ভারতীয় চলচ্চিত্রে বহু অভিনেত্রী রয়েছেন যাঁরা নিজেদের অভিনয় দক্ষতায় নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। আবার কিছু অভিনেত্রী রয়েছেন, যাঁদের অভিনয় দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনমুগ্ধ করার রূপ বেশ সমাদৃত। সেইরকম এক অভিনেত্রী নাসিমা বানো।দেখতে অপরূপ সুন্দরী। তাঁকে বিউটি কুইনের খেতাব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পরিচয় আরও দিতে গেলে বলতে হয়, তিনি ছিলেন সায়রা বানুর মা ও দিলীপ কুমারের শাশুরী। আজ আমরা সেই সুন্দরী অভিনেত্রীকে নিয়ে আলোচনা করব।

বলিউডের প্রথম মহিলা সুপারস্টার নাসিম বানো। ১৯১৬ সালের ৪ জুলাই দিল্লিতে একটি সচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কথিত আছে, তিনি পালকিতে চড়ে স্কুলে পড়তে যেতেন। তিনি এত সুন্দর ছিলেন যে তাকে সর্বদা পর্দায় রাখা হয়েছিল।ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী নাসিম বানো। কিন্তু একবার স্কুল ছুটিতে মায়ের সঙ্গে সিলভার কিং ছবির শুটিং দেখতে গিয়েছিলেন এবং সেদিন থেকেই নায়িকা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নাসিম। স্টুডিওতে নাসিমের সৌন্দর্য দেখে তিনিও চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রস্তাব পান।কিন্তু তাঁর মা এসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অবশেষে নাসিম ‘হ্যামলেট’ ছবির অভিনেত্রী হিসেবে প্রস্তাব পেলে তিনি এবার তার মাকে রাজি করান এবং এমন একজন অভিনেত্রী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।

নাসিম বানো তার ছোটবেলার বন্ধু এহসান-উল-হককে বিয়ে করেছিলেন। ১৯৪২ সালে নাসিম বানো তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ছবি ‘বেগম’ নির্মাণ করেন। এরপর তিনি ‘মুলকাত’, ‘চাঁদনী রাত’ এবং ‘আজিব লাডকি’-এর মতো ছবি নির্মাণ করেন।

দেশের জন্য নিজের স্বামীকেও ছেড়ে দিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। ভারত ও পাকিস্তান ভাগের পর নাসিমা বানোর স্বামী এহসান পাকিস্তানে চলে যান। তিনি চেয়েছিলেন নাসিমা বানোও তাঁর সঙ্গে পাকিস্তানে যান, কিন্তু নাসিমা বেগম পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। পাকিস্তানে যাওয়ার পর নাসিম বানোর স্বামী আর ভারতে ফিরে আসেননি।

আরও পড়তে পারেন :

গোলাপী রঙের মিনি ড্রেসে আবেদনময়ী আলিয়া

এক অনন্য পরিচালক তরুণ মদুমদার

একটি সিনেমার পর নিজের পারিশ্রমিক বাড়াতেন এই অভিনেতা

অনন্য সব কীর্তি রেখে চলে গেলেন চলচ্চিত্রকার তরুণ মজুমদার

এ বার ওয়েব সিরিজের কাজল, কোন চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন