ওয়েবডেস্ক: বলতেই পারেন অনেকে, #MeToo প্রেক্ষিত থেকে সরে এসে লড়াইটা এ বার দাঁড়িয়েছে তনুশ্রী দত্ত আর রাখি সাওয়ান্তের মধ্যে। কিন্তু রাখি যখন সাংবাদিক সম্মেলন করে তনুশ্রীকে সমকামী এবং মাদকাসক্ত বলে চিহ্নিত করলেন, তখন তনুশ্রীও চুপ করে থাকলেন না! দেখা গেল, রাখি যা বলেছেন, তার চেয়ে কিছু বেশিই বিষোদ্গার করলেন তিনি!

আরও পড়ুন: একাধিকবার লেসবিয়ান তনুশ্রী ড্রাগ খাইয়ে আমায় ধর্ষণ করেছে, বিস্ফোরক সাংবাদিক-বিবৃতি রাখির

“আমার মা-বাবা খুব ছোটো থেকেই আমায় বিচক্ষণের মতো বন্ধু বাছতে বলেছিলেন! আমি আজও সেই পরামর্শ মেনে চলি! কাজেই ওই যে রাখি আমায় নিজের বন্ধু বলে দাবি করছে, সেটা ডাহা মিথ্যে! এবং এক সঙ্গে বিরক্তিকরও যখন রাখির মতো কুৎসিত, অশিক্ষিত, নোংরা, ছোটোলোক, ইতর, চরিত্রহীন, বিকৃতকামী, পতিতারা এ সব কথা বলে”, বক্তব্যের প্রথমে মন খুলে রাখিকে গালাগালি দিয়েছেন তনুশ্রী।

“আমার সঙ্গে রাখির কিছুক্ষণ ধরে কথা হয়েছিল একবারই- এক বিমানবন্দরের লাউঞ্জে। ও আমায় খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করার মতলব নিয়ে এসেছিল। বলেছিল, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করলে আমায় নরকে যেতে হবে। তা, আমি যখন জানতে চাইলাম স্বর্গ আর নরকের অবস্থানটা ঠিক কোথায়, বলাই বাহুল্য, অশিক্ষিত নির্বোধটা সেটা বোঝাতে পারল না! উল্টে শুরু করল হিন্দুধর্মের অবমাননা- আমাদের ধর্মকে ভুল এবং মূর্তিপূজাকে শয়তানের উপাসনা বলে নানা কথা বলতে থাকল! এর পরে আমি ওকে দেখলেই এড়িয়ে যেতাম, কিন্তু গায়ে পড়ে কথা বলা ও বন্ধ করত না, কোথাও আমায় দেখলেই দৌড়ে আসত”, জানিয়েছেন তনুশ্রী।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Rakhi Sawant (@rakhisawant2511) on

“সত্যি বলতে কী, এই রাখির মতো মানুষদের জন্যই আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের উপরে অন্যদের বিদ্বেষ বাড়ে। যখন হিন্দু থাকে, তখন হিন্দু ধর্মের ধ্বজা ওড়ায আর যখন ধর্মান্তরিত হয়, তখন এত খারাপ কথা বলে যে সহ্য করা যায় না। আমি মাথা ন্যাড়া করেছি বলে রাখি আমায় সমকামী বলেছে। মূর্খটা এও জানে না, হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মে কেউ দীক্ষিত হলে ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পণের নজির হিসেবে, নিজের সত্তাকে তুচ্ছ করার জন্যই চুল যে পরিচিতি বহন করে, সেটা বিসর্জন দেয়! রাখির লজ্জা করা উচিত, যৌনক্ষুধায় কাতর নির্বোধটা হিন্দুধর্মের আচারকে সমকামিতা বলছে! আসলে আমায় ধর্মান্তরিত করতে পারেনি বলেই এত নিন্দে করছে”, দাবি করেছেন তনুশ্রী! এও বলতে ছাড়েননি- শরীরের মতো রাখির মস্তিষ্কেও প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন ছিল!

বোঝাই যাচ্ছে, এত গালাগালি রাখি হজম করবেন না! কিন্তু ফের সাংবাদিক বৈঠক ডাকবেন কি না, সেটাই দেখার!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here