ওয়েবডেস্ক: পার্টি শেষ হয়ে গিয়েছে ৩০ জুনের রাতেই! কিন্তু সে রাতে নীতা আর মুকেশ অম্বানির মুম্বইয়ের ২৭ তলা অ্যান্টিলিয়া বাড়িতে কী কী হল, তার গল্প যেন আর শেষ হতেই চাইছে না!

যদিও এর মধ্যেই বলিউডে, খুব চুপিসাড়ে, অনেকেই হাসাহাসি শুরু করেছেন অম্বানিদের নিয়ে। কেন না বিরুষ্কা তাঁদের বিয়েতে যা যা করেছিলেন, তার অনেক কিছুরই পুনরাবৃত্তি ঘটেছে অম্বানিদের পার্টিতে। সে নতুন বউ শ্লোকা মেহতার পোশাক হোক বা খাদ্যতালিকা!

খবর মিলেছে, বিরুষ্কার বিয়ের খাবারের দায়িত্বে ছিলেন সেলেব্রিটি শেফ রীতু ডালমিয়া। সে দিন সব খাবার অতিথিদের সামনেই বানিয়েছিলেন রীতু এবং তাঁর রাঁধুনিদের দল। সেই খাবারে ছিল প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মেলবন্ধন। যেমন, রাজস্থানের বিকানেরি রুটিতে মোড়া পোরচিনি মাশরুম, পনির কুলচার সঙ্গে স্টাফড রাভিওলি ইত্যাদি প্রভৃতি।

এবং অম্বানিদের পার্টিতেও খাবার সরবরাহ করেছেন সেই রীতুই! এবং এক কায়দায়! মানে, অতিথিদের সামনে খাবার বানিয়ে দেওয়া, বিশেষ করে গারমেট পিজ্জা! এবং বিরুষ্কার ভোজে যেমন প্রচুর রাজস্থানি খানা ছিল ইতালির খানার যুগলবন্দিতে, তেমনটা ছিল এখানেও। তফাতের মধ্যে রাজস্থানি আর ইতালিয়ান- দুটো আলাদা কাউন্টার করা হয়েছিল ফিউশন না করে! সঙ্গে ছিল অম্বানিদের গোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে গুজরাতি কাউন্টারও!

laduree

যদিও মুখমিষ্টির ব্যাপারে পয়সা আর খাবার, দুটোই ওড়ানোর খেলা দেখিয়ে অতিথিদের চমকে দিয়েছেন অম্বানিরা। এই পার্টিতে মুখমিষ্টির বন্দোবস্ত করেছিল প্যারিসের লাদিউরি বেকারি। যারা দেখনদারি আর স্বাদবাহার- দুটোতেই চমকে দিয়েছে পৃথিবীতে। সেই লাদিউরি তাদের নানা কেক, প্যাস্ট্রি অতিথিদের সরবরাহ করেছিল বেলুনের সঙ্গে থালা বেঁধে। যা হাওয়ায় ভেসে ভেসে পৌঁছে যায় অতিথিদের হাতে।

এ দিকে ওয়াকিবহাল মহল বলতে আরম্ভ করেছে, এখানেও রয়েছে নকলনবিশি! সত্যজিৎ রায়ের গুগাবাবা কেমন হাল্লা রাজার সেনাদের জন্য আকাশ থেকে খাবার নামিয়েছিল, তা ভুলে যাননি তো?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here