Tarun Majumder
লাল পতাকায় জড়ানো দেহ, বুকের ওপর 'গীতাঞ্জলি'। ছবি: রাজীব বসু

কলকাতা: তাঁর অন্তিমযাত্রা সম্পন্ন হল তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়েই। কোনো আড়ম্বর হল না, রাষ্ট্রীয় মর্যাদার বালাই ছিল না। তাঁর দেহ দান করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে। এ ভাবেই শেষ বিদায় নিলেন তরুণ মজুমদার।

মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে কোনো আড়ম্বর হোক, তা চাননি তরুণ মজুমদার। তিনি চেয়েছিলেন, শোকের বাড়বাড়ন্ত থাকবে না। থাকবে না ফুল, মালার সজ্জা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অন্তিমযাত্রা হবে না। এমনকি মৃত্যুর পর তাঁর দেহ রবীন্দ্রসদন কিংবা নন্দনের কোথাও নিয়ে যাওয়া হোক, সেটাও চাননি পরিচালক।

শ্রদ্ধা জানাতে হাসপাতালে হাজির রাজনৈতিক বিশিষ্টজনেরা। ছবি: রাজীব বসু।

এসএসকেএম হাসপাতালে সোমবার সকালে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সিপিএম নেতা বিমান বসু, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র প্রমুখ। হাসপাতালে শেষ পর্যন্ত ছিলেন রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, শতরূপ ঘোষ, মধুছন্দা দেব, অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ প্রমুখ।

সোমবার সকালে সোয়া ১১টা নাগাদ মৃত্যুর পর তরুণ মজুমদারের দেহ নিয়ে শেষ যাত্রা হয় তাঁর ইচ্ছা মেনেই। কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে-হাতুড়ি চিহ্নিত লাল পতাকায় জড়ানো ছিল তাঁর দেহ। বুকের ওপর রাখা ছিল রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’।

দুপুর আড়াইটা নাগাদ হাসপাতাল থেকে তরুণ মজুমদারের দেহ নিয়ে শববাহী গাড়ি রওনা দেয় এনটিওয়ান স্টুডিওর পথে। সেখানেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানান তাঁর অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীরা। উপস্থিত ছিলেন দেবশ্রী রায়, দেবদূত ঘোষ, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, দোলন রায়, বোধিসত্ত্ব মজুমদার, সুমন্ত্র মুখোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। তবে সেখানেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে ছিল বারণ ছিল। এর পরে তাঁর দেহ আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই হল দেহদান।

আরও পড়তে পারেন

তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে বাংলার সংস্কৃতিজগৎ শোকাচ্ছন্ন, মুখ্যমন্ত্রী বললেন অপূরণীয় ক্ষতি

অনন্য সব কীর্তি রেখে চলে গেলেন চলচ্চিত্রকার তরুণ মজুমদার  

এক অনন্য পরিচালক তরুণ মজুমদার

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন