ওয়েবডেস্ক: কত কিছুই না এই কয়েক দিনে কানে এসেছে সবার- তনুশ্রী দত্ত এবং রাখি সাওয়ান্তের পারস্পরিক কথা-কাটাকাটির সূত্র ধরে! রাখি সাওয়ান্ত জানাতে কসুর করেননি- তনুশ্রী দত্ত না কি লেসবিয়ান, একাধিকবার ড্রাগ খাইয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেছেন তনুশ্রী! বদলে এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাখঢাকের বালাই আর রাখেননি তনুশ্রী, কী ভাবে বিষোদ্গার করেছিলেন রাখির বিরুদ্ধে, তা সরাসরি পড়ে নিতে পারেন নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে!

আরও পড়ুন: যৌনক্ষুধায় কাতর নির্বোধটা হিন্দুধর্মের আচারকে সমকামিতা বলছে, রাখির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার তনুশ্রীর

 

View this post on Instagram

 

Peace!! The good life. Amazing Grace..and some casual clicks!!

A post shared by Tanushree Dutta (@iamtanushreeduttaofficial) on

তার পরে খবর এসেছিল রাখি মানহানির মামলা দায়ের করেছেন মালাডের এক দায়রা আদালতে। সকাতরে অনুরোধ জানিয়েছিলেন- আইন যেন এ বার তনুশ্রীর বক্তব্যে হৃত তাঁর সম্মান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে মামলা কত দূর এগোল, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে কফিনে শেষ পেরেকটি যে তনুশ্রীই ঠুকলেন এবং তাতে সম্মান নিয়ে কিঞ্চিৎ টানাটানিও হবে রাখির, তা সহজেই অনুমেয়।

“আরে, রাখির কথার আবার দাম কী! ও তো নারীই নয়! রাখি তো ট্রান্সজেন্ডার, এই নিয়ে কত কথা হয় বলিউডে, ইন্ডাস্ট্রির সবাই এটা জানেন! তা ছাড়া, অতীতে তো খোলাখুলিই বিবৃতি দিয়েছিল রাখি- কেউ যদি সুযোগের বিনিময়ে কাজ দেয়, তবে তাতে ওর আপত্তি নেই! এত কিছুর পরেও কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের যৌন হেনস্তা প্রসঙ্গে ওর কথার গুরুত্ব আছে না কি”, মুখ খুলেছেন তনুশ্রী!

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Rakhi Sawant (@rakhisawant2511) on

পাশাপাশি বলতে দ্বিধা করেননি, প্রাথমিক ঝড়টা কেটে গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু #MeToo আন্দোলনটা মেয়েদের জন্য একটা সাহসের পথ তৈরি করে রাখল। “এই যে বলিউডে এত জন অভিযুক্ত কাজ হারালেন, অভিযুক্তদের অ্যাপয়েন্ট করার আগে বড়ো হাউজগুলো চিন্তাভাবনা করছে, এ কী কম ব্যাপার না কি! আগে তো এটুকুও ছিল না”, জানিয়েছেন তনুশ্রী!

শুধু বলিউড রয়েছে আরও কিছু জানার অপেক্ষায়! নিশ্চয়ই রাখি সাওয়ান্ত একটা পাল্টা বিবৃতি দেবেন! কিন্তু এই ট্রান্সজেন্ডার তকমার পরে তিনি কেমন যেন হঠাৎ করে চুপ করে গেলেন! দেখা যাক, কবে তাঁর মৌনতা মুখরতায় বদলে যায়!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here