sridevi rajiv gandhi

ওয়েবডেস্ক: আজ তাঁরা দু’জনেই সশরীরে নেই। তবুও রয়ে গেছে কিছু স্মৃতি, যা ভুলতে চাইলেও ভোলা যাবে না। একটি পার্টিতে শ্রীদেবীর সঙ্গে রাজীব গান্ধীর সেই মসকরার ঘটনা যে ভুলতে পারবেন না সনিয়া গান্ধীও।

আটের দশকরে শেষ ভাগে এসে কেরিয়ারে জং ধরতে বসেছিল বিগ বি-র। একের পর এক বড়ো ব্যানারের ছবিতে অভিনয় করেও প্রযোজককে লক্ষ্মীলাভের দিশা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন অমিতাভ। ‘ক্রোধ’, ‘আজ কা অর্জুন’, ‘হম’, ‘আজুবা’, ‘ইন্দ্রজিৎ’, ‘আকেলা’-একটা ছবিও সে ভাবে বক্স অফিসে দানা পায়নি। এর পরই এল ‘খুদা গাওয়া’। বহু চর্চিত এবং বহু সমালোচিত। আবার জনপ্রিয়ও বটে। ওই ছবিতেই শ্রীদেবীর সঙ্গে চার নম্বর জুটি বাঁধার কাজ করেছিলেন অমিতাভ। আর সেই ছবির মহরতেই প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর রাজীব গান্ধীর সস্ত্রীক সাক্ষাৎ হয়েছিল শ্রীদেবীর সঙ্গে।

‘খুদা গাওয়া’র সঙ্গে রাজীবের সম্পর্ক তৈরি হওয়ার কারণ ছিল দু’টি। একটি সর্বজনবিদিত, তাঁর সঙ্গে অমিতাভের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। দ্বিতীয়ত, ভারত-আফগানিস্থান সম্পর্ক। রাজনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত আফগানিস্থানের মাটিতে ওই ছবির শুটিংয়ের জন্য প্রয়োজক মনোজ দেশাই এবং নাজির আহমেদ অনেকটাই কৃতজ্ঞ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীবের প্রতি। সব মিলিয়ে ছবির মহরতেও রাজীবের উপস্থিতি ছিল বাঁধা।

আরও পড়ুন: দুনিয়া ছাড়লেন হাওয়া হাওয়াই, ৫৪ বছর বয়সেই প্রয়াণ কিংবদন্তির

পার্টি চলছিল। আচমকা সেখানে হাজির হলেন সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী। সেই পার্টির মধ্যমণি অবশ্য ওই ছবিতে দ্বৈত ভূমিকার নায়িকা শ্রীদেবী। রাজীবের গন্তব্যও সে দিকেই। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সে দিন রাজীব তাঁর কাছে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আপনি খুদা গাওয়া ছবিতে খলনায়ক হবিবুল্লাহের মাথা চেয়েছেন, বাস্তবে আমিই আপনার হবিবুল্লাহ। আমার মাথা নিতে পারেন।’

রাজীবের মুখে এমন কথা শোনার পর সারা পার্টি হাসিতে ভেসে যায়। অবশ্য এক জন বাদে। তিনি রাজীব-পত্নী সনিয়া। কারণ তিনি এ সবের কিছুই বুঝতে পারেননি।

তবে এখন অবশ্য বেদনায় ভেঙে পড়েছে তাঁরও মন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন