্রী-পুত্র নিয়ে সংসার। এ ছাড়া বৃদ্ধ বাবা-মাও রয়েছেন। পার্থবাবু জানালেন, শহরের তিনটি হাসপাতাল চত্বরে খাবার বিলিবাবদ খরচ পড়ছে দৈনিক ১৬০০ টাকা। এ সত্ত্বেও পরিবারের সকলে চান প্রেরণাদায়ক এই কাজটি যেন পার্থবাবু চালিয়ে যান।

প্রতি দিন অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ তাঁর হাত থেকে খাবার পাচ্ছেন। নিজের গাড়িতে চাপিয়ে হাসপাতালগুলোতে খাবার নিয়ে যান। শীতগ্রীষ্মবর্ষা একই রুটিন। 

লকডাউনে স্থানীয় রিকশাওয়ালাদের করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে তাঁদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন পার্থবাবু। লকডাউন পর্বে রিকশাওয়ালাদের অনেকেই অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে রাসবিহারী রিকশা স্ট্যান্ড, কেওড়াতলা রিকশা স্ট্যান্ডে বিতরণ করছেন খাদ্যসামগ্রী।

তীর্থপতি ইনস্টিটিউশনের ছাত্র পার্থ ছিলেন এলাকার নামকরা ক্রিকেটার। অভিনয় করতেও ভালবাসেন। 

কলকাতার হাসপাতালে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা অধিকাংশ মানুষজনই হতদরিদ্র। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা তাদের। ওদের অনাহারের জ্বালা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন কালীঘাটের ছেলে পার্থ। সমাজসেবার কাজের শুরুয়াতের আগে এ-ও টের পেয়েছিলেন, ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়’।

Continue Reading

কলকাতা

ডাক্তার দিবসে করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, পাশে আইএমএ, এনআরএস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বুধবার ১ জুলাই পালিত হল ডাক্তার দিবস। রাজ্যের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম-মৃত্যু দিবস। তাঁকে স্মরণ করেই এ দিন পালিত হয় ডাক্তার দিবস (Doctor’s Day)। এই দিবস উদযাপনে বাদ থাকল না সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসও (Senco Gold & Diamonds)।

বুধবার ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাঅ্যাসোসিয়েশন (IMA) এবং নীলরতন সরকার (NRS) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সঙ্গে একযোগে ডাক্তার দিবস পালন করল পূর্ব ভারতের সব চেয়ে বড়ো জুয়েলারি রিটেল চেন। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কোভিড ১৯ (Covid 19) মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধে কর্তব্যরত ১৫০ জনেরও বেশি চিকিৎসক ও নার্সকে সম্মান জানানো হয়।

ডাক্তার দিবসের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল এনআরএস মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই চিকিৎসাক্ষেত্রে ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের অসামান্য কৃতিত্বের কথা স্মরণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। করোনা হাসপাতালগুলির দায়িত্বে থাকা সব ধরনের চিকিৎসাকর্মীদের তাঁদের কর্তব্যবোধ, আত্মত্যাগ এবং দায়বদ্ধতার জন্য সম্মান জানানো হয়।   

অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগর উন্নয়ন ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এনআরএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. শৈবাল মুখার্জি, ওই কলেজ ও হাসপাতালেরই এমএসভিপি (মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট কাম ভাইস প্রিন্সিপ্যাল) অধ্যাপক ডাঃ করবী বড়াল, আইএমএ-র সভাপতি ডা. শান্তনু সেন এবং সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর শুভঙ্কর সেন।

এই অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর তরফ থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত চিকিৎসা ও চিকিৎসাকর্মীদের বিশেষ ভাবে নকশা করা রৌপ্য মুদ্রা প্রদান করা হয়।  

Continue Reading

কলকাতা

করোনা আক্রান্ত নাইসেড অধিকর্তা, ভরতি বেলেঘাটা আইডিতে

বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

কলকাতা: এ বার করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলেন খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের নমুনা পরীক্ষাকেন্দ্র নাইসেডের (NICED) অধিকর্তা।

জানা গিয়েছে, কোভিড-১৯ (Covid-19) আক্রান্ত হয়েছেন নাইসেড অধিকর্তা শান্তা দত্ত। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালে তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের কেবিনে ভরতি করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, গত শনিবার নাইসেড অধিকর্তার লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে শুধু শান্তা দত্তই নন, নাইসেডের আরও এক অধিকর্তাও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

জানা গিয়েছে, নাইসেডের এই দুই অধিকর্তার সংস্পর্শে আসা প্রায় ৩০ জন কর্মীর নমুনা পরীক্ষা করানো হবে। একটি মহলের দাবি, নাইসেডে যেখানে নমুনা পরীক্ষার কাজ চলছে, সেখানে যেতেন না শান্তা দত্ত (Shanta Dutta)। তিনি সংক্রমণের বিশয়ে যথেষ্ট সতর্কতাও মেনে চলতেন। তার পরেও কী ভাবে দুই অধিকর্তা সংক্রামিত হলেন, সেটাই ভাবাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যভবন জানায়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা রাজ্যে ৬২৪ জন করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ঠেকেছে ১৭,৯০৭-এ।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন7 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য8 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ8 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর9 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ9 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য9 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য9 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ10 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে