ওয়েবডেস্ক: সবাই দেখে থ’ হয়ে গিয়েছেন বটে, কী নিখুঁত ভাবেই না সঞ্জয় দত্তকে তাঁর জীবনী-ছবিতে ফুটিয়ে তুলেছেন রণবীর কাপুর! কিন্তু সত্যি বলতে কী, কাজটা কঠিন হলেও রণবীরের পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়। কেন না, খুব ছোটো বয়স থেকেই তিনি যে ভাবে বলিউডের খলনায়ককে দেখেছেন, ততটা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন খুব কম মানুষই!

rishi kapoor and ranbir kapoor

“বাবার সঙ্গে আমি তখন রয়েছি কাশ্মীরে। ‘সাহিবাঁ’ ছবির শুটিং চলছে। সেখানেই আমি প্রথম দেখি সঞ্জয় দত্তকে। পাঠানি স্যুট পরা, লম্বা চুল, এক কানে মাকড়ি। সারা শরীর দিয়ে যেন জ্যোতি বেরোচ্ছে। দেখেই আমি পাগল হয়ে যাই”, বলছেন রণবীর।

sanjay dutt

এবং জানাতে ভুলছেন না, সেই সময় থেকেই সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে তাঁর একটা অদ্ভুত বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। অসমবয়সী এই বন্ধুত্ব যদিও রণবীরকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল অসংযমী জীবনযাপনের দিকে।

sanjay dutt

“মনে আছে, মাঝে মাঝে গভীর রাতে শুটিং শেষ করে নিজের ফেরারি গাড়িটা নিয়ে আমাদের বাড়িতে চলে আসতেন সঞ্জু স্যার। এসে আমায় গাড়িতে তুলে নিয়ে বেরিয়ে যেতেন, অন্য কাউকে নয়, শুধুই আমাকে নিয়ে। আমরা দুজনে রাতের মুম্বই চষে বেড়াতাম। যা কিছু ওই বয়সের একটা ছেলের পক্ষে করা বারণ, সেই সবই সঞ্জু স্যার আমায় করার সুযোগ এনে দিতেন। স্বাভাবিক ভাবেই ওই সময়টায় আকাশে উড়তাম আমি। মনে হতো, জীবনের সব স্বপ্ন সত্যি হয়েছে”, নায়কের জবানবন্দি।

ranbir kapoor

“সঞ্জু স্যার আমায় একটা লাল রঙের হার্লে ডেভিডসন বাইকও উপহার দিয়েছিলেন। তাঁর নতুন বাড়ি ইম্পেরিয়াল হাইটস তৈরি হয়ে যাওয়ার পরে। কিন্তু বাবা বাইক পছন্দ করেন না বলে ওটা আমায় লুকিয়ে রাখতে হতো। কিন্তু একদিন বাবা দেখে ফেললেন। তার পরেই ফোন করে সঞ্জু স্যারকে কথা শোনান তিনি। মনে আছে স্পষ্ট, বাবা বলেছিলেন- রণবীরকে বখিয়ে দিস না, ওকে তোর মতো ,করে তুলিস না! তার পর থেকেই সঞ্জু স্যারের সঙ্গে আমার যোগাযোগ কমে যায়”, জানাচ্ছেন রণবীর।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here