ওয়েবডেস্ক: কানাঘুষোয় শোনা যায়, ঐন্দ্রিলা সেনকে না কি অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু করার অনেক আগে থেকে চিনতেন অঙ্কুশ হাজরা! লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন দিয়ে তাঁরা কাছাকাছি আসেননি; এ সম্পর্কের সমীকরণ খুব অন্য রকম! প্রায় বাল্যপ্রেমের মতোই বলা যায় আর কী!

কিন্তু ওই যে, একটা সাঙ্ঘাতিক কথা লিখে গিয়েছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- বাল্যপ্রেমে অভিশাপ থাকে! যে কারণে, অন্তত সাহিত্যে তো বটেই, ছোটোবেলা থেকে পরস্পরকে ভালোবেসে আসা কেউই পরস্পরকে কাছে পায়নি!

oindrila sen

সে কথাটাই কি এ বার সত্যি হতে চলল ঐন্দ্রিলা আর অঙ্কুশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও?

টলিপাড়ার অন্দরমহলের গুজব কিন্তু সে রকমটাই বলাবলি করছে! আশঙ্কা করছে- এই ঐন্দ্রিলা আর অঙ্কুশের সম্পর্ক ভাঙল বলে! অপেক্ষা করছে দম-চাপা উত্তেজনায়- কখন খবরটা সত্যি হয়ে দেখা দেয়!

ankush hazra

কেন না, বেশ অনেক দিন হয়ে গেল, এই জুটির মধ্যে বিচ্ছেদের সব লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে! সবার প্রথমে আসা যায় অঙ্কুশের কলকাতা ছেড়ে দেওয়া নিয়ে। খবর রটেছিল, নায়ক বলিউডে কাজ খুঁজতে গিয়েছেন, কিন্তু আদতে ব্যাপারটা তা নয়! টলিপাড়া দাবি করছে, তিনি স্রেফ পালিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলার নাগাল থেকে! এবং এটা প্রমাণ করার জন্য যে তিনি অন্য কোনো মেয়ের প্রেমে নেই!

কেন না, যাঁর নাম জড়িয়ে অঙ্কুশের নতুন আকর্ষণের কথাটা চাউর হয়েছে, সেই সঞ্জনা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু তখন ছিলেন কলকাতাতেই। মাসকটে জন্ম নেওয়া এবং বড় হওয়া এই মডেল তখন কাজ করছিলেন যশ দাশগুপ্তর বিপরীতে ফিদা ছবিতে। কাজেই তাঁর থেকেও দূরে যেতে অসুবিধা নেই, এটা অঙ্কুশ সবাইকেই দেখাতে পেরেছিলেন ভালো ভাবেই!

sanjana banerjee

এ দিকে, খুব তাড়াতাড়ি কিন্তু কলকাতায় ফিরেও এসেছেন তিনি! এসে কোনো কারণ না থাকা সত্ত্বেও গিয়েছিলেন ফিদা-র শুটিং স্পটে। গিয়ে সঞ্জনার সঙ্গে মামুলি দু-একটা কথা বলে ফের চলেও এসেছেন! টলিপাড়া বলছে, এ স্রেফ বিরহ, আর কিছুই নয়!

আপনার কী মনে হয়?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here